ঢাকা ০৭:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

গলায় ছুরি ধরে মেয়ের সামনে মাকে ধর্ষণ,লুট করা হয়েছে টাকা-স্বর্ণালংকার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে ঘর থেকে তুলে নিয়ে ৮ বছর বয়সী কন্যা শিশুর গলায় ছুরি ধরে মেয়ের সামনে মাকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সন্ধ্যায় বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় অভিযুক্ত আকরাম মিয়া নামে এক ব্যক্তিসহ ৩ জনের নামে ধর্ষণের অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী। অভিযোগ আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ধর্ষণ শেষে ধর্ষক ও তার ৩ সহযোগী ঘরে থাকা নগদ ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ৪ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।

ধর্ষিতা গৃহবধূ থানায় জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। লোকলজ্জার ভয় ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ায় মামলা করতে বিলম্ব হয় বলে জানান তিনি।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোর্শেদুল আলম চৌধুরী বলেন, আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। আসামিরা হলেন পাইকারচর গ্রামের আউয়াল মিয়ার ছেলে আকরাম মিয়া (২৮), একই গ্রামের জসীম মিয়া (২৩) এবং সাইদুল ইসলামসহ অজ্ঞাত নামা আরও কয়েকজন। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর স্বামী সৌদি প্রবাসী। আসামি আকরাম ওই গৃহবধূর স্বামীর আত্মীয় হলেও এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত। আগে থেকেই গৃহবধূর প্রতি কুদৃষ্টি ছিল বলে অভিযোগ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গুরুতর আহত ৮ বছরের মেয়ে তার নিকটআত্মীয়দের সাথে লুডু খেলছিল। দরজা খোলা পেয়ে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দল বেঁধে ঘরে ঢুকে প্রথমে টাকা, মোবাইল ও স্বর্ণালংকার লুট করে। বাঁধা দিলে আসামিরা একজনের হাতে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পূর্বপরিচিত ও মূল অভিযুক্ত আকরাম মিয়া ওই গৃহবধূ ও তার শিশু কন্যাকে বাড়ির পাশে জমিতে নিয়ে গিয়ে মেয়ের গলায় রামদা ঠেকিয়ে তার সামনেই মাকে ধর্ষণ করে। তখন অন্য সহযোগীরা ঘর ফাঁকা পেয়ে লুটপাট করতে থাকে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নুর মোহাম্মদ মুঠোফোনে বলেন, আমরা অভিযানে আছি। আসামিদের কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না। তবে এই মুহূর্তে তারা এলাকায় নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

গলায় ছুরি ধরে মেয়ের সামনে মাকে ধর্ষণ,লুট করা হয়েছে টাকা-স্বর্ণালংকার

আপডেট সময় ০৯:১৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে ঘর থেকে তুলে নিয়ে ৮ বছর বয়সী কন্যা শিশুর গলায় ছুরি ধরে মেয়ের সামনে মাকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সন্ধ্যায় বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় অভিযুক্ত আকরাম মিয়া নামে এক ব্যক্তিসহ ৩ জনের নামে ধর্ষণের অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী। অভিযোগ আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ধর্ষণ শেষে ধর্ষক ও তার ৩ সহযোগী ঘরে থাকা নগদ ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ৪ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।

ধর্ষিতা গৃহবধূ থানায় জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। লোকলজ্জার ভয় ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ায় মামলা করতে বিলম্ব হয় বলে জানান তিনি।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোর্শেদুল আলম চৌধুরী বলেন, আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। আসামিরা হলেন পাইকারচর গ্রামের আউয়াল মিয়ার ছেলে আকরাম মিয়া (২৮), একই গ্রামের জসীম মিয়া (২৩) এবং সাইদুল ইসলামসহ অজ্ঞাত নামা আরও কয়েকজন। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর স্বামী সৌদি প্রবাসী। আসামি আকরাম ওই গৃহবধূর স্বামীর আত্মীয় হলেও এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত। আগে থেকেই গৃহবধূর প্রতি কুদৃষ্টি ছিল বলে অভিযোগ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গুরুতর আহত ৮ বছরের মেয়ে তার নিকটআত্মীয়দের সাথে লুডু খেলছিল। দরজা খোলা পেয়ে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দল বেঁধে ঘরে ঢুকে প্রথমে টাকা, মোবাইল ও স্বর্ণালংকার লুট করে। বাঁধা দিলে আসামিরা একজনের হাতে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পূর্বপরিচিত ও মূল অভিযুক্ত আকরাম মিয়া ওই গৃহবধূ ও তার শিশু কন্যাকে বাড়ির পাশে জমিতে নিয়ে গিয়ে মেয়ের গলায় রামদা ঠেকিয়ে তার সামনেই মাকে ধর্ষণ করে। তখন অন্য সহযোগীরা ঘর ফাঁকা পেয়ে লুটপাট করতে থাকে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নুর মোহাম্মদ মুঠোফোনে বলেন, আমরা অভিযানে আছি। আসামিদের কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না। তবে এই মুহূর্তে তারা এলাকায় নেই।