ঢাকা ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প উপজেলা পরিষদে কক্ষ বরাদ্দ পাচ্ছেন সংসদ সদস্যরা, সংসদে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মা হারা কন্যার বিয়েতে গাজীপুরের ডিসি, আবেগাপ্লুত হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে মৌলভীবাজারের যুবক নিহত স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কর্তন করে হাসপাতালে স্ত্রী সংসদে গাড়ি চাইলেন হাসনাত, জামায়াত আমির বললেন, ছোটদের ‘না’ বলতে নেই অনলাইন ভ্যাট রিটার্নে অনিয়ম পেলেই ব্যবস্থা : এনবিআর চেয়ারম্যান ৪ ঘণ্টা পর জামিন পেলেন বাচ্চাসহ কারাগারে পাঠানো সেই মহিলা লীগ নেত্রী সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

ঝড় তুলে ‘অবস্ট্রাক্টিং দা ফিল্ড’আউট সোহান, দোলেশ্বরের সহজ জয়

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ডিপিএলের সুপার লিগ পর্বের ম্যাচে সোমবার মুখোমুখি হয়েছে শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব ও প্রাইম দোলেশ্বর। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সকালে শুরু হওয়া ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছেন শেখ জামালের অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান।

তবে ‘অবস্ট্রাক্টিং দা ফিল্ড’ আউট হয়ে বিদায় নেন তিনি।
তবে সাইফ হাসানের ঝড়ো ফিফটিতে শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবকে ৬ উইকেটে হারায় প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাব।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১২৩ রান তোলে শেখ জামাল। শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়া শেখ জামাল এই পর্যন্ত আসতে পেরেছে তাদের দলপতি সোহানের কল্যাণেই।

প্রাইম দোলেশ্বরের বোলিং তোপে ১৩ দশমিক ৪ ওভারে ৬ উইকেটে ৬৬ রান ছিল শেখ জামালের। ২৪ বলে ৪২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলকে ১২৩ রানে নিয়ে আসেন সোহান। এই ইনিংস খেলার পথে তিনি মেরেছেন ৪টি চার ও ২টি ছক্কা।

ইনিংসে কামরুল ইসলাম রাব্বির অফ স্টাম্পের বাইরের শর্ট বল পুল করার চেষ্টা করেন এনামুল হক। তার ব্যাটের নিচের দিকে লেগে পা স্পর্শ করে বল থাকে উইকেটের কাছেই। রান নেওয়ার সময় দৌড়ের গতিপথ একটু সরিয়ে সোহান পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন বল। ফিল্ডিং করতে ছুটে যাওয়া বোলার কামরুল ধরতে পারেননি বল। দোলেশ্বরের ফিল্ডাররা আবেদন জানান তখনই। থার্ড আম্পায়ার বারবার রিপ্লে দেখে আউট দেন সোহানকে।

২৮ বলে ২৭ রান করেছে ইমরুল কায়েস। আর কেউই বলার মতো কোনো স্কোর করতে পারেননি। প্রাইম দোলেশ্বরের রেজাউর রহমান রাজা ৩টি উইকেট নেন। এছাড়া শফিকুল ইসলাম শিকার করেছেন দুটি উইকেট।

১২৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় সাইফ খেলেন ৩৩ বলে ৬০ রানের ইনিংস। সাইফ ফিফটি স্পর্শ করেন ৩০ বলে। পরে সোহরাওয়ার্দী শুভকে ছক্কা মারেন মাথার ওপর দিয়ে। পরের বলে ইনসাইড আউট শটে ছক্কার চেষ্টায় ধরা পড়েন সীমানায়।

জয় তখন দোলেশ্বরের নাগালে। বাকি পথটুকু পেরোতে অবশ্য বেশ ভোগান্তি হয় তাদের। কোনো চাপ না থাকলেও মোহাম্মদ আশরাফুলকে ফিরতি ক্যাচ দেন ফজলে রাব্বি, আলগা শটে বোল্ড হন মার্শাল আইয়ুব। শেষ পর্যন্ত শরিফউল্লাহর বাউন্ডারিতে জয় ধরা দেয় ১৪ বল আগে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প

ঝড় তুলে ‘অবস্ট্রাক্টিং দা ফিল্ড’আউট সোহান, দোলেশ্বরের সহজ জয়

আপডেট সময় ০৬:৩২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুন ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ডিপিএলের সুপার লিগ পর্বের ম্যাচে সোমবার মুখোমুখি হয়েছে শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব ও প্রাইম দোলেশ্বর। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সকালে শুরু হওয়া ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছেন শেখ জামালের অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান।

তবে ‘অবস্ট্রাক্টিং দা ফিল্ড’ আউট হয়ে বিদায় নেন তিনি।
তবে সাইফ হাসানের ঝড়ো ফিফটিতে শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবকে ৬ উইকেটে হারায় প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাব।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১২৩ রান তোলে শেখ জামাল। শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়া শেখ জামাল এই পর্যন্ত আসতে পেরেছে তাদের দলপতি সোহানের কল্যাণেই।

প্রাইম দোলেশ্বরের বোলিং তোপে ১৩ দশমিক ৪ ওভারে ৬ উইকেটে ৬৬ রান ছিল শেখ জামালের। ২৪ বলে ৪২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলকে ১২৩ রানে নিয়ে আসেন সোহান। এই ইনিংস খেলার পথে তিনি মেরেছেন ৪টি চার ও ২টি ছক্কা।

ইনিংসে কামরুল ইসলাম রাব্বির অফ স্টাম্পের বাইরের শর্ট বল পুল করার চেষ্টা করেন এনামুল হক। তার ব্যাটের নিচের দিকে লেগে পা স্পর্শ করে বল থাকে উইকেটের কাছেই। রান নেওয়ার সময় দৌড়ের গতিপথ একটু সরিয়ে সোহান পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন বল। ফিল্ডিং করতে ছুটে যাওয়া বোলার কামরুল ধরতে পারেননি বল। দোলেশ্বরের ফিল্ডাররা আবেদন জানান তখনই। থার্ড আম্পায়ার বারবার রিপ্লে দেখে আউট দেন সোহানকে।

২৮ বলে ২৭ রান করেছে ইমরুল কায়েস। আর কেউই বলার মতো কোনো স্কোর করতে পারেননি। প্রাইম দোলেশ্বরের রেজাউর রহমান রাজা ৩টি উইকেট নেন। এছাড়া শফিকুল ইসলাম শিকার করেছেন দুটি উইকেট।

১২৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় সাইফ খেলেন ৩৩ বলে ৬০ রানের ইনিংস। সাইফ ফিফটি স্পর্শ করেন ৩০ বলে। পরে সোহরাওয়ার্দী শুভকে ছক্কা মারেন মাথার ওপর দিয়ে। পরের বলে ইনসাইড আউট শটে ছক্কার চেষ্টায় ধরা পড়েন সীমানায়।

জয় তখন দোলেশ্বরের নাগালে। বাকি পথটুকু পেরোতে অবশ্য বেশ ভোগান্তি হয় তাদের। কোনো চাপ না থাকলেও মোহাম্মদ আশরাফুলকে ফিরতি ক্যাচ দেন ফজলে রাব্বি, আলগা শটে বোল্ড হন মার্শাল আইয়ুব। শেষ পর্যন্ত শরিফউল্লাহর বাউন্ডারিতে জয় ধরা দেয় ১৪ বল আগে।