ঢাকা ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

রোহিঙ্গা ইস্যুতে সারাবিশ্বকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে বলল ইরান

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাহরাম কাসেমি বলেছেন, রোহিঙ্গাদের নিজদেশে ফিরিয়ে নেওয়া ও তাদের ওপর হতাযজ্ঞ , নির্বিচারে গণধর্ষণ, তাদের বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট বন্ধে দেশটিকে আন্তর্জাতিক দাবি মেনে নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। তেহরান টাইমস

ইরান গত কয়েক দশক ধরে মিয়ানমারে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্যাতন, সহিংসতা ও বর্তমানে তাদের ওপর এধরনের নির্যাতন অব্যাহত রাখার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, মিয়ানমারে এধরনের রোহিঙ্গাদের হত্যাযজ্ঞ এক জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। এসব ঘটনা এখন মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত হতে পারে। মিয়ানমার সরকার অব্যাহতভাবে এ ধরনের হত্যাযজ্ঞ বন্ধ ও রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আন্তর্জাতিক দাবি প্রত্যাখান করছে তা গ্রহণযোগ্য নয়। মিয়ানমার সরকার রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ত্রাণ পাঠাতে পর্যন্ত দিচ্ছে না। নিজ দেশ ছেড়ে রোহিঙ্গা মুসলমানরা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, তাদের সংখ্যা ৫ লক্ষাধিক ছাড়িয়ে গেছে।

কাশেমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান এবং তাদের ত্রাণ পাঠানোর পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধন বন্ধে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টির কথা বলেন।

ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, রাখাইন অঞ্চলে রোহিঙ্গাদের ইরান ত্রাণ দিতে গেলে মিয়ানমার অনুমতি দেয়নি। তারা বৌদ্ধ অধ্যুষিত দেশটিতে দশকের পর দশক মৌলিক অধিকার বঞ্চিত হয়ে আসছে। মিয়ানমার সরকার তাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নিয়েছে।

তেহরান টাইমসএর এ প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে রোহিঙ্গারা আশ্রয় নিলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও বৃষ্টিতে তারা দুর্যোগে পড়েছেন। অনেক রোহিঙ্গা নৌকা ডুবিতে প্রাণ হারাচ্ছে। তারা জঙ্গলে অনাহারে বাংলাদেশে আশ্রয়ের জন্যে অপেক্ষা করছে। শিশুরা মারা যাচ্ছে। রোহিঙ্গাদের বাড়ি ঘরে লুটপাট এমনকি পশু পর্যন্ত কেড়ে নিয়ে যাচ্ছে মিয়ানমারের সেনা ও অস্ত্রধারী বৌদ্ধরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা ইস্যুতে সারাবিশ্বকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে বলল ইরান

আপডেট সময় ০১:৪৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাহরাম কাসেমি বলেছেন, রোহিঙ্গাদের নিজদেশে ফিরিয়ে নেওয়া ও তাদের ওপর হতাযজ্ঞ , নির্বিচারে গণধর্ষণ, তাদের বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট বন্ধে দেশটিকে আন্তর্জাতিক দাবি মেনে নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। তেহরান টাইমস

ইরান গত কয়েক দশক ধরে মিয়ানমারে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্যাতন, সহিংসতা ও বর্তমানে তাদের ওপর এধরনের নির্যাতন অব্যাহত রাখার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, মিয়ানমারে এধরনের রোহিঙ্গাদের হত্যাযজ্ঞ এক জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। এসব ঘটনা এখন মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত হতে পারে। মিয়ানমার সরকার অব্যাহতভাবে এ ধরনের হত্যাযজ্ঞ বন্ধ ও রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আন্তর্জাতিক দাবি প্রত্যাখান করছে তা গ্রহণযোগ্য নয়। মিয়ানমার সরকার রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ত্রাণ পাঠাতে পর্যন্ত দিচ্ছে না। নিজ দেশ ছেড়ে রোহিঙ্গা মুসলমানরা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, তাদের সংখ্যা ৫ লক্ষাধিক ছাড়িয়ে গেছে।

কাশেমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান এবং তাদের ত্রাণ পাঠানোর পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধন বন্ধে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টির কথা বলেন।

ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, রাখাইন অঞ্চলে রোহিঙ্গাদের ইরান ত্রাণ দিতে গেলে মিয়ানমার অনুমতি দেয়নি। তারা বৌদ্ধ অধ্যুষিত দেশটিতে দশকের পর দশক মৌলিক অধিকার বঞ্চিত হয়ে আসছে। মিয়ানমার সরকার তাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নিয়েছে।

তেহরান টাইমসএর এ প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে রোহিঙ্গারা আশ্রয় নিলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও বৃষ্টিতে তারা দুর্যোগে পড়েছেন। অনেক রোহিঙ্গা নৌকা ডুবিতে প্রাণ হারাচ্ছে। তারা জঙ্গলে অনাহারে বাংলাদেশে আশ্রয়ের জন্যে অপেক্ষা করছে। শিশুরা মারা যাচ্ছে। রোহিঙ্গাদের বাড়ি ঘরে লুটপাট এমনকি পশু পর্যন্ত কেড়ে নিয়ে যাচ্ছে মিয়ানমারের সেনা ও অস্ত্রধারী বৌদ্ধরা।