অাকাশ নিউজ ডেস্ক:
পরিত্যক্ত গোডাউনে নিয়ে এক পোশাক শ্রমিক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে চার বখাটে। তার চিৎকারে স্থানীয়রা উদ্ধার করে নিয়ে যায় স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে। তিনি মামলায় না জড়ানোর পরামর্শ দিলে স্থানীয় ইউপি সদস্য তাকে ৫০০ টাকা দিয়ে রিকশায় তুলে দেন। অবশেষে চারদিন পর ওই তরুণীকে উদ্ধার করেছে আশুলিয়া পুলিশ।
জানা যায়, নওগাঁর বাসিন্দা ওই তরুণী সাভারে ভাড়া বাসায় থেকে উলাইল প্রতিক নামে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। গত শুক্রবার ২২ সেপ্টেম্বর ঢাকার অদুরে আশুলিয়া এলাকার দোসাইদ ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন র্যাংগস গ্রুপের পরিত্যক্ত গোডাউনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন ওই তরুণী।
আশুলিয়া থানায় দায়ের করা মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে দোসাইদ এলাকার হযরত আলী ভূঁইয়ার ছেলে ইস্রারাফিল ও আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে শরিফুল বেড়ানোর কথা বলে ওই তরুণীকে ডেকে নিয়ে যায়। র্যাংগস গ্রুপের পরিত্যক্ত গোডাউনে নিয়ে সেখানকার নিরাপত্তা কর্মী জাহাঙ্গীর ও পলাশের সহযোগিতায় ওই নারী শ্রমিককে ধর্ষণ করে তারা।
সে সময় ধর্ষিতার চিৎকারে স্থানীয়রা ওই তরুণীকে উদ্ধার করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিনের কাছে নিয়ে যায়। তবে চেয়ারম্যান কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করে ধর্ষিতাকে মামলার ঝামেলায় না জড়ানোর ভয় দেখিয়ে চলে যেতে বলেন। চেয়ারম্যানের নির্দেশে সে সময় উপস্থিত হোসেন আলী মেম্বার ওই তরুণীর হাতে ৫০০ টাকা দিয়ে রিকশায় তুলে দেন।
ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী ভয়ে তড়িঘড়ি করে আশুলিয়া থেকে পালিয়ে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন।
এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে পুলিশ ওই তরুণীর খোঁজ শুরু করে। পরে ২৬ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকালে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ওই তরুণীকে উদ্ধার করেন।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন জানান, তরুণী ও তার স্বজনকে মুঠোফোনে তিনি বিষয়টি জানান। তারা থানায় অভিযোগ করতে রাজি না থাকায় তরুণীকে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল বলেন, গণমাধ্যমে মাধ্যমে জানতে পেরে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। থানায় পুলিশের উধ্বর্তন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন তিনি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























