আকাশ আইসিটি ডেস্ক :
প্রান্তিক পর্যায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সুবিধা বৃদ্ধিতে এক দেশ এক রেট চালু করেছে সরকার। এরই কিছুদিন পর জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ‘ক্যাশ সার্ভার’ সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও মনিটরিংয়ের আওতায় নিয়ে আসার ঘোষণা আসে। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারের এ পদক্ষেপে এক দেশ এক রেটের সুবিধা থেকে কার্যত বঞ্চিত হবেন প্রান্তিক পর্যায়ের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা। একইসঙ্গে শুধু আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলোর মূল্য বেঁধে দেওয়ায় এ সেবার গতি ও মান নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে গ্রাহকদের মধ্যে।
৩ জুলাই বাংলাদেশ সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেটরস ফোরাম আয়োজিত ‘এক দেশ এক রেট- কোন পথে বাংলাদেশের ইন্টারনেট’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে অংশীজনরা এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আইএসপিএবির সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক জানান, সরকারের এমন পদক্ষেপে ৫০ শতাংশ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ট্রাফিক কমে যাবে। আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলো হুমকির মুখে পড়বে। আইএসপিএবির এই নেতা আরও জানান, দেশে বেকাররা বসে রয়েছে। তারা চেষ্টা করছে ব্যবসা করার। কিন্তু তারা লাইসেন্স পাচ্ছে না। অথচ এ খাতে দেওয়া হচ্ছে বৈদেশিক বিনিয়োগ যা অপ্রয়োজনীয়।
করোনাকালে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা চালু রাখতে ব্যবহার করা হয়েছে ইউটিউব-ফেসবুকের মতো মাধ্যমগুলো। ক্যাশ সার্ভার বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পড়াশোনায় প্রভাব পড়তে পারে বলে ইঙ্গিত দেন বিডিসন-এর সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান।
অনুষ্ঠানে অংশ নেন ফাইবার এট হোম-এর সিটিও সুমন আহমেদ সাবির। বক্তব্যে এক দেশ এক রেট বাস্তবায়নে ঢাকার বাইরে ইন্টারনেটের ব্যান্ডউইথ সঞ্চালন ব্যয় বেশি হবে বলে কোনো সন্দেহ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি। এক্ষেত্রে ভালো সেবা দেওয়া বাধাগ্রস্ত হবে বলেও মনে করেন তিনি। ইউনিয়ন পর্যায়ের যারা ব্রডব্যান্ড ব্যবসা করতে আগ্রহী তাদের ট্রান্সমিশন সহায়তা দিলে প্রান্তিক পর্যায়ে ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারী যেমন আরও বৃদ্ধি পাবে, তেমনি বেকারত্ব কমে যাবে বলেও জানান তিনি। বাংলাদেশ সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেটরস ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহিববুল মোক্তাদির তানিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিকাশ লিমিটেডের হেড অব আইটি গভর্ন্যান্স নাজমুল করিম, বিডিসাফ-এর আহ্বায়ক জুবায়ের আল মাহমুদ হোসেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























