ঢাকা ০৮:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঈশ্বরদীতে,জীবন যাপনে চরম দুর্ভোগ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে পাবনার মানুষ। পদ্মা-যমুনা নদী তীরবর্তী পাবনা অঞ্চলে শীতের তীব্রতা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। ঘন কুয়াশা, কখনো কুয়াশা বৃষ্টি এবং হিমেল হাওয়ায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) পাবনার ঈশ্বরদীতে দেশের সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

ঈশ্বরদী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়া পর্বেক্ষক নাজমুল হোসেন জানান, গত দু’সপ্তাহ ধরে তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি থেকে ৯ বা ১০ ডিগ্রিতে ওঠানামা করছিল। ৩১ ডিসেম্বর থেকে তাপমাত্রার পারদ আরো নিচে নামতে থাকে। সোমবার সকালে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি।

নাজমুল হোসেন আরও জানান, আজ এটি দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ২ জানুয়ারি তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি। এমতাবস্থায় এই হাড় কাঁপানো শীতে পদ্মা-যমুনা নদীর চরাঞ্চলের ২ লক্ষাধিক মানুষসহ অন্তত ৭ লক্ষাধিক মানুষ কষ্ট পাচ্ছেন। দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। শীতে কাজ করতে না পারায় মানবেতর দিন যাপন করছেন তারা। শীতের কবল থেকে বাঁচতে অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে চেষ্টা করছেন শীত নিবারণের জন্য। এছাড়াও প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে দিনের বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে।

জানা যায়, শীতজনিত ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াসহ নানা রোগে শিশু এবং বয়:বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে। গত দুদিনে পাবনা জেনারেল হাপাতালসহ জেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ৩ শতাধিক শিশু ও বয়স্ক মানুষ ভর্তি হয়।

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. জাহিদুল ইসলাম জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ১৫০ জন শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, জেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সগুলোতে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত মানুষের চাপ

বেড়েছে। এদিকে স্বল্প ও নিম্ন আয়ের মানুষ গরম কাপড় কিনতে শহরের পুরাতন কাপড়ের দোকানে ভিড় করছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঈশ্বরদীতে,জীবন যাপনে চরম দুর্ভোগ

আপডেট সময় ০৬:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে পাবনার মানুষ। পদ্মা-যমুনা নদী তীরবর্তী পাবনা অঞ্চলে শীতের তীব্রতা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। ঘন কুয়াশা, কখনো কুয়াশা বৃষ্টি এবং হিমেল হাওয়ায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) পাবনার ঈশ্বরদীতে দেশের সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

ঈশ্বরদী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়া পর্বেক্ষক নাজমুল হোসেন জানান, গত দু’সপ্তাহ ধরে তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি থেকে ৯ বা ১০ ডিগ্রিতে ওঠানামা করছিল। ৩১ ডিসেম্বর থেকে তাপমাত্রার পারদ আরো নিচে নামতে থাকে। সোমবার সকালে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি।

নাজমুল হোসেন আরও জানান, আজ এটি দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ২ জানুয়ারি তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি। এমতাবস্থায় এই হাড় কাঁপানো শীতে পদ্মা-যমুনা নদীর চরাঞ্চলের ২ লক্ষাধিক মানুষসহ অন্তত ৭ লক্ষাধিক মানুষ কষ্ট পাচ্ছেন। দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। শীতে কাজ করতে না পারায় মানবেতর দিন যাপন করছেন তারা। শীতের কবল থেকে বাঁচতে অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে চেষ্টা করছেন শীত নিবারণের জন্য। এছাড়াও প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে দিনের বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে।

জানা যায়, শীতজনিত ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াসহ নানা রোগে শিশু এবং বয়:বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে। গত দুদিনে পাবনা জেনারেল হাপাতালসহ জেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ৩ শতাধিক শিশু ও বয়স্ক মানুষ ভর্তি হয়।

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. জাহিদুল ইসলাম জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ১৫০ জন শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, জেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সগুলোতে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত মানুষের চাপ

বেড়েছে। এদিকে স্বল্প ও নিম্ন আয়ের মানুষ গরম কাপড় কিনতে শহরের পুরাতন কাপড়ের দোকানে ভিড় করছেন।