ঢাকা ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

নিজেরা মারামারি করে দুই নেতাকে হাসপাতালে পাঠাল ছাত্রদল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সমমনা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে যখন সরকারবিরোধী আন্দোলন জোরদার করছে বিএনপি, এমন সময় নিজেরা মারামারি করে দুই নেতাকে হাসপাতালে পাঠালেন দলটির সহযোগী সংগঠন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত দুই ছাত্রদল নেতাকে বাংলাদেশ মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটলেও জানাজানি হয়েছে বুধবার।

ছাত্রদল নেতাকর্মীরা জানান, মঙ্গলবার উত্তরা পশ্চিম থানার কামারপাড়া ব্রিজ এলাকায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির পশ্চিম জোনের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশ শেষে ফেরার পথে ছাত্রদলের দুগ্রুপে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উত্তরা পশ্চিম থানা ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান রুবেলকে একই ইউনিটের আরেক ছাত্রনেতা রিয়াদ সরকার হিরা এবং মো. শোয়েবের নেতৃত্বে লাঠিসোটা নিয়ে আক্রমন করে। এতে রুবেল মারাত্মক আহত হন। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর মধ্যে হিরা ও শোয়েব বিএনপি নেতা বাহাউদ্দিন সাদীর সমর্থক। অন্যদিকে মেহেদী হাসান রুবেল যুবদলের সাবেক সহসভাপতি এস এম জাহাঙ্গীরের সমর্থক। এস এম জাহাঙ্গীর ঢাকা-১৮ আসনের ধানের শীষে নির্বাচন করেছিলেন।

মেহেদী হাসান রুবেল বলেন, সমাবেশ শেষ হওয়ার আগেই হিরার নেতৃত্বে একটি অংশ তাদেরকে শাসিয়ে যায়। এরপর তারা বাড়ি ফেরার পথে তাদের উপর অতর্কিত হামলা করে।

ঘটনার সময় উপস্থিত তুরাগ থানা বিএনপির নেতা রিপন হাসান বলেন, সমাবেশ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ছাত্রদল নেতা হিরার নেতৃত্বে রুবেলের হামলার ঘটনা ঘটে। বাঁশের লাঠি দিয়ে রুবেলকে এলাপাথাড়ি মারধর করা হয়। এ সময় রিপন তাদের দুই অংশকেই নিবৃত করার চেষ্টা করেন। ওই হামলায় রুবেল ছাড়াও মহানগর ছাত্রদলের সাবেক নেতা ইঞ্জিনিয়ার মহিউদ্দিন তালুকদার মাহীসহ আরো অনেকে আহত হন।

তবে এসব হামলার বিষয়ে অস্বীকার করে রিয়াদ সরকার হিরা বলেন, তিনি কোনোভাবেই এ হামলার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। মহানগর বিএনপির একজন নেতার রোষানলে পড়ে এর আগেও তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছিল। তার জানামতে- এই হামলার পেছনে তুরাগ থানা ছাত্রদলের নেতা জোনায়েদ হোসেন রিপল জড়িত।

আবার জোনায়েদ হোসেন রিপল জানান, তিনি এ হামলার ঘটনা সম্পর্কে একেবারে কিছুই জানেন না। সমাবেশ শেষে যে হামলার ঘটনা ঘটেছে তাও তিনি জানেন না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

নিজেরা মারামারি করে দুই নেতাকে হাসপাতালে পাঠাল ছাত্রদল

আপডেট সময় ১০:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সমমনা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে যখন সরকারবিরোধী আন্দোলন জোরদার করছে বিএনপি, এমন সময় নিজেরা মারামারি করে দুই নেতাকে হাসপাতালে পাঠালেন দলটির সহযোগী সংগঠন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত দুই ছাত্রদল নেতাকে বাংলাদেশ মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটলেও জানাজানি হয়েছে বুধবার।

ছাত্রদল নেতাকর্মীরা জানান, মঙ্গলবার উত্তরা পশ্চিম থানার কামারপাড়া ব্রিজ এলাকায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির পশ্চিম জোনের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশ শেষে ফেরার পথে ছাত্রদলের দুগ্রুপে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উত্তরা পশ্চিম থানা ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান রুবেলকে একই ইউনিটের আরেক ছাত্রনেতা রিয়াদ সরকার হিরা এবং মো. শোয়েবের নেতৃত্বে লাঠিসোটা নিয়ে আক্রমন করে। এতে রুবেল মারাত্মক আহত হন। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর মধ্যে হিরা ও শোয়েব বিএনপি নেতা বাহাউদ্দিন সাদীর সমর্থক। অন্যদিকে মেহেদী হাসান রুবেল যুবদলের সাবেক সহসভাপতি এস এম জাহাঙ্গীরের সমর্থক। এস এম জাহাঙ্গীর ঢাকা-১৮ আসনের ধানের শীষে নির্বাচন করেছিলেন।

মেহেদী হাসান রুবেল বলেন, সমাবেশ শেষ হওয়ার আগেই হিরার নেতৃত্বে একটি অংশ তাদেরকে শাসিয়ে যায়। এরপর তারা বাড়ি ফেরার পথে তাদের উপর অতর্কিত হামলা করে।

ঘটনার সময় উপস্থিত তুরাগ থানা বিএনপির নেতা রিপন হাসান বলেন, সমাবেশ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ছাত্রদল নেতা হিরার নেতৃত্বে রুবেলের হামলার ঘটনা ঘটে। বাঁশের লাঠি দিয়ে রুবেলকে এলাপাথাড়ি মারধর করা হয়। এ সময় রিপন তাদের দুই অংশকেই নিবৃত করার চেষ্টা করেন। ওই হামলায় রুবেল ছাড়াও মহানগর ছাত্রদলের সাবেক নেতা ইঞ্জিনিয়ার মহিউদ্দিন তালুকদার মাহীসহ আরো অনেকে আহত হন।

তবে এসব হামলার বিষয়ে অস্বীকার করে রিয়াদ সরকার হিরা বলেন, তিনি কোনোভাবেই এ হামলার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। মহানগর বিএনপির একজন নেতার রোষানলে পড়ে এর আগেও তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছিল। তার জানামতে- এই হামলার পেছনে তুরাগ থানা ছাত্রদলের নেতা জোনায়েদ হোসেন রিপল জড়িত।

আবার জোনায়েদ হোসেন রিপল জানান, তিনি এ হামলার ঘটনা সম্পর্কে একেবারে কিছুই জানেন না। সমাবেশ শেষে যে হামলার ঘটনা ঘটেছে তাও তিনি জানেন না।