ঢাকা ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প উপজেলা পরিষদে কক্ষ বরাদ্দ পাচ্ছেন সংসদ সদস্যরা, সংসদে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মা হারা কন্যার বিয়েতে গাজীপুরের ডিসি, আবেগাপ্লুত হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে মৌলভীবাজারের যুবক নিহত স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কর্তন করে হাসপাতালে স্ত্রী সংসদে গাড়ি চাইলেন হাসনাত, জামায়াত আমির বললেন, ছোটদের ‘না’ বলতে নেই অনলাইন ভ্যাট রিটার্নে অনিয়ম পেলেই ব্যবস্থা : এনবিআর চেয়ারম্যান ৪ ঘণ্টা পর জামিন পেলেন বাচ্চাসহ কারাগারে পাঠানো সেই মহিলা লীগ নেত্রী সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

শেষ পর্যন্ত বন্ধই থাকছে পোশাক কারখানা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকার কঠোর লকডাউন (বিধিনিষেধ) ঘোষণা করার পর থেকে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ী নেতারা কারখানা খোলা রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু মহামারি করোনা মোকাবিলায় এবার সরকার কঠিন অবস্থান নিয়েছে।

ফলে লকডাউনের পুরো সময় ৫ আগস্ট পর্যন্ত তৈরি পোশাক ও বস্ত্র কারখানা বন্ধই থাকছে।

এদিকে টানা দুই সপ্তাহ কারখানা বন্ধ থাকায় নানাভাবে ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে দাবি করছেন পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে শ্রমিকনেতারা বলছেন, কারখানা বন্ধের অজুহাতে শ্রমিকের জুলাই মাসের বেতন কম দেওয়ার সুযোগ খুঁজতে পারেন অনেক কারখানার মালিক। সে রকম কিছু ঘটলে সরকারের হস্তক্ষেপ লাগবে।

চলতি বছরের এপ্রিলে সরকার বিধিনিষেধ আরোপ করলেও রপ্তানিমুখী পোশাকসহ অন্যান্য শিল্পকারখানা উৎপাদন চালানোর সুযোগ পায়।

সর্বশেষ গত ২৮ জুন শুরু হওয়া সীমিত ও পরে ১ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধেও পোশাকসহ অন্যান্য শিল্পকারখানা চালু ছিল। তবে ২৩ জুলাই, অর্থাৎ গতকাল শুক্রবার শুরু হওয়া কঠোর বিধিনিষেধে সব ধরনের শিল্পকারখানা বন্ধ থাকবে।

শুধু চামড়া, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত, ওষুধ, অক্সিজেন ও করোনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদন বিধিনিষেধের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প

শেষ পর্যন্ত বন্ধই থাকছে পোশাক কারখানা

আপডেট সময় ০৫:১২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকার কঠোর লকডাউন (বিধিনিষেধ) ঘোষণা করার পর থেকে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ী নেতারা কারখানা খোলা রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু মহামারি করোনা মোকাবিলায় এবার সরকার কঠিন অবস্থান নিয়েছে।

ফলে লকডাউনের পুরো সময় ৫ আগস্ট পর্যন্ত তৈরি পোশাক ও বস্ত্র কারখানা বন্ধই থাকছে।

এদিকে টানা দুই সপ্তাহ কারখানা বন্ধ থাকায় নানাভাবে ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে দাবি করছেন পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে শ্রমিকনেতারা বলছেন, কারখানা বন্ধের অজুহাতে শ্রমিকের জুলাই মাসের বেতন কম দেওয়ার সুযোগ খুঁজতে পারেন অনেক কারখানার মালিক। সে রকম কিছু ঘটলে সরকারের হস্তক্ষেপ লাগবে।

চলতি বছরের এপ্রিলে সরকার বিধিনিষেধ আরোপ করলেও রপ্তানিমুখী পোশাকসহ অন্যান্য শিল্পকারখানা উৎপাদন চালানোর সুযোগ পায়।

সর্বশেষ গত ২৮ জুন শুরু হওয়া সীমিত ও পরে ১ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধেও পোশাকসহ অন্যান্য শিল্পকারখানা চালু ছিল। তবে ২৩ জুলাই, অর্থাৎ গতকাল শুক্রবার শুরু হওয়া কঠোর বিধিনিষেধে সব ধরনের শিল্পকারখানা বন্ধ থাকবে।

শুধু চামড়া, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত, ওষুধ, অক্সিজেন ও করোনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদন বিধিনিষেধের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।