আকাশ বিনোদন ডেস্ক :
আজ সকাল থেকেই শুরু হয়েছে আজ সকাল থেকে শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সাধারণ মানুষের মতো সাংস্কৃতিক অঙ্গনের তারকারাও ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার পালাবদল নিয়ে মেতে আছেন। যাদের অনেকে এবারই প্রথম ভোট দিতে চলেছেন। এবারই প্রথম ভোট দিয়েছেন সংগীতশিল্পী-অভিনেত্রী পারশা মাহজাবিন।
পারশা মাহজাবীন বলেন, ‘রাজনৈতিক মতাদর্শ ভিন্ন হলেও দেশের কল্যাণে সবাইকে নিয়ে একযোগে কাজ করবেন–এমন একজন প্রতিনিধি নির্বাচনে প্রথম ভোট দিতে চাই। কারণ আমি বিশ্বাস করি, ভোট দেওয়ার মধ্য দিয়ে আমরা কেবল সরকার নির্বাচন করি না; বরং একটি সমাজের মূল্যবোধ নির্ধারণ করি।’
তিনি বলেন, ‘আমি বগুড়া সদর আসনের ভোটার। তবে ভোটার কোন এলাকার এটা বড় বিষয় নয়। বরং যাঁকে প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করতে চাই, তাঁর কাছে চাওয়া–তিনি যেন জনগণের কল্যাণে নিবেদিত থাকেন। দেশের আইনশৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় ভূমিকা রাখেন।’
ভোট দেওয়ার জন্য ঢাকা থেকে দীর্ঘ ১৬ ঘণ্টার যানজট অতিক্রম করে বগুড়া পৌঁছান বলে জানান তিনি। ভোট প্রদানের পর আজকের দিনটি তার নাগরিক জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন এই গায়িকা।
পারশা মাহজাবিন ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আজ আমার নাগরিক জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অতিক্রান্ত হয়েছে। এটি শুধু একটি ভোট প্রদান নয়, বরং একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমার দায়িত্ব পালনের সূচনা। আমি প্রায় ১৬ ঘণ্টার দীর্ঘ যানজট অতিক্রম করে বগুড়ায় এসেছি শুধু আমার ভোট প্রদান করার উদ্দেশ্যে। কারণ আমি বিশ্বাস করি, ভোটদান কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি গণতান্ত্রিক কাঠামোর প্রতি নাগরিকের প্রত্যক্ষ অঙ্গীকার। ব্যক্তিগত অসুবিধা বা দূরত্ব এই দায়িত্ব পালনের পথে আমার জন্য প্রতিবন্ধক হতে পারে না।’
ভোটকেন্দ্রে শাড়ি পরে গিয়েছেন উল্লেখ করে পারশা লিখেছেন, ‘শাড়ি পরে সেজেগুজেই ভোটকেন্দ্রে গিয়েছিলাম। কারণ, আমার কাছে আজকের দিনটি একটি মর্যাদাপূর্ণ গণতান্ত্রিক উৎসব। রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত-প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের এই মুহূর্তকে আমি যথাযথ সম্মান জানাতে চেয়েছি। সেখানে দাঁড়িয়ে উপলব্ধি করেছি, আমাদের প্রত্যেকের একক ভোটই সম্মিলিতভাবে জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। আমি মনে করি, ভোট কেবল ক্ষমতা পরিবর্তনের উপায় নয়, এটি একটি জাতির নৈতিক মানচিত্র নির্ধারণের প্রক্রিয়া। আমরা যে প্রতিনিধিকে নির্বাচন করি, তার মধ্য দিয়েই আমাদের সামাজিক চেতনার প্রতিফলন ঘটে।’
নির্বাচিত সরকারের কাছে প্রশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘সাংস্কৃতিককর্মী হিসেবে এও চাই, শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে স্বাধীনভাবে যেন সবাই কাজ করার সুযোগ পান, ধর্মীয় বিশ্বাস ও রীতিনীতি পালনে সবার সমান অধিকার যেন বজায় রাখেন; যাতে করে সব ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে জীবনযাপন করতে পারেন।’
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















