ঢাকা ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

সব হাসপাতালকে জরুরি নির্দেশনা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালকে ১০টি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নির্বাচন চলকালে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম চালু রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সতর্কতা ও প্রস্তুতি বজায় রাখতে হবে। (২৬ জানুয়ারি)  অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান এ নির্দেশনা জারি করেন।

নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্বাচনকালীন সময়ে প্রতিটি সিটি করপোরেশনে ৬টি, বিভাগীয় পর্যায়ে ৪টি, জেলা পর্যায়ে ৩টি, উপজেলা পর্যায়ে ২টি এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ১টি করে মেডিক্যাল টিম গঠন করতে হবে। জনবলের প্রাপ্যতা ও প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে মেডিক্যাল টিমের সদস্য নির্ধারণ করবেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান বা স্বাস্থ্য প্রশাসক।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জরুরি বিভাগে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত জনবল নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুল্যান্স প্রস্তুত রাখতে হবে।

প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোনো কারণে প্রতিষ্ঠান প্রধান ছুটিতে থাকলে যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব প্রদান করে তার নাম, পদবি ও মোবাইল নম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করতে হবে।

বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর প্রতিও বিশেষ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকালীন সময়ে চিকিৎসকের সার্বক্ষণিক উপস্থিতিতে জরুরি বিভাগ চালু রাখতে হবে।

কোনো রোগী রেফার্ড করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা ও যথাযথ কাউন্সেলিং নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

এছাড়া জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে স্থানীয় সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জরুরি বিভাগ, অন্তঃবিভাগ, ল্যাব, ক্যাথল্যাব, ডায়ালাইসিস সেন্টার, সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সেন্টার নিয়মিতভাবে খোলা রাখতে হবে।

এ ছাড়া বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয় ও সিভিল সার্জন অফিসে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সব হাসপাতালকে জরুরি নির্দেশনা

আপডেট সময় ০৪:৫০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালকে ১০টি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নির্বাচন চলকালে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম চালু রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সতর্কতা ও প্রস্তুতি বজায় রাখতে হবে। (২৬ জানুয়ারি)  অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান এ নির্দেশনা জারি করেন।

নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্বাচনকালীন সময়ে প্রতিটি সিটি করপোরেশনে ৬টি, বিভাগীয় পর্যায়ে ৪টি, জেলা পর্যায়ে ৩টি, উপজেলা পর্যায়ে ২টি এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ১টি করে মেডিক্যাল টিম গঠন করতে হবে। জনবলের প্রাপ্যতা ও প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে মেডিক্যাল টিমের সদস্য নির্ধারণ করবেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান বা স্বাস্থ্য প্রশাসক।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জরুরি বিভাগে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত জনবল নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুল্যান্স প্রস্তুত রাখতে হবে।

প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোনো কারণে প্রতিষ্ঠান প্রধান ছুটিতে থাকলে যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব প্রদান করে তার নাম, পদবি ও মোবাইল নম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করতে হবে।

বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর প্রতিও বিশেষ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকালীন সময়ে চিকিৎসকের সার্বক্ষণিক উপস্থিতিতে জরুরি বিভাগ চালু রাখতে হবে।

কোনো রোগী রেফার্ড করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা ও যথাযথ কাউন্সেলিং নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

এছাড়া জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে স্থানীয় সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জরুরি বিভাগ, অন্তঃবিভাগ, ল্যাব, ক্যাথল্যাব, ডায়ালাইসিস সেন্টার, সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সেন্টার নিয়মিতভাবে খোলা রাখতে হবে।

এ ছাড়া বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয় ও সিভিল সার্জন অফিসে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।