ঢাকা ১২:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

টাকা দিন, না হয় যুদ্ধ বন্ধ করুন: জাতিসংঘ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে জাতিগত নির্মূল সেনা অভিযানে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য জরুরি সহায়তা হিসেবে আগামী ছয় মাসে সাড়ে ৭ কোটি ডলার প্রয়োজন জানিয়ে দাতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব খাদ্য সংস্থা।

রোববার কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় কেন্দ্র ঘুরে দেখার পর জাতিসংঘের এ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিসলি সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা মাত্র কয়েক বিলিয়ন ডলার পেলেই বিশ্ব থেকে ক্ষুধার অবসান ঘটাতে পারি। দাতাদের আমি বলছি, আপনারা যদি আমাদের ওই টাকা দিতে না পারেন, তাহলে যুদ্ধ বন্ধ করুন।”

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযানের মুখে গত ২৫ অগাস্টের পর থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এই বিপুল সংখ্যক শরণার্থীকে জন্য জরুরি মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ত্রাণকাজে থাকা সাহায্য সংস্থাগুলোর কর্মীদের।

শরণার্থী ক্যাম্প ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতা জানিয়ে ডেভিড বিসলি বলেন, “এটা ভয়াবহ এক পরিস্থিতি। এর চেয়ে খারাপ আর কিছু হতে পারে না। আগামী ছয় মাসে আমাদের দরকার অন্তত ৭৫ মিলিয়ন ডলার।”

গত ৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ জানিয়েছিল, ওই সময় পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গার জন্য সমন্বিত ত্রাণ তৎপরতায় প্রাথমিক হিসাবেই অন্তত ৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার প্রয়োজন। এর মধ্যে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ লাখ ৬৪ হাজার ডলার জোগাড় করা সম্ভব হয়েছে, যা প্রাথমিক পরিকল্পনার ৪৭ শতাংশ।

কিন্তু এই সময়ের মধ্যে নতুন আসা রোহিঙ্গাদের মিলিয়ে শরণার্থীর সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে গেছে এবং সে অনুযায়ী বেড়ে গেছে চাহিদাও। এই বিপুল জরুরি সহায়তার চাহিদা মেটাতে এখন অন্তত ২০ কোটি ডলার প্রয়োজন বলে দাতাদের জানিয়েছে জাতিসংঘ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

টাকা দিন, না হয় যুদ্ধ বন্ধ করুন: জাতিসংঘ

আপডেট সময় ০১:৫০:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে জাতিগত নির্মূল সেনা অভিযানে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য জরুরি সহায়তা হিসেবে আগামী ছয় মাসে সাড়ে ৭ কোটি ডলার প্রয়োজন জানিয়ে দাতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব খাদ্য সংস্থা।

রোববার কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় কেন্দ্র ঘুরে দেখার পর জাতিসংঘের এ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিসলি সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা মাত্র কয়েক বিলিয়ন ডলার পেলেই বিশ্ব থেকে ক্ষুধার অবসান ঘটাতে পারি। দাতাদের আমি বলছি, আপনারা যদি আমাদের ওই টাকা দিতে না পারেন, তাহলে যুদ্ধ বন্ধ করুন।”

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযানের মুখে গত ২৫ অগাস্টের পর থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এই বিপুল সংখ্যক শরণার্থীকে জন্য জরুরি মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ত্রাণকাজে থাকা সাহায্য সংস্থাগুলোর কর্মীদের।

শরণার্থী ক্যাম্প ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতা জানিয়ে ডেভিড বিসলি বলেন, “এটা ভয়াবহ এক পরিস্থিতি। এর চেয়ে খারাপ আর কিছু হতে পারে না। আগামী ছয় মাসে আমাদের দরকার অন্তত ৭৫ মিলিয়ন ডলার।”

গত ৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ জানিয়েছিল, ওই সময় পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গার জন্য সমন্বিত ত্রাণ তৎপরতায় প্রাথমিক হিসাবেই অন্তত ৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার প্রয়োজন। এর মধ্যে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ লাখ ৬৪ হাজার ডলার জোগাড় করা সম্ভব হয়েছে, যা প্রাথমিক পরিকল্পনার ৪৭ শতাংশ।

কিন্তু এই সময়ের মধ্যে নতুন আসা রোহিঙ্গাদের মিলিয়ে শরণার্থীর সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে গেছে এবং সে অনুযায়ী বেড়ে গেছে চাহিদাও। এই বিপুল জরুরি সহায়তার চাহিদা মেটাতে এখন অন্তত ২০ কোটি ডলার প্রয়োজন বলে দাতাদের জানিয়েছে জাতিসংঘ।