ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৃত্যু নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন মুহাম্মদ ইউনূস থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়ল ক্রেন, নিহত ২২ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ : মির্জা ফখরুল আলমগীর টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান

শীতকালে সানস্ক্রিন কতবার এবং কীভাবে ব্যবহার করবেন?

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

অনেকেই মনে করেন, শীতের মিঠে রোদে বুঝি ত্বকের ক্ষতি হবে না। কিন্তু এই ধারণা ভুল। শীতের রোদ যতই নরম হোক না কেন, সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে বাঁচাতে সানস্ক্রিন মাখতেই হবে।

এটা সত্য যে শীতকালে সূর্যের তেজ গ্রীষ্মের মতো শক্তিশালী নয়, তবে অস্ট্রেলিয়ার ‘স্কিন ক্যান্সার ইনস্টিটিউট’-এর সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে দেখা গেছে, সারা বছরই ত্বকের সামান্য ক্ষতি একটু একটু করে জমা হতে পারে এবং শীতকালে সানস্ক্রিন ব্যবহার না করলে তা ত্বকে নানা সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

এর মধ্যে ছোটখাটো সূর্য সংস্পর্শ যেমন দুপুরের খাবার আনতে যাওয়া বা সকালে বাসের জন্য অপেক্ষা করার মতো বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। চিকিৎসকদের ভাষ্য, শীতকালে এমন দিন থাকতে পারে যখন অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব মধ্য সকাল থেকে ৩টা পর্যন্ত পৌঁছায় এবং বিকালে আবার কমে যায়। এই সময় যদি আপনি বাইরে নাও থাকেন, তবুও সানস্ক্রিন ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কেন জরুরি সানস্ক্রিন?

গরম হোক, বৃষ্টির দিন বা শীত মৌসুম, যে কোনো আবহাওয়াতেই সূর্যের বিকিরণ থেকে ত্বককে বাঁচানো খুব জরুরি। শীতকালে বায়ুর ওজন স্তরের ঘনত্ব কমে যায়। ফলে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব বাড়ে। এতে ত্বকের কোষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে র‌্যাশ, দাগছোপ পড়ে যাওয়ার সমস্যা তো হয়ই, পাশাপাশি ক্যান্সারের আশঙ্কাও বাড়তে পারে।

এছাড়াও রোদের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকে অত্যধিক মেলানিন তৈরি করে থাকে, তখন ত্বকের রং গাঢ় হয়ে যায়। এই বদল যে মুখ বা শরীরের বিশেষ কোনো অংশজুড়ে সমানভাবে হয়, তা নয়। একে চিকিৎসার পরিভাষায় বলা হয় ‘স্কোয়ামাশ সেল কার্সিনোমা’। এ কারণে বাইরে বেরোলে সানস্ক্রিন মাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। এমনকি শীতের সময় ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। সানস্ক্রিন ব্যবহার না করলে ত্বকের চামড়া কুঁচকে গিয়ে বলিরেখা পড়তে পারে।

কীভাবে মাখবেন সানস্ক্রিন?

অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে সুরক্ষার জন্য ন্যূনতম এসপিএফ ৩০ প্রয়োজন। যারা দীর্ঘ সময়ে রোদে থাকেন তারা এসপিএফ ৫০+ সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ভালো।

কেবল মুখে নয়, ঘাড়ে, গলায় দুই হাতেও ভালো করে সানস্ক্রিন মাখতে হবে। খুব ভালো হয় যদি ময়েশ্চারাইজারের সঙ্গে মিশিয়ে সানস্ক্রিন মাখেন।

ত্বক সংবেদনশীল হলে কোনো রাসায়নিক মিশ্রিত, সুগন্ধি যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন না। টাইটেনিয়াম ডাই-অক্সাইড আছে এমন সানস্ক্রিন ব্যবহার করাই ভালো।

দিনের বেলা বাইরে বেরোনোর ১৫ মিনিট আগে সানস্ক্রিন মাখতে হবে। আবার যদি বেশিক্ষণ বাইরে থাকেন, তা হলে দুই ঘণ্টা অন্তর সানস্ক্রিন মাখলে ভালো হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শীতকালে সানস্ক্রিন কতবার এবং কীভাবে ব্যবহার করবেন?

