ঢাকা ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

সামনে বসা নিয়ে রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীর তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ছাড়ায় বর্ধিত সভার আয়োজন করে এমপির অনুসারীরা। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী মনোনয়ন দিতে এ সভার আহ্বান করা হয়।

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ডাকা না হলেও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন সভাস্থলে গেলে এমপির অনুসারীরা তাদের ওপর চড়াও হয়। এরপর দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তানোর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বর্ষিত সভা শুরু হয় আজ শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে। জেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা বক্তব্য দেন। তবে মঞ্চে সামনের সারিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনকে বসতে দেননি এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর অনুসারীরা। এনিয়ে মামুনের সমর্থকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এরই এক পর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সভাস্থলে চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। শুরু হয় ইট পাটকেল নিক্ষেপ। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকে মিলনায়তনের পাশের বাড়িতে আশ্রয় নিতে দেখা যায়।

প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষ পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আসলে সভাস্থলে আসেন স্থানীয় এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী। এরপর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ছাড়াই শুরু হয় বর্ধিত সভা। সভা শেষে ভাঙচুরের ঘটনার জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনকে দায়ী করেন স্থানীয় এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী।

তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান জানান, আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনার পর পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।

সভা শেষে উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পঙ্কজ দেবনাথ ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানকে সঙ্গে নিয়ে চেয়ারম্যানের দফতরে বৈঠক করেন এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী। এরপর ভাঙচুরের ঘটনায় দুই আওয়ামী লীগ নেতাসহ তাদের অনুসারীদের নামে মামলার নির্দেশ দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সামনে বসা নিয়ে রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ

আপডেট সময় ০৯:০৫:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীর তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ছাড়ায় বর্ধিত সভার আয়োজন করে এমপির অনুসারীরা। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী মনোনয়ন দিতে এ সভার আহ্বান করা হয়।

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ডাকা না হলেও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন সভাস্থলে গেলে এমপির অনুসারীরা তাদের ওপর চড়াও হয়। এরপর দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তানোর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বর্ষিত সভা শুরু হয় আজ শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে। জেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা বক্তব্য দেন। তবে মঞ্চে সামনের সারিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনকে বসতে দেননি এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর অনুসারীরা। এনিয়ে মামুনের সমর্থকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এরই এক পর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সভাস্থলে চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। শুরু হয় ইট পাটকেল নিক্ষেপ। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকে মিলনায়তনের পাশের বাড়িতে আশ্রয় নিতে দেখা যায়।

প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষ পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আসলে সভাস্থলে আসেন স্থানীয় এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী। এরপর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ছাড়াই শুরু হয় বর্ধিত সভা। সভা শেষে ভাঙচুরের ঘটনার জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনকে দায়ী করেন স্থানীয় এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী।

তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান জানান, আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনার পর পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।

সভা শেষে উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পঙ্কজ দেবনাথ ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানকে সঙ্গে নিয়ে চেয়ারম্যানের দফতরে বৈঠক করেন এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী। এরপর ভাঙচুরের ঘটনায় দুই আওয়ামী লীগ নেতাসহ তাদের অনুসারীদের নামে মামলার নির্দেশ দেন।