ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

শি জিনপিংয়ের কঠিন হুঁশিয়ারি, পিছনে লাগলে মাথা ভেঙে দেয়া হবে!

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কঠিন হুঁশিয়ারি দিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তিনি বলেছেন, বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশ হিসেবে গড়ে উঠেছে চীন। যারা চীনের পিছনে লাগার চেষ্টা করবে, তাদের মাথা ভেঙে দেওয়া হবে। খবর ডয়চে ভেলের।

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ১০০ বছর উদযাপন উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানী বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কোয়্যারে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। শি জিনপিং আরও বলেন, তাইওয়ান চীনের অংশ। মূল চীন থেকে তাকে যদি কেউ আলাদা করতে চায়, তাহলে শাস্তি পেতে হবে।

চীনের এই প্রেসিডেন্ট বলেন, কোনো অবস্থায় অন্য দেশ দ্বারা চীন প্রভাবিত হবে না। চীনকে যদি অন্য কোনো দেশ প্রভাবিত করে এমনকি নিপীড়নের চেষ্টা করে তাহলে তাদের মাথা ইস্পাতের প্রাচীরে গিয়েই ঠেকবে।

উল্লেখ্য, ভাষণে তিয়েনআনমেন চত্বরে থাকা ৭০ হাজার মানুষ প্রেসিডেন্টের কথায় একমত হয়ে উল্লাস করতে থাকে। শত বর্ষপূর্তি পালন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার ওড়ানো, কামানের স্যালুট এবং দেশাত্মবোধক গান বাজানোর আয়োজন করা হয়েছে।

মাও সেতুং পরবর্তী সময়ে চীনের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নেতা শি। তার অধীনে কমিউনিস্ট পার্টি চীনে আরও ক্ষমতাধর হয়ে উঠেছে। কোভিড মহামারী জয় থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে অবস্থান শক্ত করা পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই এগিয়েছে চীন।

২০১২ সালে তিনি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি হন এবং ২০১৩ সালের মার্চে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট হন। এরপরই দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরেন তিনি। তার সময়েই কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। বর্তমানে ৯ কোটির বেশি সদস্য রয়েছে এ দলে।

তবে পার্টি শক্তিশালী হলেও শি জিনপিং- এর আমলে চীনকে অনেক চ্যালেঞ্জেরও সম্মুখীন হতে হয়েছে। হংকং, শিনজিয়াং, তাইওয়ান ও দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর তীব্র সমালোচনার শিকার হয়েছে চীন। এ সমস্ত ইস্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে চীনের উত্তেজনাও বেড়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শি জিনপিংয়ের কঠিন হুঁশিয়ারি, পিছনে লাগলে মাথা ভেঙে দেয়া হবে!

আপডেট সময় ১২:১৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কঠিন হুঁশিয়ারি দিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তিনি বলেছেন, বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশ হিসেবে গড়ে উঠেছে চীন। যারা চীনের পিছনে লাগার চেষ্টা করবে, তাদের মাথা ভেঙে দেওয়া হবে। খবর ডয়চে ভেলের।

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ১০০ বছর উদযাপন উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানী বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কোয়্যারে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। শি জিনপিং আরও বলেন, তাইওয়ান চীনের অংশ। মূল চীন থেকে তাকে যদি কেউ আলাদা করতে চায়, তাহলে শাস্তি পেতে হবে।

চীনের এই প্রেসিডেন্ট বলেন, কোনো অবস্থায় অন্য দেশ দ্বারা চীন প্রভাবিত হবে না। চীনকে যদি অন্য কোনো দেশ প্রভাবিত করে এমনকি নিপীড়নের চেষ্টা করে তাহলে তাদের মাথা ইস্পাতের প্রাচীরে গিয়েই ঠেকবে।

উল্লেখ্য, ভাষণে তিয়েনআনমেন চত্বরে থাকা ৭০ হাজার মানুষ প্রেসিডেন্টের কথায় একমত হয়ে উল্লাস করতে থাকে। শত বর্ষপূর্তি পালন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার ওড়ানো, কামানের স্যালুট এবং দেশাত্মবোধক গান বাজানোর আয়োজন করা হয়েছে।

মাও সেতুং পরবর্তী সময়ে চীনের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নেতা শি। তার অধীনে কমিউনিস্ট পার্টি চীনে আরও ক্ষমতাধর হয়ে উঠেছে। কোভিড মহামারী জয় থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে অবস্থান শক্ত করা পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই এগিয়েছে চীন।

২০১২ সালে তিনি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি হন এবং ২০১৩ সালের মার্চে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট হন। এরপরই দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরেন তিনি। তার সময়েই কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। বর্তমানে ৯ কোটির বেশি সদস্য রয়েছে এ দলে।

তবে পার্টি শক্তিশালী হলেও শি জিনপিং- এর আমলে চীনকে অনেক চ্যালেঞ্জেরও সম্মুখীন হতে হয়েছে। হংকং, শিনজিয়াং, তাইওয়ান ও দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর তীব্র সমালোচনার শিকার হয়েছে চীন। এ সমস্ত ইস্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে চীনের উত্তেজনাও বেড়েছে।