ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

আদালতে আটকে গেল কাতালুনিয়ার স্বাধীনতার উদ্যোগ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

স্বাধীনতার ঘোষণার উদ্যোগ নিতে কাতালান পার্লামেন্টের সোমবারের অধিবেশনে স্থগিতাদেশ জারি করেছে স্পেনের সাংবিধানিক আদালত।আদালত বলেছে কাতালান পার্লামেন্টের এই ধরণের উদ্যোগ হবে ‘সংবিধানের লঙ্ঘন’। এর আগে রবিবারের গণভোটের প্রক্ষিতে স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতে কাতালুনিয়ার সরকারকে হুঁশিয়ার করেছিলেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাহয়।

কাতালান প্রেসিডেন্ট কার্লেস পুজদেমন্ত এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন চলতি সপ্তাহের শেষে কিংবা পরের সপ্তাহের শুরুতে আসতে পারে কাতুনিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা। মাদ্রিদের কেন্দ্রিয় সরকার নয়, কাতালুনিয়ারই সোশালিস্ট পার্টির বিরোধিতায় এলো পার্লামেন্ট অধিবেশনের উপর আদালতের এই স্থগিতাদেশ। কাতালুনিযার সরকারকে পার্লামেন্ট অধিবেশনে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার অনুমতি দিলে তা সোশালিস্ট পার্টির সাংসদদের অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করবে বলেও আদালতের রায়ে বহাল হয়েছে।

এর আগে স্বাধনিতার প্রশ্নে রবিবারে অনুষ্ঠিত গণভোটকেও বেআইনি আখ্যা দিয়েছিলো আদালত। সেবার স্পেনের সরকারের তরফ থেকেই গণভোটকে চ্যালেঞ্জ করে রিট করা করা হয়েছিলো। কাতালুনিয়ার ২০১৫ সালের নির্বাচনে ১৩ শতাংশ ভোট পায় সোশালিস্ট পার্টি। ১৩৫ আসন বিশিষ্ট পার্লামেন্টে তাদের রয়েছে ১৩ সদস্য। কাতালুনিয়ার কর্মকর্তারা গণভোটে স্বাধীনতার পক্ষে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট পড়েছে দাবি করলেও এখনও পর্যন্ত ভোটের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেনি।

গণভোটে ৪২ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে বলে হিসাব করা হয়েছে। স্পেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল কাতালুনিয়া সোমবারই স্পেন থেকে আলাদা হতে স্বাধীনতা ঘোষণার উদ্যোগ নেবে বলে ৪ অক্টোবরে জানান অঞ্চলটির এক সরকারি কর্মকর্তা। তিনি জানিয়েছিলেন, আঞ্চলিক পার্লামেন্টের নিয়ন্ত্রক স্বাধীনতাপন্থি দলগুলো ওইদিন স্বাধীনতা ঘোষণা করা নিয়ে একটি বিতর্ক ও ভোট অনুষ্ঠানের আহ্বান করেছে। এ ভোটের পরই স্বাধীনতা ঘোষণা করা হবে। তার এ বক্তব্যের পরই স্পেনের সাংবিধানিক আদালত এ প্রচেষ্টা রুখে দাঁড়াল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদালতে আটকে গেল কাতালুনিয়ার স্বাধীনতার উদ্যোগ

আপডেট সময় ০৪:২২:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

স্বাধীনতার ঘোষণার উদ্যোগ নিতে কাতালান পার্লামেন্টের সোমবারের অধিবেশনে স্থগিতাদেশ জারি করেছে স্পেনের সাংবিধানিক আদালত।আদালত বলেছে কাতালান পার্লামেন্টের এই ধরণের উদ্যোগ হবে ‘সংবিধানের লঙ্ঘন’। এর আগে রবিবারের গণভোটের প্রক্ষিতে স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতে কাতালুনিয়ার সরকারকে হুঁশিয়ার করেছিলেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাহয়।

কাতালান প্রেসিডেন্ট কার্লেস পুজদেমন্ত এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন চলতি সপ্তাহের শেষে কিংবা পরের সপ্তাহের শুরুতে আসতে পারে কাতুনিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা। মাদ্রিদের কেন্দ্রিয় সরকার নয়, কাতালুনিয়ারই সোশালিস্ট পার্টির বিরোধিতায় এলো পার্লামেন্ট অধিবেশনের উপর আদালতের এই স্থগিতাদেশ। কাতালুনিযার সরকারকে পার্লামেন্ট অধিবেশনে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার অনুমতি দিলে তা সোশালিস্ট পার্টির সাংসদদের অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করবে বলেও আদালতের রায়ে বহাল হয়েছে।

এর আগে স্বাধনিতার প্রশ্নে রবিবারে অনুষ্ঠিত গণভোটকেও বেআইনি আখ্যা দিয়েছিলো আদালত। সেবার স্পেনের সরকারের তরফ থেকেই গণভোটকে চ্যালেঞ্জ করে রিট করা করা হয়েছিলো। কাতালুনিয়ার ২০১৫ সালের নির্বাচনে ১৩ শতাংশ ভোট পায় সোশালিস্ট পার্টি। ১৩৫ আসন বিশিষ্ট পার্লামেন্টে তাদের রয়েছে ১৩ সদস্য। কাতালুনিয়ার কর্মকর্তারা গণভোটে স্বাধীনতার পক্ষে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট পড়েছে দাবি করলেও এখনও পর্যন্ত ভোটের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেনি।

গণভোটে ৪২ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে বলে হিসাব করা হয়েছে। স্পেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল কাতালুনিয়া সোমবারই স্পেন থেকে আলাদা হতে স্বাধীনতা ঘোষণার উদ্যোগ নেবে বলে ৪ অক্টোবরে জানান অঞ্চলটির এক সরকারি কর্মকর্তা। তিনি জানিয়েছিলেন, আঞ্চলিক পার্লামেন্টের নিয়ন্ত্রক স্বাধীনতাপন্থি দলগুলো ওইদিন স্বাধীনতা ঘোষণা করা নিয়ে একটি বিতর্ক ও ভোট অনুষ্ঠানের আহ্বান করেছে। এ ভোটের পরই স্বাধীনতা ঘোষণা করা হবে। তার এ বক্তব্যের পরই স্পেনের সাংবিধানিক আদালত এ প্রচেষ্টা রুখে দাঁড়াল।