ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

বজ্রপাত থেকে বাঁচার দোয়া ও তাসবিহ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বৈশাখ তথা বর্ষার সময় এলে প্রায়ই প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। সম্প্রতি সময়ে আবার ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে হয় প্রচণ্ড বজ্রপাতও। এতে প্রতি বছরই অনেক মানুষ প্রাণ হারায়। এ বজ্রপাত থেকে বাঁচতে নবীজি (সা.) এ সময় ছোট্ট একটি দোয়া পড়তেন। আবার বজ্রপাতের মৃত্যু থেকে বাঁচতে হাদিসে ছোট্ট একটি তাসবিহ পড়ার কথা বলা হয়েছে। যুগান্তরের পাঠকদের জন্য ছোট্ট এ দোয়া ও তাসবিহটি তুলে ধরা হলো—

বজ্রপাত মহান আল্লাহ তাআলার শক্তিমত্তার এক মহা নিদর্শন। বজ্রপাত হচ্ছে আসমানি দুর্যোগ। মানুষকে অন্যায় থেকে বিরত রাখার সতর্কবার্তা। আল্লাহ তাআলা এ নামে (সুরা রাদ) একটি স্বতন্ত্র সুরা নাজিল করেছেন। নবীজি (সা.) তাঁর উম্মতকে বজ্রপাত থেকে বাঁচাতে শিখিয়েছেন একটি দোয়া। উল্লেখ করেছেন একটি ছোট তাসবিহ। যা হাদিসের বর্ণনায় এভাবে ওঠে এসেছে—

দোয়া:

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন বজ্রের শব্দ শুনতেন বা বিদ্যুতের চমক দেখতেন; তখন সঙ্গে সঙ্গে বলতেন—

اَللَّهُمَّ لَا تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَ لَا تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَ عَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা লা তাক্বতুলনা বিগাদাবিকা ওয়া লা তুহলিকনা বিআজাবিকা, ওয়া আ’ফিনা ক্ববলা জালিকা।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! তোমার ক্রোধের বশবর্তী হয়ে আমাদের মেরে ফেলো না। আর তোমার আজাব দিয়ে আমাদের ধ্বংস করো না। এর আগেই আমাদের ক্ষমা ও নিরাপত্তার চাদরে আবৃত করো।’ (তিরমিজি ৩৪৫০, মিশকাত ১৫২১)

তাসবিহ:

‘মুসান্নাফে আবি শায়বা’য় বজ্রের আক্রমণে মৃত্যু থেকে বাঁচতে ছোট্ট একটি তাসবিহ পড়ার কথা বলা হয়েছে। যে ব্যক্তি এ তাসবিহ পড়বেন; তিনি বজ্রপাতের আঘাত থেকে মুক্ত থাকবেন। তাসবিহটি হলো—

سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ

উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি।’

সুতরাং আসমানি দুর্যোগ বজ্রপাতের যাবতীয় ক্ষতি ও প্রাণহানি থেকে মুক্ত থাকতে নবীজি (সা.)-এর শেখানো দোয়া ও তাসবিহটির যথাযথ আমল করা জরুরি। আল্লাহ তাআলা এতে বান্দাকে বজ্রপাতের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বজ্রপাত থেকে বাঁচার দোয়া ও তাসবিহ

আপডেট সময় ০৯:১৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বৈশাখ তথা বর্ষার সময় এলে প্রায়ই প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। সম্প্রতি সময়ে আবার ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে হয় প্রচণ্ড বজ্রপাতও। এতে প্রতি বছরই অনেক মানুষ প্রাণ হারায়। এ বজ্রপাত থেকে বাঁচতে নবীজি (সা.) এ সময় ছোট্ট একটি দোয়া পড়তেন। আবার বজ্রপাতের মৃত্যু থেকে বাঁচতে হাদিসে ছোট্ট একটি তাসবিহ পড়ার কথা বলা হয়েছে। যুগান্তরের পাঠকদের জন্য ছোট্ট এ দোয়া ও তাসবিহটি তুলে ধরা হলো—

বজ্রপাত মহান আল্লাহ তাআলার শক্তিমত্তার এক মহা নিদর্শন। বজ্রপাত হচ্ছে আসমানি দুর্যোগ। মানুষকে অন্যায় থেকে বিরত রাখার সতর্কবার্তা। আল্লাহ তাআলা এ নামে (সুরা রাদ) একটি স্বতন্ত্র সুরা নাজিল করেছেন। নবীজি (সা.) তাঁর উম্মতকে বজ্রপাত থেকে বাঁচাতে শিখিয়েছেন একটি দোয়া। উল্লেখ করেছেন একটি ছোট তাসবিহ। যা হাদিসের বর্ণনায় এভাবে ওঠে এসেছে—

দোয়া:

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন বজ্রের শব্দ শুনতেন বা বিদ্যুতের চমক দেখতেন; তখন সঙ্গে সঙ্গে বলতেন—

اَللَّهُمَّ لَا تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَ لَا تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَ عَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা লা তাক্বতুলনা বিগাদাবিকা ওয়া লা তুহলিকনা বিআজাবিকা, ওয়া আ’ফিনা ক্ববলা জালিকা।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! তোমার ক্রোধের বশবর্তী হয়ে আমাদের মেরে ফেলো না। আর তোমার আজাব দিয়ে আমাদের ধ্বংস করো না। এর আগেই আমাদের ক্ষমা ও নিরাপত্তার চাদরে আবৃত করো।’ (তিরমিজি ৩৪৫০, মিশকাত ১৫২১)

তাসবিহ:

‘মুসান্নাফে আবি শায়বা’য় বজ্রের আক্রমণে মৃত্যু থেকে বাঁচতে ছোট্ট একটি তাসবিহ পড়ার কথা বলা হয়েছে। যে ব্যক্তি এ তাসবিহ পড়বেন; তিনি বজ্রপাতের আঘাত থেকে মুক্ত থাকবেন। তাসবিহটি হলো—

سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ

উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি।’

সুতরাং আসমানি দুর্যোগ বজ্রপাতের যাবতীয় ক্ষতি ও প্রাণহানি থেকে মুক্ত থাকতে নবীজি (সা.)-এর শেখানো দোয়া ও তাসবিহটির যথাযথ আমল করা জরুরি। আল্লাহ তাআলা এতে বান্দাকে বজ্রপাতের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করবেন।