ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনা সদস্যকে প্রত্যাহার রাজধানীর তিন পয়েন্ট অবরোধের ঘোষণা সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের জনগণের বিশ্বাস অর্জনের দায়িত্ব রাজনীতিবিদদেরই : আমীর খসরু আটকের পর ডাবলুর মৃত্যু, সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ চান বিএনপি মহাসচিব পে স্কেল বাস্তবায়ন পে কমিশনের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করছে :অর্থ উপদেষ্টা প্রবাসীদের সুসংবাদ দিলেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

আদালতে আটকে গেল কাতালুনিয়ার স্বাধীনতার উদ্যোগ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

স্বাধীনতার ঘোষণার উদ্যোগ নিতে কাতালান পার্লামেন্টের সোমবারের অধিবেশনে স্থগিতাদেশ জারি করেছে স্পেনের সাংবিধানিক আদালত।আদালত বলেছে কাতালান পার্লামেন্টের এই ধরণের উদ্যোগ হবে ‘সংবিধানের লঙ্ঘন’। এর আগে রবিবারের গণভোটের প্রক্ষিতে স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতে কাতালুনিয়ার সরকারকে হুঁশিয়ার করেছিলেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাহয়।

কাতালান প্রেসিডেন্ট কার্লেস পুজদেমন্ত এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন চলতি সপ্তাহের শেষে কিংবা পরের সপ্তাহের শুরুতে আসতে পারে কাতুনিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা। মাদ্রিদের কেন্দ্রিয় সরকার নয়, কাতালুনিয়ারই সোশালিস্ট পার্টির বিরোধিতায় এলো পার্লামেন্ট অধিবেশনের উপর আদালতের এই স্থগিতাদেশ। কাতালুনিযার সরকারকে পার্লামেন্ট অধিবেশনে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার অনুমতি দিলে তা সোশালিস্ট পার্টির সাংসদদের অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করবে বলেও আদালতের রায়ে বহাল হয়েছে।

এর আগে স্বাধনিতার প্রশ্নে রবিবারে অনুষ্ঠিত গণভোটকেও বেআইনি আখ্যা দিয়েছিলো আদালত। সেবার স্পেনের সরকারের তরফ থেকেই গণভোটকে চ্যালেঞ্জ করে রিট করা করা হয়েছিলো। কাতালুনিয়ার ২০১৫ সালের নির্বাচনে ১৩ শতাংশ ভোট পায় সোশালিস্ট পার্টি। ১৩৫ আসন বিশিষ্ট পার্লামেন্টে তাদের রয়েছে ১৩ সদস্য। কাতালুনিয়ার কর্মকর্তারা গণভোটে স্বাধীনতার পক্ষে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট পড়েছে দাবি করলেও এখনও পর্যন্ত ভোটের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেনি।

গণভোটে ৪২ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে বলে হিসাব করা হয়েছে। স্পেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল কাতালুনিয়া সোমবারই স্পেন থেকে আলাদা হতে স্বাধীনতা ঘোষণার উদ্যোগ নেবে বলে ৪ অক্টোবরে জানান অঞ্চলটির এক সরকারি কর্মকর্তা। তিনি জানিয়েছিলেন, আঞ্চলিক পার্লামেন্টের নিয়ন্ত্রক স্বাধীনতাপন্থি দলগুলো ওইদিন স্বাধীনতা ঘোষণা করা নিয়ে একটি বিতর্ক ও ভোট অনুষ্ঠানের আহ্বান করেছে। এ ভোটের পরই স্বাধীনতা ঘোষণা করা হবে। তার এ বক্তব্যের পরই স্পেনের সাংবিধানিক আদালত এ প্রচেষ্টা রুখে দাঁড়াল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ

আদালতে আটকে গেল কাতালুনিয়ার স্বাধীনতার উদ্যোগ

আপডেট সময় ০৪:২২:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

স্বাধীনতার ঘোষণার উদ্যোগ নিতে কাতালান পার্লামেন্টের সোমবারের অধিবেশনে স্থগিতাদেশ জারি করেছে স্পেনের সাংবিধানিক আদালত।আদালত বলেছে কাতালান পার্লামেন্টের এই ধরণের উদ্যোগ হবে ‘সংবিধানের লঙ্ঘন’। এর আগে রবিবারের গণভোটের প্রক্ষিতে স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতে কাতালুনিয়ার সরকারকে হুঁশিয়ার করেছিলেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাহয়।

কাতালান প্রেসিডেন্ট কার্লেস পুজদেমন্ত এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন চলতি সপ্তাহের শেষে কিংবা পরের সপ্তাহের শুরুতে আসতে পারে কাতুনিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা। মাদ্রিদের কেন্দ্রিয় সরকার নয়, কাতালুনিয়ারই সোশালিস্ট পার্টির বিরোধিতায় এলো পার্লামেন্ট অধিবেশনের উপর আদালতের এই স্থগিতাদেশ। কাতালুনিযার সরকারকে পার্লামেন্ট অধিবেশনে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার অনুমতি দিলে তা সোশালিস্ট পার্টির সাংসদদের অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করবে বলেও আদালতের রায়ে বহাল হয়েছে।

এর আগে স্বাধনিতার প্রশ্নে রবিবারে অনুষ্ঠিত গণভোটকেও বেআইনি আখ্যা দিয়েছিলো আদালত। সেবার স্পেনের সরকারের তরফ থেকেই গণভোটকে চ্যালেঞ্জ করে রিট করা করা হয়েছিলো। কাতালুনিয়ার ২০১৫ সালের নির্বাচনে ১৩ শতাংশ ভোট পায় সোশালিস্ট পার্টি। ১৩৫ আসন বিশিষ্ট পার্লামেন্টে তাদের রয়েছে ১৩ সদস্য। কাতালুনিয়ার কর্মকর্তারা গণভোটে স্বাধীনতার পক্ষে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট পড়েছে দাবি করলেও এখনও পর্যন্ত ভোটের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেনি।

গণভোটে ৪২ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে বলে হিসাব করা হয়েছে। স্পেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল কাতালুনিয়া সোমবারই স্পেন থেকে আলাদা হতে স্বাধীনতা ঘোষণার উদ্যোগ নেবে বলে ৪ অক্টোবরে জানান অঞ্চলটির এক সরকারি কর্মকর্তা। তিনি জানিয়েছিলেন, আঞ্চলিক পার্লামেন্টের নিয়ন্ত্রক স্বাধীনতাপন্থি দলগুলো ওইদিন স্বাধীনতা ঘোষণা করা নিয়ে একটি বিতর্ক ও ভোট অনুষ্ঠানের আহ্বান করেছে। এ ভোটের পরই স্বাধীনতা ঘোষণা করা হবে। তার এ বক্তব্যের পরই স্পেনের সাংবিধানিক আদালত এ প্রচেষ্টা রুখে দাঁড়াল।