ঢাকা ০১:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রাখাইনে আগুনে পোড়া গ্রাম দেখলেন ২০ দেশের কূটনীতিকরা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বাড়ির পর বাড়ি, গ্রামের পর গ্রাম পুড়ে মিশে আছে মাটির সঙ্গে। কোনো জনমানব নেই সেখানে। ২০টি দেশের কূটনীতিকরা এ দৃশ্য দেখলেন মিয়ানমারের রাখাইনে। এরপর তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, রাখাইনে সহিংসতা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

মিয়ানমার সরকারের আমন্ত্রণে সোমবার ওই কূটনীতিকরা রাখাইনের উত্তরাঞ্চল সফরে যান। সেখানে মংডু ও রাথেডাং এলাকা সফর করেন তারা। এরপর তারা যৌথ বিবৃতিতে বলেন, আমরা সেখানে গ্রামের পর গ্রাম দেখেছি পুড়ে মাটির সঙ্গে মিশে আছে। সেখানে কোনো মানুষজন নেই।

কোনো বৈষম্য না রেখে সব মানুষকে রক্ষা করতে বাধ্যবাধকতা রয়েছে মিয়ানমারের নিরাপত্তারক্ষীদের। সব রকম অগ্নিসংযোগ প্রতিরোধেও তারা পদক্ষেপ নিতে বাধ্য। একই বিবৃতিতে তারা ২৫ শে আগস্ট পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ওপর আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মির (আরসা) হামলার নিন্দা জানান। সহিংসতা ও তারপর থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়ায় এতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা। ওই বিবৃতিতে বলা হয়, কূটনীতিকদের ওই সফর কোনো অনুসন্ধানী মিশন ছিল না।

মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে অভিযোগ করা হয়েছে তা নির্ধারণ করবেন বিশেষজ্ঞরা। এতে বলা হয়, মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সুচির মানবাধিকারি লঙ্ঘনের বিষয়টি কঠোর ন্যায় বিচারের আদর্শ অনুসরণ করে দেখার যে প্রতিশ্রুতি তাকে স্বাগত জানাই আমরা। পাশাপাশি ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেসব অভিযোগ করা হয়েছে তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে অপরাধীদের বিচার করার জন্য আমরা মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই। একই সঙ্গে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনকে রাখাইন সফর করার অনুমতি দেয়ার জন্য আহ্বান জানাই আমরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রাখাইনে আগুনে পোড়া গ্রাম দেখলেন ২০ দেশের কূটনীতিকরা

আপডেট সময় ০৫:১৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বাড়ির পর বাড়ি, গ্রামের পর গ্রাম পুড়ে মিশে আছে মাটির সঙ্গে। কোনো জনমানব নেই সেখানে। ২০টি দেশের কূটনীতিকরা এ দৃশ্য দেখলেন মিয়ানমারের রাখাইনে। এরপর তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, রাখাইনে সহিংসতা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

মিয়ানমার সরকারের আমন্ত্রণে সোমবার ওই কূটনীতিকরা রাখাইনের উত্তরাঞ্চল সফরে যান। সেখানে মংডু ও রাথেডাং এলাকা সফর করেন তারা। এরপর তারা যৌথ বিবৃতিতে বলেন, আমরা সেখানে গ্রামের পর গ্রাম দেখেছি পুড়ে মাটির সঙ্গে মিশে আছে। সেখানে কোনো মানুষজন নেই।

কোনো বৈষম্য না রেখে সব মানুষকে রক্ষা করতে বাধ্যবাধকতা রয়েছে মিয়ানমারের নিরাপত্তারক্ষীদের। সব রকম অগ্নিসংযোগ প্রতিরোধেও তারা পদক্ষেপ নিতে বাধ্য। একই বিবৃতিতে তারা ২৫ শে আগস্ট পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ওপর আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মির (আরসা) হামলার নিন্দা জানান। সহিংসতা ও তারপর থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়ায় এতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা। ওই বিবৃতিতে বলা হয়, কূটনীতিকদের ওই সফর কোনো অনুসন্ধানী মিশন ছিল না।

মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে অভিযোগ করা হয়েছে তা নির্ধারণ করবেন বিশেষজ্ঞরা। এতে বলা হয়, মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সুচির মানবাধিকারি লঙ্ঘনের বিষয়টি কঠোর ন্যায় বিচারের আদর্শ অনুসরণ করে দেখার যে প্রতিশ্রুতি তাকে স্বাগত জানাই আমরা। পাশাপাশি ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেসব অভিযোগ করা হয়েছে তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে অপরাধীদের বিচার করার জন্য আমরা মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই। একই সঙ্গে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনকে রাখাইন সফর করার অনুমতি দেয়ার জন্য আহ্বান জানাই আমরা।