ঢাকা ০৮:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্প্রীতি বজায় রেখে নেতাদের রাজনীতি করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির

মানসিক ক্ষতি বাড়াচ্ছে স্মার্টফোনে আসক্তি

অাকাশ আইসিটি ডেস্ক:

প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় গোটা বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়। আপনার হাতে স্মার্টফোর অার ইন্টারনেট সংযোগ থাকা মানে মুহূর্তেই আপনি চষে বেড়াতে পারেন গোটা পৃথিবী। কিন্তু এই স্মার্টফোনের যেমন নানাবিধ সুবিধা রয়েছে। তেমনি অতিমাত্রায় স্মার্টফোনের উপর নির্ভরতা আপনাকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে দিতে পারে।

সম্প্রতি স্মার্টফোনের উপর এক গবেষণায় দেখা গেছে, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সারাক্ষণ স্মার্টফোনের দিকে তাকিয়ে থাকার প্রবণতা বাড়ছে। এতে তারা হাতের মুঠোয় সারা বিশ্বের জ্ঞান নিয়ে আসতে পারছে ঠিকই, কিন্তু তাদের মানসিক ক্ষতিও বাড়ছে। এগুলো মস্তিষ্কের ক্ষমতা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সৃজনশীলতাকে হ্রাস করছে।

গবেষকরা বলছেন, মানুষের মস্তিষ্কের মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা সীমিত। মস্তিষ্কের বেশিরভাগ মনোযোগ যদি ফোনের পেছনে থাকে, তাহলে অন্যান্য কাজের প্রতি মনোযোগ কমে যায়, ফলে সেসব কাজে দক্ষতা কমে। দৃষ্টিসীমার মাঝে একটি ফোন থাকা মানেই মনোযোগ কমে যাবে। মানুষ ছোটখাট কাজ করতে ব্যর্থ হবেন এবং স্মৃতিশক্তি কমে যাবে। ফোন পকেটে, ব্যাগে এমনকি পাশের ঘরে থাকলে মনোযোগে এত ব্যাঘাত ঘটে না।

৫২০ জন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীর উপর গবেষণাটি করা হয়। যেখানে ফোনের আশেপাশে থাকা অবস্থায় তাদের বুদ্ধি এবং স্মৃতির পরীক্ষা করা হয়। ম্যাথেম্যাটিকস, স্মৃতি এবং যুক্তির ওপর নির্ভর করে কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন তারা।

গবেষণার লেখক ডক্টর অ্যাড্রিয়ান ওয়ার্ড বলেন, যারা নিজেরাই বলেন, তারা ফোনের ওপর নির্ভরশীল, তাদের ক্ষেত্রে এই প্রভাব বেশি হতে দেখা যায়। তারা নিজেদের মনোযোগ ফোন থেকে দূরে রাখার জন্যও অনেকটা শক্তি খরচ করেন, ফলে পরীক্ষা দিতে গিয়ে তাদের ফল খারাপ হয়। একে তিনি ‘ব্রেইন ড্রেইন’ বলে অভিহিত করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মানসিক ক্ষতি বাড়াচ্ছে স্মার্টফোনে আসক্তি

আপডেট সময় ০৩:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আইসিটি ডেস্ক:

প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় গোটা বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়। আপনার হাতে স্মার্টফোর অার ইন্টারনেট সংযোগ থাকা মানে মুহূর্তেই আপনি চষে বেড়াতে পারেন গোটা পৃথিবী। কিন্তু এই স্মার্টফোনের যেমন নানাবিধ সুবিধা রয়েছে। তেমনি অতিমাত্রায় স্মার্টফোনের উপর নির্ভরতা আপনাকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে দিতে পারে।

সম্প্রতি স্মার্টফোনের উপর এক গবেষণায় দেখা গেছে, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সারাক্ষণ স্মার্টফোনের দিকে তাকিয়ে থাকার প্রবণতা বাড়ছে। এতে তারা হাতের মুঠোয় সারা বিশ্বের জ্ঞান নিয়ে আসতে পারছে ঠিকই, কিন্তু তাদের মানসিক ক্ষতিও বাড়ছে। এগুলো মস্তিষ্কের ক্ষমতা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সৃজনশীলতাকে হ্রাস করছে।

গবেষকরা বলছেন, মানুষের মস্তিষ্কের মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা সীমিত। মস্তিষ্কের বেশিরভাগ মনোযোগ যদি ফোনের পেছনে থাকে, তাহলে অন্যান্য কাজের প্রতি মনোযোগ কমে যায়, ফলে সেসব কাজে দক্ষতা কমে। দৃষ্টিসীমার মাঝে একটি ফোন থাকা মানেই মনোযোগ কমে যাবে। মানুষ ছোটখাট কাজ করতে ব্যর্থ হবেন এবং স্মৃতিশক্তি কমে যাবে। ফোন পকেটে, ব্যাগে এমনকি পাশের ঘরে থাকলে মনোযোগে এত ব্যাঘাত ঘটে না।

৫২০ জন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীর উপর গবেষণাটি করা হয়। যেখানে ফোনের আশেপাশে থাকা অবস্থায় তাদের বুদ্ধি এবং স্মৃতির পরীক্ষা করা হয়। ম্যাথেম্যাটিকস, স্মৃতি এবং যুক্তির ওপর নির্ভর করে কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন তারা।

গবেষণার লেখক ডক্টর অ্যাড্রিয়ান ওয়ার্ড বলেন, যারা নিজেরাই বলেন, তারা ফোনের ওপর নির্ভরশীল, তাদের ক্ষেত্রে এই প্রভাব বেশি হতে দেখা যায়। তারা নিজেদের মনোযোগ ফোন থেকে দূরে রাখার জন্যও অনেকটা শক্তি খরচ করেন, ফলে পরীক্ষা দিতে গিয়ে তাদের ফল খারাপ হয়। একে তিনি ‘ব্রেইন ড্রেইন’ বলে অভিহিত করেন।