ঢাকা ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প উপজেলা পরিষদে কক্ষ বরাদ্দ পাচ্ছেন সংসদ সদস্যরা, সংসদে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মা হারা কন্যার বিয়েতে গাজীপুরের ডিসি, আবেগাপ্লুত হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে মৌলভীবাজারের যুবক নিহত স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কর্তন করে হাসপাতালে স্ত্রী সংসদে গাড়ি চাইলেন হাসনাত, জামায়াত আমির বললেন, ছোটদের ‘না’ বলতে নেই অনলাইন ভ্যাট রিটার্নে অনিয়ম পেলেই ব্যবস্থা : এনবিআর চেয়ারম্যান ৪ ঘণ্টা পর জামিন পেলেন বাচ্চাসহ কারাগারে পাঠানো সেই মহিলা লীগ নেত্রী সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

সাভারে ইনজেকশন পুশ করে ধর্ষণের অভিযোগ ডাক্তারের বিরুদ্ধে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

সাভারে ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে অতেচন করে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রমোদ চক্রবর্তী (৪৬) নামে এক সমবায় সমিতির পরিচালকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ওই সমিতির হিসাবরক্ষক। তিনি প্রমোদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছেন।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে অভিযোগটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী। অভিযুক্ত প্রমোদ চক্রবর্তী মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর থানার হেলাচিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সাভার নামা বাজারের কাশবন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের পরিচালক। এ ছাড়া নিজেকে একজন চিকিৎসক বলে পরিচয় দিতেন তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাভারের বাজার রোডের অগ্রণী ব্যাংক ভবনের ছয়তলায় কাঁশবন নামে একটি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি পরিচালিত হয়। সেখানে গত এক বছর ধরে হিসাবরক্ষক হিসাবে কাজ করতেন ভুক্তভোগী। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ ও তার ওজন কম। এ কথা জেনে প্রমোদ চক্রবর্তী নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে ভুক্তভোগীকে মুখে খাওয়ার ভিটামিন দেন। তাছাড়া তাকে ইনজেকশন নেওয়ার পরামর্শ দেন। প্রমোদের তার পরামর্শ অনুযায়ী তিন মাস ধরে ভুক্তভোগী এসব ওষুধ খেয়ে আসছিলেন। গত ৪ ডিসেম্বর প্রমোদ তাকে শেষবার ইনজেকশন নিতে বলেন।

ভুক্তভোগী নারী বলেন, ঘটনার দিন প্রমোদ আমার হাতে ইনজেকশন পুশ করেন। সঙ্গে সঙ্গে আমি অচেতন হয়ে পড়ি। কিছুক্ষণ পর জ্ঞান ফিরলে বুঝতে পারি প্রমোদ আমাকে ধর্ষণ করেছেন। আমি চিৎকার করলে তিনি পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি কাঁশবন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা গীতা অধিকারী সুমিতাকে জানাই। তারা দুজনে মিলে পরে আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলেন যেন বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করি। এসব ঘটনার পর পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ করেছি।

সাভার মডেল থানার পরিদর্শক জুয়েল মিয়া বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প

সাভারে ইনজেকশন পুশ করে ধর্ষণের অভিযোগ ডাক্তারের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ১০:৪৩:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

সাভারে ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে অতেচন করে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রমোদ চক্রবর্তী (৪৬) নামে এক সমবায় সমিতির পরিচালকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ওই সমিতির হিসাবরক্ষক। তিনি প্রমোদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছেন।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে অভিযোগটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী। অভিযুক্ত প্রমোদ চক্রবর্তী মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর থানার হেলাচিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সাভার নামা বাজারের কাশবন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের পরিচালক। এ ছাড়া নিজেকে একজন চিকিৎসক বলে পরিচয় দিতেন তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাভারের বাজার রোডের অগ্রণী ব্যাংক ভবনের ছয়তলায় কাঁশবন নামে একটি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি পরিচালিত হয়। সেখানে গত এক বছর ধরে হিসাবরক্ষক হিসাবে কাজ করতেন ভুক্তভোগী। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ ও তার ওজন কম। এ কথা জেনে প্রমোদ চক্রবর্তী নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে ভুক্তভোগীকে মুখে খাওয়ার ভিটামিন দেন। তাছাড়া তাকে ইনজেকশন নেওয়ার পরামর্শ দেন। প্রমোদের তার পরামর্শ অনুযায়ী তিন মাস ধরে ভুক্তভোগী এসব ওষুধ খেয়ে আসছিলেন। গত ৪ ডিসেম্বর প্রমোদ তাকে শেষবার ইনজেকশন নিতে বলেন।

ভুক্তভোগী নারী বলেন, ঘটনার দিন প্রমোদ আমার হাতে ইনজেকশন পুশ করেন। সঙ্গে সঙ্গে আমি অচেতন হয়ে পড়ি। কিছুক্ষণ পর জ্ঞান ফিরলে বুঝতে পারি প্রমোদ আমাকে ধর্ষণ করেছেন। আমি চিৎকার করলে তিনি পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি কাঁশবন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা গীতা অধিকারী সুমিতাকে জানাই। তারা দুজনে মিলে পরে আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলেন যেন বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করি। এসব ঘটনার পর পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ করেছি।

সাভার মডেল থানার পরিদর্শক জুয়েল মিয়া বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।