আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
গণভোটের ফলাফল অনুযায়ী জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার এবং জুলাইযোদ্ধারা। তারা বলেছেন, সংস্কার করতে হবে সরকারকে।
রোববার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেছেন তাঁরা। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদ আলিফের বাবা গাজীউর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ যা করতে দুই বছর নিয়েছিল, বিএনপি তা দুই মাসেই করেছে। জুলাইয়ের স্লোগান ছিল উই ওয়ান্ট জাস্টিস, কিন্তু সরকার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে চিফ প্রসিকিউটরকে সরিয়ে দিয়েছে। মেধার বদলে পরিবারতন্ত্র কায়েম করছে।
মিরপুরের নারী শহীদ মেহেরুন নেছার বাবা মোশারফ হোসেন স্পিকারের সমালোচনা করে বলেন, স্পিকার মুক্তিযোদ্ধা আর হাসনাত আবদুল্লাহরা জুলাই যোদ্ধা। হাসনাতের মতো জুলাই যোদ্ধাদের কারণেই তিনি স্পিকার হতে পেরেছেন। তাই জুলাই যোদ্ধাদের অসম্মান করে কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে সংসদ ঘেরাও করা হবে।
শহীদ মাহমুদুর রহমান সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল নতুন বাংলাদেশ গড়া। সেই স্বপ্ন ও চেতনার প্রতিফলন রয়েছে জুলাই সনদে। কিন্তু তা উপেক্ষা করে পুরোনো ব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা মেনে নিতে পারি না।
জুলাই যোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গণভোটে জনগণের রায় পাওয়ার পরও বিএনপি সরকার তা মানছে না। জুলাই সনদ থেকে একটি দাঁড়ি বা কমাও বাদ দেওয়া যাবে না।
জুলাই যোদ্ধা কামরুল আহসান গণভোট, গুম ও মানবাধিকার অধ্যাদেশ বাতিল বাতিল করা অভ্যুত্থান বিরোধী কাজ।
শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন শেখ জামাল হোসেন, সানজিদা খানম দ্বীপ্তি, লাখী বেগম, শহিদুল ইসলাম, কবির হোসেন, তাজুল ইসলাম প্রমুখ। তারা বলেন, আমরা আমাদের সন্তানের রক্তের বিনিময়ে ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে চাই। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামব।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 


















