ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে বিএনপি: হাসনাত আবদুল্লাহ দাবানলে ঝুঁকিতে ফ্রান্সের মিসাইল-রকেট মোটর কারখানা, স্পেনও সংকটে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প প্রাইম মিনিস্টার্স কাপ শুরু আগামী মাসে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু-সহিষ্ণুতা একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে উন্নয়নের গতি বাড়বে: পরিবেশমন্ত্রী শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ভারত সীমান্তে চীনের রণহুংকার, পাল্টা জবাবে এক দশক পিছিয়ে দিল্লি গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হতে লাগবে আরও ১০–১৫ দিন: জ্বালানিমন্ত্রী

পোশাক খুললেই বাজবে অ্যালার্ম, ধর্ষণ রুখতে ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারের আবিষ্কার

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

আমাদের দেশে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে প্রায় প্রত্যেকদিন। কখনও সেই ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয়, কখনও হয় না। এই নিকৃষ্টতম অপরাধের অপরাধীদের শাস্তি দিয়েও এমন ঘটনা থামানো যায়নি। তাই ধর্ষণ রোধে এবার এক অভিনব উদ্যোগ নিলেন এক ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার মনীষা মোহন। বর্তমানে ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজিতে গবেষণা করছেন মনীষা। সেখানেই তিনি এক বিশেষ ধরনের সেন্সর তৈরি করেছেন, যা ধর্ষণ কিংবা শ্লীলতাহানির মত ঘটনা রুখতে পারবে।

অনেক সময়েই আক্রমণের শিকার হলে কোনও মহিলা পরিচিতদের ফোন করার মত পরিস্থিতিতে থাকেন না। অথবা আক্রমণকারীকে প্রত্যাঘাত করার মত অবস্থায় থাকেন না। কিন্তু অজ্ঞান অবস্থাতে আক্রমণ করলেও এই সেন্সর কাজ করবে এবং অন্যদের কাছে খবর পৌঁছে দেবে। এই সেন্সর পোশাকের সঙ্গেই লাগানো থাকবে। দুটি মোডে কাজ করতে পারবে এই সেন্সর। একটি হল প্যাসিভ মোড, যেখানে, নির্যাতিতা নিজেই একটি বাটন প্রেস করলে পরিচিতদের কাছে ফোন চলে যাবে। আর একটি হল অ্যাকটিভ মোড। যাতে, ওই সেন্সর নিজেই সিগন্যাল খুঁজে নেবে।

উদাহরণস্বরূপ মনীষা জানিয়েছেন, যদি কোনও মহিলার পোশাক খোলা হয়, তাহলে মেসেজ যাবে আত্মীয় কিংবা বন্ধুদের কাছে। ওই ঘটনায় মহিলার অনুমতি রয়েছে কিনা তা জিজ্ঞাসা করার অপশন রয়েছে। কিন্তু ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে রিপ্লাই না এলেই জোরে অ্যালার্ম বাজতে শুরু করবে। যদি নির্যাতিতা নিজে একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে অ্যালার্ম না থামান, তাহলে সেটি থামবে না। বন্ধুদের কাছে নির্যাতিতার অবস্থানও পৌঁছে যাবে, গুগল ম্যাপের সাহায্যে তাঁকে খুঁজে নেওয়া যাবে।

চেন্নাই ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেছেন মনীষা। সেইসময় তাঁদের সন্ধে সাড়ে ৬টার পর ক্যাম্পাসে থাকতে দেওয়া হত না। তাই তিনি মনে করেন, ঘরের মধ্যে মেয়েদের বন্ধ করে না রেখে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো উচিৎ। এই সেন্সরের মাধ্যমে প্রতিবন্ধীরাই সুরক্ষিত থাকবেন বলে মনে করেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

পোশাক খুললেই বাজবে অ্যালার্ম, ধর্ষণ রুখতে ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারের আবিষ্কার

আপডেট সময় ১১:০০:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

আমাদের দেশে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে প্রায় প্রত্যেকদিন। কখনও সেই ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয়, কখনও হয় না। এই নিকৃষ্টতম অপরাধের অপরাধীদের শাস্তি দিয়েও এমন ঘটনা থামানো যায়নি। তাই ধর্ষণ রোধে এবার এক অভিনব উদ্যোগ নিলেন এক ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার মনীষা মোহন। বর্তমানে ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজিতে গবেষণা করছেন মনীষা। সেখানেই তিনি এক বিশেষ ধরনের সেন্সর তৈরি করেছেন, যা ধর্ষণ কিংবা শ্লীলতাহানির মত ঘটনা রুখতে পারবে।

অনেক সময়েই আক্রমণের শিকার হলে কোনও মহিলা পরিচিতদের ফোন করার মত পরিস্থিতিতে থাকেন না। অথবা আক্রমণকারীকে প্রত্যাঘাত করার মত অবস্থায় থাকেন না। কিন্তু অজ্ঞান অবস্থাতে আক্রমণ করলেও এই সেন্সর কাজ করবে এবং অন্যদের কাছে খবর পৌঁছে দেবে। এই সেন্সর পোশাকের সঙ্গেই লাগানো থাকবে। দুটি মোডে কাজ করতে পারবে এই সেন্সর। একটি হল প্যাসিভ মোড, যেখানে, নির্যাতিতা নিজেই একটি বাটন প্রেস করলে পরিচিতদের কাছে ফোন চলে যাবে। আর একটি হল অ্যাকটিভ মোড। যাতে, ওই সেন্সর নিজেই সিগন্যাল খুঁজে নেবে।

উদাহরণস্বরূপ মনীষা জানিয়েছেন, যদি কোনও মহিলার পোশাক খোলা হয়, তাহলে মেসেজ যাবে আত্মীয় কিংবা বন্ধুদের কাছে। ওই ঘটনায় মহিলার অনুমতি রয়েছে কিনা তা জিজ্ঞাসা করার অপশন রয়েছে। কিন্তু ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে রিপ্লাই না এলেই জোরে অ্যালার্ম বাজতে শুরু করবে। যদি নির্যাতিতা নিজে একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে অ্যালার্ম না থামান, তাহলে সেটি থামবে না। বন্ধুদের কাছে নির্যাতিতার অবস্থানও পৌঁছে যাবে, গুগল ম্যাপের সাহায্যে তাঁকে খুঁজে নেওয়া যাবে।

চেন্নাই ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেছেন মনীষা। সেইসময় তাঁদের সন্ধে সাড়ে ৬টার পর ক্যাম্পাসে থাকতে দেওয়া হত না। তাই তিনি মনে করেন, ঘরের মধ্যে মেয়েদের বন্ধ করে না রেখে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো উচিৎ। এই সেন্সরের মাধ্যমে প্রতিবন্ধীরাই সুরক্ষিত থাকবেন বলে মনে করেন তিনি।