ঢাকা ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গলায় ছুরি ধরে মেয়ের সামনে মাকে ধর্ষণ,লুট করা হয়েছে টাকা-স্বর্ণালংকার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে ঘর থেকে তুলে নিয়ে ৮ বছর বয়সী কন্যা শিশুর গলায় ছুরি ধরে মেয়ের সামনে মাকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সন্ধ্যায় বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় অভিযুক্ত আকরাম মিয়া নামে এক ব্যক্তিসহ ৩ জনের নামে ধর্ষণের অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী। অভিযোগ আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ধর্ষণ শেষে ধর্ষক ও তার ৩ সহযোগী ঘরে থাকা নগদ ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ৪ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।

ধর্ষিতা গৃহবধূ থানায় জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। লোকলজ্জার ভয় ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ায় মামলা করতে বিলম্ব হয় বলে জানান তিনি।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোর্শেদুল আলম চৌধুরী বলেন, আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। আসামিরা হলেন পাইকারচর গ্রামের আউয়াল মিয়ার ছেলে আকরাম মিয়া (২৮), একই গ্রামের জসীম মিয়া (২৩) এবং সাইদুল ইসলামসহ অজ্ঞাত নামা আরও কয়েকজন। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর স্বামী সৌদি প্রবাসী। আসামি আকরাম ওই গৃহবধূর স্বামীর আত্মীয় হলেও এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত। আগে থেকেই গৃহবধূর প্রতি কুদৃষ্টি ছিল বলে অভিযোগ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গুরুতর আহত ৮ বছরের মেয়ে তার নিকটআত্মীয়দের সাথে লুডু খেলছিল। দরজা খোলা পেয়ে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দল বেঁধে ঘরে ঢুকে প্রথমে টাকা, মোবাইল ও স্বর্ণালংকার লুট করে। বাঁধা দিলে আসামিরা একজনের হাতে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পূর্বপরিচিত ও মূল অভিযুক্ত আকরাম মিয়া ওই গৃহবধূ ও তার শিশু কন্যাকে বাড়ির পাশে জমিতে নিয়ে গিয়ে মেয়ের গলায় রামদা ঠেকিয়ে তার সামনেই মাকে ধর্ষণ করে। তখন অন্য সহযোগীরা ঘর ফাঁকা পেয়ে লুটপাট করতে থাকে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নুর মোহাম্মদ মুঠোফোনে বলেন, আমরা অভিযানে আছি। আসামিদের কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না। তবে এই মুহূর্তে তারা এলাকায় নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

গলায় ছুরি ধরে মেয়ের সামনে মাকে ধর্ষণ,লুট করা হয়েছে টাকা-স্বর্ণালংকার

আপডেট সময় ০৯:১৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে ঘর থেকে তুলে নিয়ে ৮ বছর বয়সী কন্যা শিশুর গলায় ছুরি ধরে মেয়ের সামনে মাকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সন্ধ্যায় বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় অভিযুক্ত আকরাম মিয়া নামে এক ব্যক্তিসহ ৩ জনের নামে ধর্ষণের অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী। অভিযোগ আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ধর্ষণ শেষে ধর্ষক ও তার ৩ সহযোগী ঘরে থাকা নগদ ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ৪ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।

ধর্ষিতা গৃহবধূ থানায় জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। লোকলজ্জার ভয় ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ায় মামলা করতে বিলম্ব হয় বলে জানান তিনি।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোর্শেদুল আলম চৌধুরী বলেন, আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। আসামিরা হলেন পাইকারচর গ্রামের আউয়াল মিয়ার ছেলে আকরাম মিয়া (২৮), একই গ্রামের জসীম মিয়া (২৩) এবং সাইদুল ইসলামসহ অজ্ঞাত নামা আরও কয়েকজন। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর স্বামী সৌদি প্রবাসী। আসামি আকরাম ওই গৃহবধূর স্বামীর আত্মীয় হলেও এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত। আগে থেকেই গৃহবধূর প্রতি কুদৃষ্টি ছিল বলে অভিযোগ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গুরুতর আহত ৮ বছরের মেয়ে তার নিকটআত্মীয়দের সাথে লুডু খেলছিল। দরজা খোলা পেয়ে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দল বেঁধে ঘরে ঢুকে প্রথমে টাকা, মোবাইল ও স্বর্ণালংকার লুট করে। বাঁধা দিলে আসামিরা একজনের হাতে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পূর্বপরিচিত ও মূল অভিযুক্ত আকরাম মিয়া ওই গৃহবধূ ও তার শিশু কন্যাকে বাড়ির পাশে জমিতে নিয়ে গিয়ে মেয়ের গলায় রামদা ঠেকিয়ে তার সামনেই মাকে ধর্ষণ করে। তখন অন্য সহযোগীরা ঘর ফাঁকা পেয়ে লুটপাট করতে থাকে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নুর মোহাম্মদ মুঠোফোনে বলেন, আমরা অভিযানে আছি। আসামিদের কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না। তবে এই মুহূর্তে তারা এলাকায় নেই।