ঢাকা ০১:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে এবার ৪র্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।

এর আগে তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে ব্যক্তিগত কোচিংয়ে পড়তে বাধ্য করা, কোচিং না করলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিরূপ আচারণ, ফলাফলে প্রভাব বিস্তার, কোচিংয়ে পড়ানোর সময় একাধিক ছাত্রীর সঙ্গে খাপছাড়া আচরণ ছাড়াও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ রয়েছে।

চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন হয়রানির বিষয়ে জানা যায়, ভুক্তভোগী ছাত্রী ৩১ অক্টোবর সকাল ৮টায় শহিদ মঞ্জু সড়কে অবস্থিত শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলামের বাসায় কোচিংয়ে পড়তে যায়। সে বান্ধবীদের সঙ্গে একসঙ্গে পড়তে বসে। কিন্তু শিক্ষক রফিকুল ইসলাম এক ছাত্রীকে উঠিয়ে দিয়ে তার সঙ্গে শরীর ঘেঁষে বসেন। পড়ানোর মধ্যে তিনি খাপছাড়া আচারণ করেন। শিক্ষকের অনৈতিক আচরণের বিষয়টি ভুক্তভোগী তার মা-বাবাকে জানায়।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা ওই দিনই উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে বিচার চেয়ে আবেদন জমা দেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ সত্য নয়, আমি ষড়যন্ত্রের শিকার।

উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোফাজ্জল হোসেন খান বলেন, একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এমন আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক এবং লজ্জাকর। এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ আগেও শোনা গেছে। এ ঘটনার তদন্ত চলছে, তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পত্র দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম স্বীকার করেছেন- এক ছাত্রীর হাত সরাতে গিয়ে তার সঙ্গে আরেক ছাত্রীর কাঁধ লেগেছিল।

পৌর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একেএম মাজহারুল আনোয়ার ফেরদৌস বলেন, আমি ওই ছাত্রীর বাবার সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। এর আগেও এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ ছিল।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মারুফ বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৯:২৬:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে এবার ৪র্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।

এর আগে তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে ব্যক্তিগত কোচিংয়ে পড়তে বাধ্য করা, কোচিং না করলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিরূপ আচারণ, ফলাফলে প্রভাব বিস্তার, কোচিংয়ে পড়ানোর সময় একাধিক ছাত্রীর সঙ্গে খাপছাড়া আচরণ ছাড়াও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ রয়েছে।

চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন হয়রানির বিষয়ে জানা যায়, ভুক্তভোগী ছাত্রী ৩১ অক্টোবর সকাল ৮টায় শহিদ মঞ্জু সড়কে অবস্থিত শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলামের বাসায় কোচিংয়ে পড়তে যায়। সে বান্ধবীদের সঙ্গে একসঙ্গে পড়তে বসে। কিন্তু শিক্ষক রফিকুল ইসলাম এক ছাত্রীকে উঠিয়ে দিয়ে তার সঙ্গে শরীর ঘেঁষে বসেন। পড়ানোর মধ্যে তিনি খাপছাড়া আচারণ করেন। শিক্ষকের অনৈতিক আচরণের বিষয়টি ভুক্তভোগী তার মা-বাবাকে জানায়।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা ওই দিনই উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে বিচার চেয়ে আবেদন জমা দেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ সত্য নয়, আমি ষড়যন্ত্রের শিকার।

উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোফাজ্জল হোসেন খান বলেন, একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এমন আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক এবং লজ্জাকর। এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ আগেও শোনা গেছে। এ ঘটনার তদন্ত চলছে, তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পত্র দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম স্বীকার করেছেন- এক ছাত্রীর হাত সরাতে গিয়ে তার সঙ্গে আরেক ছাত্রীর কাঁধ লেগেছিল।

পৌর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একেএম মাজহারুল আনোয়ার ফেরদৌস বলেন, আমি ওই ছাত্রীর বাবার সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। এর আগেও এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ ছিল।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মারুফ বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।