আপডেট সময় ১১:৫৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

অনেকেই মনে করেন, শীতের মিঠে রোদে বুঝি ত্বকের ক্ষতি হবে না। কিন্তু এই ধারণা ভুল। শীতের রোদ যতই নরম হোক না কেন, সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে বাঁচাতে সানস্ক্রিন মাখতেই হবে।

এটা সত্য যে শীতকালে সূর্যের তেজ গ্রীষ্মের মতো শক্তিশালী নয়, তবে অস্ট্রেলিয়ার ‘স্কিন ক্যান্সার ইনস্টিটিউট’-এর সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে দেখা গেছে, সারা বছরই ত্বকের সামান্য ক্ষতি একটু একটু করে জমা হতে পারে এবং শীতকালে সানস্ক্রিন ব্যবহার না করলে তা ত্বকে নানা সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

এর মধ্যে ছোটখাটো সূর্য সংস্পর্শ যেমন দুপুরের খাবার আনতে যাওয়া বা সকালে বাসের জন্য অপেক্ষা করার মতো বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। চিকিৎসকদের ভাষ্য, শীতকালে এমন দিন থাকতে পারে যখন অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব মধ্য সকাল থেকে ৩টা পর্যন্ত পৌঁছায় এবং বিকালে আবার কমে যায়। এই সময় যদি আপনি বাইরে নাও থাকেন, তবুও সানস্ক্রিন ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কেন জরুরি সানস্ক্রিন?

গরম হোক, বৃষ্টির দিন বা শীত মৌসুম, যে কোনো আবহাওয়াতেই সূর্যের বিকিরণ থেকে ত্বককে বাঁচানো খুব জরুরি। শীতকালে বায়ুর ওজন স্তরের ঘনত্ব কমে যায়। ফলে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব বাড়ে। এতে ত্বকের কোষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে র‌্যাশ, দাগছোপ পড়ে যাওয়ার সমস্যা তো হয়ই, পাশাপাশি ক্যান্সারের আশঙ্কাও বাড়তে পারে।

এছাড়াও রোদের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকে অত্যধিক মেলানিন তৈরি করে থাকে, তখন ত্বকের রং গাঢ় হয়ে যায়। এই বদল যে মুখ বা শরীরের বিশেষ কোনো অংশজুড়ে সমানভাবে হয়, তা নয়। একে চিকিৎসার পরিভাষায় বলা হয় ‘স্কোয়ামাশ সেল কার্সিনোমা’। এ কারণে বাইরে বেরোলে সানস্ক্রিন মাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। এমনকি শীতের সময় ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। সানস্ক্রিন ব্যবহার না করলে ত্বকের চামড়া কুঁচকে গিয়ে বলিরেখা পড়তে পারে।

কীভাবে মাখবেন সানস্ক্রিন?

অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে সুরক্ষার জন্য ন্যূনতম এসপিএফ ৩০ প্রয়োজন। যারা দীর্ঘ সময়ে রোদে থাকেন তারা এসপিএফ ৫০+ সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ভালো।

কেবল মুখে নয়, ঘাড়ে, গলায় দুই হাতেও ভালো করে সানস্ক্রিন মাখতে হবে। খুব ভালো হয় যদি ময়েশ্চারাইজারের সঙ্গে মিশিয়ে সানস্ক্রিন মাখেন।

ত্বক সংবেদনশীল হলে কোনো রাসায়নিক মিশ্রিত, সুগন্ধি যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন না। টাইটেনিয়াম ডাই-অক্সাইড আছে এমন সানস্ক্রিন ব্যবহার করাই ভালো।

দিনের বেলা বাইরে বেরোনোর ১৫ মিনিট আগে সানস্ক্রিন মাখতে হবে। আবার যদি বেশিক্ষণ বাইরে থাকেন, তা হলে দুই ঘণ্টা অন্তর সানস্ক্রিন মাখলে ভালো হয়।