ঢাকা ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিন দাবিতে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নি মহাসমাবেশ ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ককরোচ জনতা পার্টির চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে

গলায় ছুরি ধরে মেয়ের সামনে মাকে ধর্ষণ,লুট করা হয়েছে টাকা-স্বর্ণালংকার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে ঘর থেকে তুলে নিয়ে ৮ বছর বয়সী কন্যা শিশুর গলায় ছুরি ধরে মেয়ের সামনে মাকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সন্ধ্যায় বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় অভিযুক্ত আকরাম মিয়া নামে এক ব্যক্তিসহ ৩ জনের নামে ধর্ষণের অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী। অভিযোগ আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ধর্ষণ শেষে ধর্ষক ও তার ৩ সহযোগী ঘরে থাকা নগদ ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ৪ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।

ধর্ষিতা গৃহবধূ থানায় জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। লোকলজ্জার ভয় ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ায় মামলা করতে বিলম্ব হয় বলে জানান তিনি।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোর্শেদুল আলম চৌধুরী বলেন, আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। আসামিরা হলেন পাইকারচর গ্রামের আউয়াল মিয়ার ছেলে আকরাম মিয়া (২৮), একই গ্রামের জসীম মিয়া (২৩) এবং সাইদুল ইসলামসহ অজ্ঞাত নামা আরও কয়েকজন। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর স্বামী সৌদি প্রবাসী। আসামি আকরাম ওই গৃহবধূর স্বামীর আত্মীয় হলেও এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত। আগে থেকেই গৃহবধূর প্রতি কুদৃষ্টি ছিল বলে অভিযোগ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গুরুতর আহত ৮ বছরের মেয়ে তার নিকটআত্মীয়দের সাথে লুডু খেলছিল। দরজা খোলা পেয়ে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দল বেঁধে ঘরে ঢুকে প্রথমে টাকা, মোবাইল ও স্বর্ণালংকার লুট করে। বাঁধা দিলে আসামিরা একজনের হাতে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পূর্বপরিচিত ও মূল অভিযুক্ত আকরাম মিয়া ওই গৃহবধূ ও তার শিশু কন্যাকে বাড়ির পাশে জমিতে নিয়ে গিয়ে মেয়ের গলায় রামদা ঠেকিয়ে তার সামনেই মাকে ধর্ষণ করে। তখন অন্য সহযোগীরা ঘর ফাঁকা পেয়ে লুটপাট করতে থাকে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নুর মোহাম্মদ মুঠোফোনে বলেন, আমরা অভিযানে আছি। আসামিদের কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না। তবে এই মুহূর্তে তারা এলাকায় নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়

গলায় ছুরি ধরে মেয়ের সামনে মাকে ধর্ষণ,লুট করা হয়েছে টাকা-স্বর্ণালংকার

আপডেট সময় ০৯:১৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে ঘর থেকে তুলে নিয়ে ৮ বছর বয়সী কন্যা শিশুর গলায় ছুরি ধরে মেয়ের সামনে মাকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সন্ধ্যায় বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় অভিযুক্ত আকরাম মিয়া নামে এক ব্যক্তিসহ ৩ জনের নামে ধর্ষণের অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী। অভিযোগ আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ধর্ষণ শেষে ধর্ষক ও তার ৩ সহযোগী ঘরে থাকা নগদ ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ৪ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।

ধর্ষিতা গৃহবধূ থানায় জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। লোকলজ্জার ভয় ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ায় মামলা করতে বিলম্ব হয় বলে জানান তিনি।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোর্শেদুল আলম চৌধুরী বলেন, আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। আসামিরা হলেন পাইকারচর গ্রামের আউয়াল মিয়ার ছেলে আকরাম মিয়া (২৮), একই গ্রামের জসীম মিয়া (২৩) এবং সাইদুল ইসলামসহ অজ্ঞাত নামা আরও কয়েকজন। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর স্বামী সৌদি প্রবাসী। আসামি আকরাম ওই গৃহবধূর স্বামীর আত্মীয় হলেও এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত। আগে থেকেই গৃহবধূর প্রতি কুদৃষ্টি ছিল বলে অভিযোগ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গুরুতর আহত ৮ বছরের মেয়ে তার নিকটআত্মীয়দের সাথে লুডু খেলছিল। দরজা খোলা পেয়ে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দল বেঁধে ঘরে ঢুকে প্রথমে টাকা, মোবাইল ও স্বর্ণালংকার লুট করে। বাঁধা দিলে আসামিরা একজনের হাতে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পূর্বপরিচিত ও মূল অভিযুক্ত আকরাম মিয়া ওই গৃহবধূ ও তার শিশু কন্যাকে বাড়ির পাশে জমিতে নিয়ে গিয়ে মেয়ের গলায় রামদা ঠেকিয়ে তার সামনেই মাকে ধর্ষণ করে। তখন অন্য সহযোগীরা ঘর ফাঁকা পেয়ে লুটপাট করতে থাকে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নুর মোহাম্মদ মুঠোফোনে বলেন, আমরা অভিযানে আছি। আসামিদের কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না। তবে এই মুহূর্তে তারা এলাকায় নেই।