ঢাকা ০৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পোশাক খুললেই বাজবে অ্যালার্ম, ধর্ষণ রুখতে ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারের আবিষ্কার

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

আমাদের দেশে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে প্রায় প্রত্যেকদিন। কখনও সেই ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয়, কখনও হয় না। এই নিকৃষ্টতম অপরাধের অপরাধীদের শাস্তি দিয়েও এমন ঘটনা থামানো যায়নি। তাই ধর্ষণ রোধে এবার এক অভিনব উদ্যোগ নিলেন এক ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার মনীষা মোহন। বর্তমানে ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজিতে গবেষণা করছেন মনীষা। সেখানেই তিনি এক বিশেষ ধরনের সেন্সর তৈরি করেছেন, যা ধর্ষণ কিংবা শ্লীলতাহানির মত ঘটনা রুখতে পারবে।

অনেক সময়েই আক্রমণের শিকার হলে কোনও মহিলা পরিচিতদের ফোন করার মত পরিস্থিতিতে থাকেন না। অথবা আক্রমণকারীকে প্রত্যাঘাত করার মত অবস্থায় থাকেন না। কিন্তু অজ্ঞান অবস্থাতে আক্রমণ করলেও এই সেন্সর কাজ করবে এবং অন্যদের কাছে খবর পৌঁছে দেবে। এই সেন্সর পোশাকের সঙ্গেই লাগানো থাকবে। দুটি মোডে কাজ করতে পারবে এই সেন্সর। একটি হল প্যাসিভ মোড, যেখানে, নির্যাতিতা নিজেই একটি বাটন প্রেস করলে পরিচিতদের কাছে ফোন চলে যাবে। আর একটি হল অ্যাকটিভ মোড। যাতে, ওই সেন্সর নিজেই সিগন্যাল খুঁজে নেবে।

উদাহরণস্বরূপ মনীষা জানিয়েছেন, যদি কোনও মহিলার পোশাক খোলা হয়, তাহলে মেসেজ যাবে আত্মীয় কিংবা বন্ধুদের কাছে। ওই ঘটনায় মহিলার অনুমতি রয়েছে কিনা তা জিজ্ঞাসা করার অপশন রয়েছে। কিন্তু ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে রিপ্লাই না এলেই জোরে অ্যালার্ম বাজতে শুরু করবে। যদি নির্যাতিতা নিজে একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে অ্যালার্ম না থামান, তাহলে সেটি থামবে না। বন্ধুদের কাছে নির্যাতিতার অবস্থানও পৌঁছে যাবে, গুগল ম্যাপের সাহায্যে তাঁকে খুঁজে নেওয়া যাবে।

চেন্নাই ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেছেন মনীষা। সেইসময় তাঁদের সন্ধে সাড়ে ৬টার পর ক্যাম্পাসে থাকতে দেওয়া হত না। তাই তিনি মনে করেন, ঘরের মধ্যে মেয়েদের বন্ধ করে না রেখে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো উচিৎ। এই সেন্সরের মাধ্যমে প্রতিবন্ধীরাই সুরক্ষিত থাকবেন বলে মনে করেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

পোশাক খুললেই বাজবে অ্যালার্ম, ধর্ষণ রুখতে ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারের আবিষ্কার

আপডেট সময় ১১:০০:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

আমাদের দেশে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে প্রায় প্রত্যেকদিন। কখনও সেই ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয়, কখনও হয় না। এই নিকৃষ্টতম অপরাধের অপরাধীদের শাস্তি দিয়েও এমন ঘটনা থামানো যায়নি। তাই ধর্ষণ রোধে এবার এক অভিনব উদ্যোগ নিলেন এক ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার মনীষা মোহন। বর্তমানে ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজিতে গবেষণা করছেন মনীষা। সেখানেই তিনি এক বিশেষ ধরনের সেন্সর তৈরি করেছেন, যা ধর্ষণ কিংবা শ্লীলতাহানির মত ঘটনা রুখতে পারবে।

অনেক সময়েই আক্রমণের শিকার হলে কোনও মহিলা পরিচিতদের ফোন করার মত পরিস্থিতিতে থাকেন না। অথবা আক্রমণকারীকে প্রত্যাঘাত করার মত অবস্থায় থাকেন না। কিন্তু অজ্ঞান অবস্থাতে আক্রমণ করলেও এই সেন্সর কাজ করবে এবং অন্যদের কাছে খবর পৌঁছে দেবে। এই সেন্সর পোশাকের সঙ্গেই লাগানো থাকবে। দুটি মোডে কাজ করতে পারবে এই সেন্সর। একটি হল প্যাসিভ মোড, যেখানে, নির্যাতিতা নিজেই একটি বাটন প্রেস করলে পরিচিতদের কাছে ফোন চলে যাবে। আর একটি হল অ্যাকটিভ মোড। যাতে, ওই সেন্সর নিজেই সিগন্যাল খুঁজে নেবে।

উদাহরণস্বরূপ মনীষা জানিয়েছেন, যদি কোনও মহিলার পোশাক খোলা হয়, তাহলে মেসেজ যাবে আত্মীয় কিংবা বন্ধুদের কাছে। ওই ঘটনায় মহিলার অনুমতি রয়েছে কিনা তা জিজ্ঞাসা করার অপশন রয়েছে। কিন্তু ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে রিপ্লাই না এলেই জোরে অ্যালার্ম বাজতে শুরু করবে। যদি নির্যাতিতা নিজে একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে অ্যালার্ম না থামান, তাহলে সেটি থামবে না। বন্ধুদের কাছে নির্যাতিতার অবস্থানও পৌঁছে যাবে, গুগল ম্যাপের সাহায্যে তাঁকে খুঁজে নেওয়া যাবে।

চেন্নাই ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেছেন মনীষা। সেইসময় তাঁদের সন্ধে সাড়ে ৬টার পর ক্যাম্পাসে থাকতে দেওয়া হত না। তাই তিনি মনে করেন, ঘরের মধ্যে মেয়েদের বন্ধ করে না রেখে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো উচিৎ। এই সেন্সরের মাধ্যমে প্রতিবন্ধীরাই সুরক্ষিত থাকবেন বলে মনে করেন তিনি।