ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি আরো বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে, নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক দুর্বৃত্ত ঢুকে গেছে: ড. বদিউল আলম ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

শেষ পর্যন্ত বন্ধই থাকছে পোশাক কারখানা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকার কঠোর লকডাউন (বিধিনিষেধ) ঘোষণা করার পর থেকে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ী নেতারা কারখানা খোলা রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু মহামারি করোনা মোকাবিলায় এবার সরকার কঠিন অবস্থান নিয়েছে।

ফলে লকডাউনের পুরো সময় ৫ আগস্ট পর্যন্ত তৈরি পোশাক ও বস্ত্র কারখানা বন্ধই থাকছে।

এদিকে টানা দুই সপ্তাহ কারখানা বন্ধ থাকায় নানাভাবে ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে দাবি করছেন পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে শ্রমিকনেতারা বলছেন, কারখানা বন্ধের অজুহাতে শ্রমিকের জুলাই মাসের বেতন কম দেওয়ার সুযোগ খুঁজতে পারেন অনেক কারখানার মালিক। সে রকম কিছু ঘটলে সরকারের হস্তক্ষেপ লাগবে।

চলতি বছরের এপ্রিলে সরকার বিধিনিষেধ আরোপ করলেও রপ্তানিমুখী পোশাকসহ অন্যান্য শিল্পকারখানা উৎপাদন চালানোর সুযোগ পায়।

সর্বশেষ গত ২৮ জুন শুরু হওয়া সীমিত ও পরে ১ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধেও পোশাকসহ অন্যান্য শিল্পকারখানা চালু ছিল। তবে ২৩ জুলাই, অর্থাৎ গতকাল শুক্রবার শুরু হওয়া কঠোর বিধিনিষেধে সব ধরনের শিল্পকারখানা বন্ধ থাকবে।

শুধু চামড়া, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত, ওষুধ, অক্সিজেন ও করোনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদন বিধিনিষেধের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম

শেষ পর্যন্ত বন্ধই থাকছে পোশাক কারখানা

আপডেট সময় ০৫:১২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকার কঠোর লকডাউন (বিধিনিষেধ) ঘোষণা করার পর থেকে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ী নেতারা কারখানা খোলা রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু মহামারি করোনা মোকাবিলায় এবার সরকার কঠিন অবস্থান নিয়েছে।

ফলে লকডাউনের পুরো সময় ৫ আগস্ট পর্যন্ত তৈরি পোশাক ও বস্ত্র কারখানা বন্ধই থাকছে।

এদিকে টানা দুই সপ্তাহ কারখানা বন্ধ থাকায় নানাভাবে ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে দাবি করছেন পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে শ্রমিকনেতারা বলছেন, কারখানা বন্ধের অজুহাতে শ্রমিকের জুলাই মাসের বেতন কম দেওয়ার সুযোগ খুঁজতে পারেন অনেক কারখানার মালিক। সে রকম কিছু ঘটলে সরকারের হস্তক্ষেপ লাগবে।

চলতি বছরের এপ্রিলে সরকার বিধিনিষেধ আরোপ করলেও রপ্তানিমুখী পোশাকসহ অন্যান্য শিল্পকারখানা উৎপাদন চালানোর সুযোগ পায়।

সর্বশেষ গত ২৮ জুন শুরু হওয়া সীমিত ও পরে ১ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধেও পোশাকসহ অন্যান্য শিল্পকারখানা চালু ছিল। তবে ২৩ জুলাই, অর্থাৎ গতকাল শুক্রবার শুরু হওয়া কঠোর বিধিনিষেধে সব ধরনের শিল্পকারখানা বন্ধ থাকবে।

শুধু চামড়া, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত, ওষুধ, অক্সিজেন ও করোনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদন বিধিনিষেধের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।