ঢাকা ১১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

নিজেরা মারামারি করে দুই নেতাকে হাসপাতালে পাঠাল ছাত্রদল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সমমনা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে যখন সরকারবিরোধী আন্দোলন জোরদার করছে বিএনপি, এমন সময় নিজেরা মারামারি করে দুই নেতাকে হাসপাতালে পাঠালেন দলটির সহযোগী সংগঠন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত দুই ছাত্রদল নেতাকে বাংলাদেশ মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটলেও জানাজানি হয়েছে বুধবার।

ছাত্রদল নেতাকর্মীরা জানান, মঙ্গলবার উত্তরা পশ্চিম থানার কামারপাড়া ব্রিজ এলাকায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির পশ্চিম জোনের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশ শেষে ফেরার পথে ছাত্রদলের দুগ্রুপে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উত্তরা পশ্চিম থানা ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান রুবেলকে একই ইউনিটের আরেক ছাত্রনেতা রিয়াদ সরকার হিরা এবং মো. শোয়েবের নেতৃত্বে লাঠিসোটা নিয়ে আক্রমন করে। এতে রুবেল মারাত্মক আহত হন। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর মধ্যে হিরা ও শোয়েব বিএনপি নেতা বাহাউদ্দিন সাদীর সমর্থক। অন্যদিকে মেহেদী হাসান রুবেল যুবদলের সাবেক সহসভাপতি এস এম জাহাঙ্গীরের সমর্থক। এস এম জাহাঙ্গীর ঢাকা-১৮ আসনের ধানের শীষে নির্বাচন করেছিলেন।

মেহেদী হাসান রুবেল বলেন, সমাবেশ শেষ হওয়ার আগেই হিরার নেতৃত্বে একটি অংশ তাদেরকে শাসিয়ে যায়। এরপর তারা বাড়ি ফেরার পথে তাদের উপর অতর্কিত হামলা করে।

ঘটনার সময় উপস্থিত তুরাগ থানা বিএনপির নেতা রিপন হাসান বলেন, সমাবেশ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ছাত্রদল নেতা হিরার নেতৃত্বে রুবেলের হামলার ঘটনা ঘটে। বাঁশের লাঠি দিয়ে রুবেলকে এলাপাথাড়ি মারধর করা হয়। এ সময় রিপন তাদের দুই অংশকেই নিবৃত করার চেষ্টা করেন। ওই হামলায় রুবেল ছাড়াও মহানগর ছাত্রদলের সাবেক নেতা ইঞ্জিনিয়ার মহিউদ্দিন তালুকদার মাহীসহ আরো অনেকে আহত হন।

তবে এসব হামলার বিষয়ে অস্বীকার করে রিয়াদ সরকার হিরা বলেন, তিনি কোনোভাবেই এ হামলার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। মহানগর বিএনপির একজন নেতার রোষানলে পড়ে এর আগেও তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছিল। তার জানামতে- এই হামলার পেছনে তুরাগ থানা ছাত্রদলের নেতা জোনায়েদ হোসেন রিপল জড়িত।

আবার জোনায়েদ হোসেন রিপল জানান, তিনি এ হামলার ঘটনা সম্পর্কে একেবারে কিছুই জানেন না। সমাবেশ শেষে যে হামলার ঘটনা ঘটেছে তাও তিনি জানেন না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

নিজেরা মারামারি করে দুই নেতাকে হাসপাতালে পাঠাল ছাত্রদল

আপডেট সময় ১০:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সমমনা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে যখন সরকারবিরোধী আন্দোলন জোরদার করছে বিএনপি, এমন সময় নিজেরা মারামারি করে দুই নেতাকে হাসপাতালে পাঠালেন দলটির সহযোগী সংগঠন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত দুই ছাত্রদল নেতাকে বাংলাদেশ মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটলেও জানাজানি হয়েছে বুধবার।

ছাত্রদল নেতাকর্মীরা জানান, মঙ্গলবার উত্তরা পশ্চিম থানার কামারপাড়া ব্রিজ এলাকায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির পশ্চিম জোনের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশ শেষে ফেরার পথে ছাত্রদলের দুগ্রুপে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উত্তরা পশ্চিম থানা ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান রুবেলকে একই ইউনিটের আরেক ছাত্রনেতা রিয়াদ সরকার হিরা এবং মো. শোয়েবের নেতৃত্বে লাঠিসোটা নিয়ে আক্রমন করে। এতে রুবেল মারাত্মক আহত হন। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর মধ্যে হিরা ও শোয়েব বিএনপি নেতা বাহাউদ্দিন সাদীর সমর্থক। অন্যদিকে মেহেদী হাসান রুবেল যুবদলের সাবেক সহসভাপতি এস এম জাহাঙ্গীরের সমর্থক। এস এম জাহাঙ্গীর ঢাকা-১৮ আসনের ধানের শীষে নির্বাচন করেছিলেন।

মেহেদী হাসান রুবেল বলেন, সমাবেশ শেষ হওয়ার আগেই হিরার নেতৃত্বে একটি অংশ তাদেরকে শাসিয়ে যায়। এরপর তারা বাড়ি ফেরার পথে তাদের উপর অতর্কিত হামলা করে।

ঘটনার সময় উপস্থিত তুরাগ থানা বিএনপির নেতা রিপন হাসান বলেন, সমাবেশ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ছাত্রদল নেতা হিরার নেতৃত্বে রুবেলের হামলার ঘটনা ঘটে। বাঁশের লাঠি দিয়ে রুবেলকে এলাপাথাড়ি মারধর করা হয়। এ সময় রিপন তাদের দুই অংশকেই নিবৃত করার চেষ্টা করেন। ওই হামলায় রুবেল ছাড়াও মহানগর ছাত্রদলের সাবেক নেতা ইঞ্জিনিয়ার মহিউদ্দিন তালুকদার মাহীসহ আরো অনেকে আহত হন।

তবে এসব হামলার বিষয়ে অস্বীকার করে রিয়াদ সরকার হিরা বলেন, তিনি কোনোভাবেই এ হামলার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। মহানগর বিএনপির একজন নেতার রোষানলে পড়ে এর আগেও তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছিল। তার জানামতে- এই হামলার পেছনে তুরাগ থানা ছাত্রদলের নেতা জোনায়েদ হোসেন রিপল জড়িত।

আবার জোনায়েদ হোসেন রিপল জানান, তিনি এ হামলার ঘটনা সম্পর্কে একেবারে কিছুই জানেন না। সমাবেশ শেষে যে হামলার ঘটনা ঘটেছে তাও তিনি জানেন না।