ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেলে ‘প্রত্যেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে: শামা ওবায়েদ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শান্তি আলোচনায় কোনো সমাধান না এলেও দুপক্ষের এক টেবিলে আসাকে ‘ইতিবাচক’ হিসাবে দেখছে বাংলাদেশ সরকার। কূটনীতি ও সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের উপর জোর দিয়ে ঢাকা বলছে, এই আলোচনা ভেস্তে গেলে ‘প্রত্যেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে।

রোববার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে সরকারের এমন অবস্থানের কথা জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

তিনি বলেন, আমরা চাই যে, আলোচনাটা আরো বেগবান হোক এবং একটা রেজলুশন এখান থেকে আসুক। যদি না আসে, তাহলেতো আমি মনে করি যে, অবস্থা আরও অবনতির দিকে যেতে পারে, সারা পৃথিবীতেই। প্রত্যেকটা দেশই এখানে এফেক্টেড হবে, অর্থনৈতিকভাবে, সামাজিকভাবে, সব রকমভাবে। সেটা তো আমরা কোনোভাবেই চাই না।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান পুনরায় তুলে ধরে শামা বলেন, সবসময় আমরা বলে এসছি, যে কোনো মূল্যে যুদ্ধটা বন্ধ করতে হবে এবং নেগোসিয়েশন ও ডায়ালগের মধ্য দিয়ে ডিপ্লোমেটিক একটা সলিউশন আসতে হবে। এই যুদ্ধাবস্থায় দুই পক্ষ যুদ্ধ করলেও সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা হচ্ছে সারা পৃথিবীর মানুষের, প্রত্যেকটা দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং নিরপরাধ মানুষগুলো মারা যাচ্ছে।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনাকে ইতিবাচক হিসাবে দেখার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেই জায়গাটা থেকে একটা আমি পজিটিভ দিক দেখি যে, ইরান এবং ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র তারা অন্তত একটা নেগোসিয়েশনে বসতে রাজি হয়েছে। সেটা থেকে বোঝা যায় যে, তারাও চাচ্ছে যে যুদ্ধবিরতি হোক, বা যুদ্ধ বন্ধ হোক। আমরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকার থেকে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটা স্টেটমেন্ট করেছি যে, আমরা সাধুবাদ জানাই এই ধরনের ইনিশিয়েটিভকে; পাকিস্তানসহ অন্য দেশগুলো, যারা ইনিশিয়েটিভ নিয়েছে, তাদের এই পদক্ষেপকে আমরা সাধুবাদ জানাই।

তবে প্রথম আলোচনা থেকে সমাধান না আসা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি শামা ওবায়েদ।

তিনি বলেন, আমরা চাই যে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলো, যারা এখানে স্টেকহোল্ডার, তারা আলোচনার টেবিলে বসুক, একটা সমাধান আসুক। এই আলোচনা চলছে কিন্তু। এই মুহূর্তে কোনো স্টেটমেন্ট বা কোনো মন্তব্য করা আমাদের ঠিক হবে না। আলোচনা চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেলে ‘প্রত্যেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে: শামা ওবায়েদ

আপডেট সময় ১০:০০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শান্তি আলোচনায় কোনো সমাধান না এলেও দুপক্ষের এক টেবিলে আসাকে ‘ইতিবাচক’ হিসাবে দেখছে বাংলাদেশ সরকার। কূটনীতি ও সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের উপর জোর দিয়ে ঢাকা বলছে, এই আলোচনা ভেস্তে গেলে ‘প্রত্যেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে।

রোববার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে সরকারের এমন অবস্থানের কথা জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

তিনি বলেন, আমরা চাই যে, আলোচনাটা আরো বেগবান হোক এবং একটা রেজলুশন এখান থেকে আসুক। যদি না আসে, তাহলেতো আমি মনে করি যে, অবস্থা আরও অবনতির দিকে যেতে পারে, সারা পৃথিবীতেই। প্রত্যেকটা দেশই এখানে এফেক্টেড হবে, অর্থনৈতিকভাবে, সামাজিকভাবে, সব রকমভাবে। সেটা তো আমরা কোনোভাবেই চাই না।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান পুনরায় তুলে ধরে শামা বলেন, সবসময় আমরা বলে এসছি, যে কোনো মূল্যে যুদ্ধটা বন্ধ করতে হবে এবং নেগোসিয়েশন ও ডায়ালগের মধ্য দিয়ে ডিপ্লোমেটিক একটা সলিউশন আসতে হবে। এই যুদ্ধাবস্থায় দুই পক্ষ যুদ্ধ করলেও সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা হচ্ছে সারা পৃথিবীর মানুষের, প্রত্যেকটা দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং নিরপরাধ মানুষগুলো মারা যাচ্ছে।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনাকে ইতিবাচক হিসাবে দেখার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেই জায়গাটা থেকে একটা আমি পজিটিভ দিক দেখি যে, ইরান এবং ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র তারা অন্তত একটা নেগোসিয়েশনে বসতে রাজি হয়েছে। সেটা থেকে বোঝা যায় যে, তারাও চাচ্ছে যে যুদ্ধবিরতি হোক, বা যুদ্ধ বন্ধ হোক। আমরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকার থেকে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটা স্টেটমেন্ট করেছি যে, আমরা সাধুবাদ জানাই এই ধরনের ইনিশিয়েটিভকে; পাকিস্তানসহ অন্য দেশগুলো, যারা ইনিশিয়েটিভ নিয়েছে, তাদের এই পদক্ষেপকে আমরা সাধুবাদ জানাই।

তবে প্রথম আলোচনা থেকে সমাধান না আসা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি শামা ওবায়েদ।

তিনি বলেন, আমরা চাই যে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলো, যারা এখানে স্টেকহোল্ডার, তারা আলোচনার টেবিলে বসুক, একটা সমাধান আসুক। এই আলোচনা চলছে কিন্তু। এই মুহূর্তে কোনো স্টেটমেন্ট বা কোনো মন্তব্য করা আমাদের ঠিক হবে না। আলোচনা চলছে।