ঢাকা ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুমোদন না দেওয়ার আইনি নোটিশ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

কাল বিসিবির বিশেষ সাধারণ সভায় কোনো বিরোধিতা ছাড়াই পাস হয়েছে বিসিবির সংশোধনী গঠনতন্ত্র। এখন এটা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি)। কিন্তু এই গঠনতন্ত্র অনুমোদন না করতে এনএসসি এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন বিসিবির সাবেক পরিচালক ও স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন।

গঠনতন্ত্র অনুমোদন না করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, মন্ত্রণালয়ের সচিব, এনএসসি, এনএসসির চেয়ারম্যান ও এনএসসির সচিব বরাবর আইনি নোটিশ দিয়ে মোবাশ্বের জানিয়েছেন, ‘২ অক্টোবর বিসিবির ইজিএমে গঠনতন্ত্রে যে সংশোধনী আনা হয়েছে, সেটি যেন অনুমোদন করা না হয়।’

কেন এই আইনি নোটিশ, সেটির ব্যাখ্যায় প্রথম আলোকে মোবাশ্বের বলেছেন, ‘আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা মনে করি এসব অবৈধ। এর আগে শোকজ করা হয়েছে এনএসসিকে। এই শোকজের নিষ্পত্তি না হওয়ার আগে আমরা বলছি বিসিবির কোনো কিছু অনুমোদন করা যাবে না। বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পরিষদ, কাউন্সিলর বৈধ নাকি অবৈধ, এটার নিষ্পত্তি হয়নি। এটার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এনএসসি যাতে কিছু অনুমোদন না করে, সে কারণেই আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে।’
যদি এনএসসি ২০১৭ সালের সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুমোদন দেয়, তবে আবারও আইনি ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন মোবাশ্বের, ‘এনএসসি সরকারি প্রতিষ্ঠান। সরকারি প্রতিষ্ঠান অবৈধ কাজ করলে সেটিতে রেহাই নেই। আইনানুযায়ী তারা এটি করতে পারে না। চার সপ্তাহের মধ্যে শোকজের ব্যাপারে বক্তব্য না দেওয়া পর্যন্ত তারা এটা করতে পারে না। এরপরও যদি তারা অনুমোদন দেয়, দিক। দিলে ফাঁসবে। চার সপ্তাহ পর তারা কি বলতে পারবে, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট এটাকে বৈধ বলেছেন?’

বিসিবির ২ অক্টোবরের এজিএম ও ইজিএম ডাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত মাসে একটি রিট আবেদন করা হয়। পরে শুনানি শেষে গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ এক আদেশ দেন। বিসিবি ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কৌঁসুলি ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একরামুল হক টুটুল তখন জানান, ২ অক্টোবর বিসিবির এজিএম ও ইজিএমের ওপর কোনো স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়নি। ফলে এজিএম ও ইজিএম অনুষ্ঠানে আইনগত কোনো বাধা নেই।
কাল বিসিবি এজিএম-ইজিএম করে সংশোধনী আনে গঠনতন্ত্রে। সেটা অনুমোদন না দিতেই এনএসসি এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে আইনি নোটিশ দিয়েছেন মোবাশ্বের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদির দুই বিমানবন্দরে হুতি হামলায় নিহত ৩, আহত ৩৬

বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুমোদন না দেওয়ার আইনি নোটিশ

আপডেট সময় ১০:১১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

কাল বিসিবির বিশেষ সাধারণ সভায় কোনো বিরোধিতা ছাড়াই পাস হয়েছে বিসিবির সংশোধনী গঠনতন্ত্র। এখন এটা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি)। কিন্তু এই গঠনতন্ত্র অনুমোদন না করতে এনএসসি এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন বিসিবির সাবেক পরিচালক ও স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন।

গঠনতন্ত্র অনুমোদন না করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, মন্ত্রণালয়ের সচিব, এনএসসি, এনএসসির চেয়ারম্যান ও এনএসসির সচিব বরাবর আইনি নোটিশ দিয়ে মোবাশ্বের জানিয়েছেন, ‘২ অক্টোবর বিসিবির ইজিএমে গঠনতন্ত্রে যে সংশোধনী আনা হয়েছে, সেটি যেন অনুমোদন করা না হয়।’

কেন এই আইনি নোটিশ, সেটির ব্যাখ্যায় প্রথম আলোকে মোবাশ্বের বলেছেন, ‘আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা মনে করি এসব অবৈধ। এর আগে শোকজ করা হয়েছে এনএসসিকে। এই শোকজের নিষ্পত্তি না হওয়ার আগে আমরা বলছি বিসিবির কোনো কিছু অনুমোদন করা যাবে না। বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পরিষদ, কাউন্সিলর বৈধ নাকি অবৈধ, এটার নিষ্পত্তি হয়নি। এটার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এনএসসি যাতে কিছু অনুমোদন না করে, সে কারণেই আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে।’
যদি এনএসসি ২০১৭ সালের সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুমোদন দেয়, তবে আবারও আইনি ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন মোবাশ্বের, ‘এনএসসি সরকারি প্রতিষ্ঠান। সরকারি প্রতিষ্ঠান অবৈধ কাজ করলে সেটিতে রেহাই নেই। আইনানুযায়ী তারা এটি করতে পারে না। চার সপ্তাহের মধ্যে শোকজের ব্যাপারে বক্তব্য না দেওয়া পর্যন্ত তারা এটা করতে পারে না। এরপরও যদি তারা অনুমোদন দেয়, দিক। দিলে ফাঁসবে। চার সপ্তাহ পর তারা কি বলতে পারবে, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট এটাকে বৈধ বলেছেন?’

বিসিবির ২ অক্টোবরের এজিএম ও ইজিএম ডাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত মাসে একটি রিট আবেদন করা হয়। পরে শুনানি শেষে গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ এক আদেশ দেন। বিসিবি ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কৌঁসুলি ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একরামুল হক টুটুল তখন জানান, ২ অক্টোবর বিসিবির এজিএম ও ইজিএমের ওপর কোনো স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়নি। ফলে এজিএম ও ইজিএম অনুষ্ঠানে আইনগত কোনো বাধা নেই।
কাল বিসিবি এজিএম-ইজিএম করে সংশোধনী আনে গঠনতন্ত্রে। সেটা অনুমোদন না দিতেই এনএসসি এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে আইনি নোটিশ দিয়েছেন মোবাশ্বের।