ঢাকা ১০:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঈশ্বরদীতে,জীবন যাপনে চরম দুর্ভোগ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে পাবনার মানুষ। পদ্মা-যমুনা নদী তীরবর্তী পাবনা অঞ্চলে শীতের তীব্রতা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। ঘন কুয়াশা, কখনো কুয়াশা বৃষ্টি এবং হিমেল হাওয়ায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) পাবনার ঈশ্বরদীতে দেশের সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

ঈশ্বরদী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়া পর্বেক্ষক নাজমুল হোসেন জানান, গত দু’সপ্তাহ ধরে তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি থেকে ৯ বা ১০ ডিগ্রিতে ওঠানামা করছিল। ৩১ ডিসেম্বর থেকে তাপমাত্রার পারদ আরো নিচে নামতে থাকে। সোমবার সকালে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি।

নাজমুল হোসেন আরও জানান, আজ এটি দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ২ জানুয়ারি তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি। এমতাবস্থায় এই হাড় কাঁপানো শীতে পদ্মা-যমুনা নদীর চরাঞ্চলের ২ লক্ষাধিক মানুষসহ অন্তত ৭ লক্ষাধিক মানুষ কষ্ট পাচ্ছেন। দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। শীতে কাজ করতে না পারায় মানবেতর দিন যাপন করছেন তারা। শীতের কবল থেকে বাঁচতে অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে চেষ্টা করছেন শীত নিবারণের জন্য। এছাড়াও প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে দিনের বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে।

জানা যায়, শীতজনিত ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াসহ নানা রোগে শিশু এবং বয়:বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে। গত দুদিনে পাবনা জেনারেল হাপাতালসহ জেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ৩ শতাধিক শিশু ও বয়স্ক মানুষ ভর্তি হয়।

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. জাহিদুল ইসলাম জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ১৫০ জন শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, জেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সগুলোতে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত মানুষের চাপ

বেড়েছে। এদিকে স্বল্প ও নিম্ন আয়ের মানুষ গরম কাপড় কিনতে শহরের পুরাতন কাপড়ের দোকানে ভিড় করছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঈশ্বরদীতে,জীবন যাপনে চরম দুর্ভোগ

আপডেট সময় ০৬:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে পাবনার মানুষ। পদ্মা-যমুনা নদী তীরবর্তী পাবনা অঞ্চলে শীতের তীব্রতা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। ঘন কুয়াশা, কখনো কুয়াশা বৃষ্টি এবং হিমেল হাওয়ায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) পাবনার ঈশ্বরদীতে দেশের সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

ঈশ্বরদী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়া পর্বেক্ষক নাজমুল হোসেন জানান, গত দু’সপ্তাহ ধরে তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি থেকে ৯ বা ১০ ডিগ্রিতে ওঠানামা করছিল। ৩১ ডিসেম্বর থেকে তাপমাত্রার পারদ আরো নিচে নামতে থাকে। সোমবার সকালে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি।

নাজমুল হোসেন আরও জানান, আজ এটি দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ২ জানুয়ারি তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি। এমতাবস্থায় এই হাড় কাঁপানো শীতে পদ্মা-যমুনা নদীর চরাঞ্চলের ২ লক্ষাধিক মানুষসহ অন্তত ৭ লক্ষাধিক মানুষ কষ্ট পাচ্ছেন। দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। শীতে কাজ করতে না পারায় মানবেতর দিন যাপন করছেন তারা। শীতের কবল থেকে বাঁচতে অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে চেষ্টা করছেন শীত নিবারণের জন্য। এছাড়াও প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে দিনের বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে।

জানা যায়, শীতজনিত ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াসহ নানা রোগে শিশু এবং বয়:বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে। গত দুদিনে পাবনা জেনারেল হাপাতালসহ জেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ৩ শতাধিক শিশু ও বয়স্ক মানুষ ভর্তি হয়।

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. জাহিদুল ইসলাম জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ১৫০ জন শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, জেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সগুলোতে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত মানুষের চাপ

বেড়েছে। এদিকে স্বল্প ও নিম্ন আয়ের মানুষ গরম কাপড় কিনতে শহরের পুরাতন কাপড়ের দোকানে ভিড় করছেন।