ঢাকা ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

বজ্রপাত থেকে বাঁচার দোয়া ও তাসবিহ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বৈশাখ তথা বর্ষার সময় এলে প্রায়ই প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। সম্প্রতি সময়ে আবার ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে হয় প্রচণ্ড বজ্রপাতও। এতে প্রতি বছরই অনেক মানুষ প্রাণ হারায়। এ বজ্রপাত থেকে বাঁচতে নবীজি (সা.) এ সময় ছোট্ট একটি দোয়া পড়তেন। আবার বজ্রপাতের মৃত্যু থেকে বাঁচতে হাদিসে ছোট্ট একটি তাসবিহ পড়ার কথা বলা হয়েছে। যুগান্তরের পাঠকদের জন্য ছোট্ট এ দোয়া ও তাসবিহটি তুলে ধরা হলো—

বজ্রপাত মহান আল্লাহ তাআলার শক্তিমত্তার এক মহা নিদর্শন। বজ্রপাত হচ্ছে আসমানি দুর্যোগ। মানুষকে অন্যায় থেকে বিরত রাখার সতর্কবার্তা। আল্লাহ তাআলা এ নামে (সুরা রাদ) একটি স্বতন্ত্র সুরা নাজিল করেছেন। নবীজি (সা.) তাঁর উম্মতকে বজ্রপাত থেকে বাঁচাতে শিখিয়েছেন একটি দোয়া। উল্লেখ করেছেন একটি ছোট তাসবিহ। যা হাদিসের বর্ণনায় এভাবে ওঠে এসেছে—

দোয়া:

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন বজ্রের শব্দ শুনতেন বা বিদ্যুতের চমক দেখতেন; তখন সঙ্গে সঙ্গে বলতেন—

اَللَّهُمَّ لَا تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَ لَا تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَ عَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা লা তাক্বতুলনা বিগাদাবিকা ওয়া লা তুহলিকনা বিআজাবিকা, ওয়া আ’ফিনা ক্ববলা জালিকা।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! তোমার ক্রোধের বশবর্তী হয়ে আমাদের মেরে ফেলো না। আর তোমার আজাব দিয়ে আমাদের ধ্বংস করো না। এর আগেই আমাদের ক্ষমা ও নিরাপত্তার চাদরে আবৃত করো।’ (তিরমিজি ৩৪৫০, মিশকাত ১৫২১)

তাসবিহ:

‘মুসান্নাফে আবি শায়বা’য় বজ্রের আক্রমণে মৃত্যু থেকে বাঁচতে ছোট্ট একটি তাসবিহ পড়ার কথা বলা হয়েছে। যে ব্যক্তি এ তাসবিহ পড়বেন; তিনি বজ্রপাতের আঘাত থেকে মুক্ত থাকবেন। তাসবিহটি হলো—

سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ

উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি।’

সুতরাং আসমানি দুর্যোগ বজ্রপাতের যাবতীয় ক্ষতি ও প্রাণহানি থেকে মুক্ত থাকতে নবীজি (সা.)-এর শেখানো দোয়া ও তাসবিহটির যথাযথ আমল করা জরুরি। আল্লাহ তাআলা এতে বান্দাকে বজ্রপাতের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

বজ্রপাত থেকে বাঁচার দোয়া ও তাসবিহ

আপডেট সময় ০৯:১৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বৈশাখ তথা বর্ষার সময় এলে প্রায়ই প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। সম্প্রতি সময়ে আবার ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে হয় প্রচণ্ড বজ্রপাতও। এতে প্রতি বছরই অনেক মানুষ প্রাণ হারায়। এ বজ্রপাত থেকে বাঁচতে নবীজি (সা.) এ সময় ছোট্ট একটি দোয়া পড়তেন। আবার বজ্রপাতের মৃত্যু থেকে বাঁচতে হাদিসে ছোট্ট একটি তাসবিহ পড়ার কথা বলা হয়েছে। যুগান্তরের পাঠকদের জন্য ছোট্ট এ দোয়া ও তাসবিহটি তুলে ধরা হলো—

বজ্রপাত মহান আল্লাহ তাআলার শক্তিমত্তার এক মহা নিদর্শন। বজ্রপাত হচ্ছে আসমানি দুর্যোগ। মানুষকে অন্যায় থেকে বিরত রাখার সতর্কবার্তা। আল্লাহ তাআলা এ নামে (সুরা রাদ) একটি স্বতন্ত্র সুরা নাজিল করেছেন। নবীজি (সা.) তাঁর উম্মতকে বজ্রপাত থেকে বাঁচাতে শিখিয়েছেন একটি দোয়া। উল্লেখ করেছেন একটি ছোট তাসবিহ। যা হাদিসের বর্ণনায় এভাবে ওঠে এসেছে—

দোয়া:

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন বজ্রের শব্দ শুনতেন বা বিদ্যুতের চমক দেখতেন; তখন সঙ্গে সঙ্গে বলতেন—

اَللَّهُمَّ لَا تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَ لَا تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَ عَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা লা তাক্বতুলনা বিগাদাবিকা ওয়া লা তুহলিকনা বিআজাবিকা, ওয়া আ’ফিনা ক্ববলা জালিকা।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! তোমার ক্রোধের বশবর্তী হয়ে আমাদের মেরে ফেলো না। আর তোমার আজাব দিয়ে আমাদের ধ্বংস করো না। এর আগেই আমাদের ক্ষমা ও নিরাপত্তার চাদরে আবৃত করো।’ (তিরমিজি ৩৪৫০, মিশকাত ১৫২১)

তাসবিহ:

‘মুসান্নাফে আবি শায়বা’য় বজ্রের আক্রমণে মৃত্যু থেকে বাঁচতে ছোট্ট একটি তাসবিহ পড়ার কথা বলা হয়েছে। যে ব্যক্তি এ তাসবিহ পড়বেন; তিনি বজ্রপাতের আঘাত থেকে মুক্ত থাকবেন। তাসবিহটি হলো—

سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ

উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি।’

সুতরাং আসমানি দুর্যোগ বজ্রপাতের যাবতীয় ক্ষতি ও প্রাণহানি থেকে মুক্ত থাকতে নবীজি (সা.)-এর শেখানো দোয়া ও তাসবিহটির যথাযথ আমল করা জরুরি। আল্লাহ তাআলা এতে বান্দাকে বজ্রপাতের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করবেন।