ঢাকা ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

বিগত গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুম ও খুনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের আর্তনাদ শুনে কেঁদেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

স্বজনরা তুলে ধরেছেন গুমের শিকার হওয়া তাদের সেই প্রিয়জনদের ফিরে পাওয়ার আকুতি। কেউ জানাচ্ছিলেন স্বামীকে হারিয়ে কী দুঃসহ জীবন কাটছে তাদের। কোনো কোনো ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য তারেক রহমানকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিগত সরকারের আমলে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় কাঁদেন তিনি।

‘মায়ের ডাক’ ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’র যৌথ আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।

আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে গুম হওয়া এক বাবার কন্যা শাফা বলে, আমার বাবাকে যখন গুম করা হয়, তখন আবার বয়স ছিল দুই মাস, এখন আমার বয়স ১৩ বছর। বাবার মুখটা আমি দেখতে পাইনি। বাবার ছবিটা ধরে অনেক জায়গায় গিয়েছি, খোঁজ পাইনি। বাবার সঙ্গে আমার কোনো স্মৃতি নেই। আমরা আমার বাবাকে ফেরত চাই— এই কথাটা অনেকবার বলেছি কিন্তু ফেরত পাইনি।

গুম হওয়া ব্যক্তি পারভেজের ছেলে রাতুল এসে বলেন, আমার বাবার সঙ্গে বাবার চাচাকে একসঙ্গে র‍্যাব তুলে নিয়ে যায়। আজ ১২ বছর পার হয়ে ১৩ বছরে পড়ল, আজ পর্যন্ত আমরা কোনো সন্ধান পাইনি। ১৩ বছর ধরে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াই।

গুমের শিকার পরিবারের এই সদস্যদের বক্তব্যের এসব কান্নাজড়িত আকুতি শুনে একপর্যায়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান মঞ্চে বসে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে থাকেন।

এসব ভুক্তভোগীরা বিগত সরকারের আমলে গুমের শিকার তাদের পরিবারের সদস্যদের ফিরে পাওয়ার আকুতি জানান, পাশাপাশি সরকারের কাছে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান তারা। এ সময় তাদের সকলেরই আকাঙ্ক্ষা ছিল একবার তারেক রহমানকে কাছ থেকে দেখে তাদের কষ্টের কথাগুলো ব্যক্তিগতভাবে জানানো। কাউকে কাউকে মঞ্চে বসা তারেক রহমানের কাছে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি তাদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কিছু সময় কথা বলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিরপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মধ্যরাতে হামলা, গুঁড়িয়ে দেয়া হলো ভবন

গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান

আপডেট সময় ০৭:৩৭:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

বিগত গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুম ও খুনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের আর্তনাদ শুনে কেঁদেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

স্বজনরা তুলে ধরেছেন গুমের শিকার হওয়া তাদের সেই প্রিয়জনদের ফিরে পাওয়ার আকুতি। কেউ জানাচ্ছিলেন স্বামীকে হারিয়ে কী দুঃসহ জীবন কাটছে তাদের। কোনো কোনো ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য তারেক রহমানকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিগত সরকারের আমলে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় কাঁদেন তিনি।

‘মায়ের ডাক’ ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’র যৌথ আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।

আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে গুম হওয়া এক বাবার কন্যা শাফা বলে, আমার বাবাকে যখন গুম করা হয়, তখন আবার বয়স ছিল দুই মাস, এখন আমার বয়স ১৩ বছর। বাবার মুখটা আমি দেখতে পাইনি। বাবার ছবিটা ধরে অনেক জায়গায় গিয়েছি, খোঁজ পাইনি। বাবার সঙ্গে আমার কোনো স্মৃতি নেই। আমরা আমার বাবাকে ফেরত চাই— এই কথাটা অনেকবার বলেছি কিন্তু ফেরত পাইনি।

গুম হওয়া ব্যক্তি পারভেজের ছেলে রাতুল এসে বলেন, আমার বাবার সঙ্গে বাবার চাচাকে একসঙ্গে র‍্যাব তুলে নিয়ে যায়। আজ ১২ বছর পার হয়ে ১৩ বছরে পড়ল, আজ পর্যন্ত আমরা কোনো সন্ধান পাইনি। ১৩ বছর ধরে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াই।

গুমের শিকার পরিবারের এই সদস্যদের বক্তব্যের এসব কান্নাজড়িত আকুতি শুনে একপর্যায়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান মঞ্চে বসে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে থাকেন।

এসব ভুক্তভোগীরা বিগত সরকারের আমলে গুমের শিকার তাদের পরিবারের সদস্যদের ফিরে পাওয়ার আকুতি জানান, পাশাপাশি সরকারের কাছে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান তারা। এ সময় তাদের সকলেরই আকাঙ্ক্ষা ছিল একবার তারেক রহমানকে কাছ থেকে দেখে তাদের কষ্টের কথাগুলো ব্যক্তিগতভাবে জানানো। কাউকে কাউকে মঞ্চে বসা তারেক রহমানের কাছে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি তাদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কিছু সময় কথা বলেন।