ঢাকা ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ছোট কোয়ান্টাম কম্পিউটারে বিপ্লব

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

কোয়ান্টাম কম্পিউটার নিয়ে কাজ করছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি সেবা ও পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের বেশ কয়েকটি। এরই মধ্যে যুক্তরাজ্যের স্টার্টআপ ‘অর্কা কম্পিউটিং’ বিশ্বের সবচেয়ে ছোট কোয়ান্টাম কম্পিউটারগুলোর একটি বানিয়েছে। স্টার্টআপটির প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর আয়ান ওয়াল্মস্লি দাবি করছেন, তাদের যুগান্তকারী নির্মাণ পদ্ধতি কোয়ান্টাম কম্পিউটারের বাণিজ্যিকায়নের পথ আরও সহজ করবে। চলতি বছরেই কম্পিউটার শিল্পের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিজেদের ডিভাইসটি দেখানোর পরিকল্পনা করেছেন অর্কার প্রধান নির্বাহী রিচার্ড মারি।

গুগল ও আইবিএমের নির্মাণ প্রক্রিয়ায় কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ‘বিল্ডিং ব্লক’ হিসাবে পরিচিত কিউবিটের তাপমাত্রা নামিয়ে আনতে হয় শূন্যের ঘরে। এতে বাড়ে কারিগরি জটিলতা ও খরচ। নির্মাণ প্রক্রিয়ার বিবেচনায় বাজারের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর উল্টো পথে হাঁটছে অর্কা কম্পিউটিং। আর দশটি সার্ভার কেবিনেটের মতোই দেখতে অর্কার তৈরি কোয়ান্টাম কম্পিউটার।

অন্য কোয়ান্টাম কম্পিউটারের সঙ্গে এর পার্থক্য নিয়ে প্রধান নির্বাহী মারি বলেন, ‘প্রথমত, এটা ক্রায়োজেনিকালি ঠাণ্ডা করতে হয় না, ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রাতে চলে এটি। দেখতেও সাধারণ র‌্যাক মাউন্টেড কম্পিউটারের মতো। আমাদের পদ্ধতিটি একটি করে ফোটন ব্যবহার করে, অর্থাৎ আলোর একটি ইউনিট। আর একটি করে ফোটন ব্যবহারের সুবিধা হলো বাইরের পরিবেশে হস্তক্ষেপ করে না এটি।’

কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের প্রত্যাশা, একদিন প্রচলিত কম্পিউটার সিস্টেমের সব সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে পারবে কোয়ান্টাম কম্পিউটার; জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিয়ে গবেষণা আর নতুন নতুন ওষুধের আবিষ্কারে ভূমিকা রাখবে এটি।

কিন্তু এ প্রশ্নগুলোর উত্তর কোয়ান্টাম কম্পিউটারের মাধ্যমে খুঁজতে গেলে প্রয়োজন পড়বে কয়েক লাখ কিউবিটের। কিন্তু অর্কা কম্পিউটিংয়ের তৈরি কোয়ান্টাম কম্পিউটারে আছে মাত্র চারটি কিউবিট। আগামী দুই বছরের মধ্যে কিউবিটের সংখ্যা বাড়িয়ে কম্পিউটারের আকার ও ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হবে বলে দাবি করছে প্রতিষ্ঠানটি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ছোট কোয়ান্টাম কম্পিউটারে বিপ্লব

আপডেট সময় ১০:০৩:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অক্টোবর ২০২১

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

কোয়ান্টাম কম্পিউটার নিয়ে কাজ করছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি সেবা ও পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের বেশ কয়েকটি। এরই মধ্যে যুক্তরাজ্যের স্টার্টআপ ‘অর্কা কম্পিউটিং’ বিশ্বের সবচেয়ে ছোট কোয়ান্টাম কম্পিউটারগুলোর একটি বানিয়েছে। স্টার্টআপটির প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর আয়ান ওয়াল্মস্লি দাবি করছেন, তাদের যুগান্তকারী নির্মাণ পদ্ধতি কোয়ান্টাম কম্পিউটারের বাণিজ্যিকায়নের পথ আরও সহজ করবে। চলতি বছরেই কম্পিউটার শিল্পের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিজেদের ডিভাইসটি দেখানোর পরিকল্পনা করেছেন অর্কার প্রধান নির্বাহী রিচার্ড মারি।

গুগল ও আইবিএমের নির্মাণ প্রক্রিয়ায় কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ‘বিল্ডিং ব্লক’ হিসাবে পরিচিত কিউবিটের তাপমাত্রা নামিয়ে আনতে হয় শূন্যের ঘরে। এতে বাড়ে কারিগরি জটিলতা ও খরচ। নির্মাণ প্রক্রিয়ার বিবেচনায় বাজারের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর উল্টো পথে হাঁটছে অর্কা কম্পিউটিং। আর দশটি সার্ভার কেবিনেটের মতোই দেখতে অর্কার তৈরি কোয়ান্টাম কম্পিউটার।

অন্য কোয়ান্টাম কম্পিউটারের সঙ্গে এর পার্থক্য নিয়ে প্রধান নির্বাহী মারি বলেন, ‘প্রথমত, এটা ক্রায়োজেনিকালি ঠাণ্ডা করতে হয় না, ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রাতে চলে এটি। দেখতেও সাধারণ র‌্যাক মাউন্টেড কম্পিউটারের মতো। আমাদের পদ্ধতিটি একটি করে ফোটন ব্যবহার করে, অর্থাৎ আলোর একটি ইউনিট। আর একটি করে ফোটন ব্যবহারের সুবিধা হলো বাইরের পরিবেশে হস্তক্ষেপ করে না এটি।’

কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের প্রত্যাশা, একদিন প্রচলিত কম্পিউটার সিস্টেমের সব সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে পারবে কোয়ান্টাম কম্পিউটার; জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিয়ে গবেষণা আর নতুন নতুন ওষুধের আবিষ্কারে ভূমিকা রাখবে এটি।

কিন্তু এ প্রশ্নগুলোর উত্তর কোয়ান্টাম কম্পিউটারের মাধ্যমে খুঁজতে গেলে প্রয়োজন পড়বে কয়েক লাখ কিউবিটের। কিন্তু অর্কা কম্পিউটিংয়ের তৈরি কোয়ান্টাম কম্পিউটারে আছে মাত্র চারটি কিউবিট। আগামী দুই বছরের মধ্যে কিউবিটের সংখ্যা বাড়িয়ে কম্পিউটারের আকার ও ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হবে বলে দাবি করছে প্রতিষ্ঠানটি।