ঢাকা ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এলো পাত্রভর্তি পুরনো মুদ্রা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রাজাগাঁও ইউনিয়নের রাজারামপুর গ্রামে মাটি খোঁড়ার সময় পাওয়া গেছে একটি ধাতবপাত্র, যার মুখ খুলতেই ভেতরে মিলেছে অনেক পুরনো ধাতব মুদ্রা।

মুদ্রাভর্তি ধাতব পাত্র পেয়ে গোপন করার চেষ্টা করেন জমির মালিক। মঙ্গলবার বিকালে ধাতব মুদ্রা উদ্ধারের ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়।

মুদ্রাগুলোর গায়ে ১৮৮২, ১৮৮৭, ১৮৯০, ১৯০৭ ইত্যাদি সাল উল্লেখ করা আছে। রাজারামপুর গ্রামের কেশব চন্দ্র বর্মণের বাড়ির মাটি খোঁড়ার সময় গত শনিবার ধাতব মুদ্রাভর্তি পাত্রটির সন্ধান মেলে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কেশব চন্দ্র বর্মণ শৌচাগারের রিং স্থাপনের জন্য মাটি খোঁড়ার কাজ করছিলেন।

গত শনিবার মাটি খোঁড়ার কাজটির জন্য মহেন্দ্র চন্দ্র বর্মণ নামে এক শ্রমিককে নিয়োগ করেন। মাটি খোঁড়ার একপর্যায়ে মহেন্দ্র একটি পাত্রের অস্তিত্ব টের পান। আগ্রহ থেকে আরও বেশ কিছুটা খোঁড়ার পর পাওয়া যায় একটি ধাতব পাত্র। পাত্রটি খুলে তিনি ভেতরে মুদ্রা দেখতে পান।

পরে মুদ্রা ভরা পাত্রটি তিনি কেশবের হাতে তুলে দেন। কেশব বিষয়টি গোপন রাখতে মহেন্দ্রকে অনুরোধ করেন। গত সোমবার মহেন্দ্র খোশগল্প করার সময় পাত্রভর্তি ধাতব মুদ্রা পাওয়ার ঘটনাটি বলে দেন। এর পর তা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে কেশবের বাড়ি থেকে পাত্রভর্তি মুদ্রাগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। মঙ্গলবার বিকালে ধাতব মুদ্রা উদ্ধারের ঘটনা এলাকায় জানাজানি হয়।

এ ব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। রুহিয়া থানার এসআই মনির হোসেন বিষয়টি তদন্ত করছেন।

তিনি বলেন, পাত্রে ১৪৩টি ধাতব মুদ্রা পাওয়া গেছে। কোনো কোনো মুদ্রার গায়ে ১৮৮২, ১৮৮৭, ১৮৯০, ১৯০৭ ইত্যাদি সাল উল্লেখ করা আছে। মুদ্রাগুলো প্রত্নতাত্ত্বিক ও সরকারি সম্পদ হওয়ায় সেগুলো রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এলো পাত্রভর্তি পুরনো মুদ্রা

আপডেট সময় ১২:৫৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ মার্চ ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রাজাগাঁও ইউনিয়নের রাজারামপুর গ্রামে মাটি খোঁড়ার সময় পাওয়া গেছে একটি ধাতবপাত্র, যার মুখ খুলতেই ভেতরে মিলেছে অনেক পুরনো ধাতব মুদ্রা।

মুদ্রাভর্তি ধাতব পাত্র পেয়ে গোপন করার চেষ্টা করেন জমির মালিক। মঙ্গলবার বিকালে ধাতব মুদ্রা উদ্ধারের ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়।

মুদ্রাগুলোর গায়ে ১৮৮২, ১৮৮৭, ১৮৯০, ১৯০৭ ইত্যাদি সাল উল্লেখ করা আছে। রাজারামপুর গ্রামের কেশব চন্দ্র বর্মণের বাড়ির মাটি খোঁড়ার সময় গত শনিবার ধাতব মুদ্রাভর্তি পাত্রটির সন্ধান মেলে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কেশব চন্দ্র বর্মণ শৌচাগারের রিং স্থাপনের জন্য মাটি খোঁড়ার কাজ করছিলেন।

গত শনিবার মাটি খোঁড়ার কাজটির জন্য মহেন্দ্র চন্দ্র বর্মণ নামে এক শ্রমিককে নিয়োগ করেন। মাটি খোঁড়ার একপর্যায়ে মহেন্দ্র একটি পাত্রের অস্তিত্ব টের পান। আগ্রহ থেকে আরও বেশ কিছুটা খোঁড়ার পর পাওয়া যায় একটি ধাতব পাত্র। পাত্রটি খুলে তিনি ভেতরে মুদ্রা দেখতে পান।

পরে মুদ্রা ভরা পাত্রটি তিনি কেশবের হাতে তুলে দেন। কেশব বিষয়টি গোপন রাখতে মহেন্দ্রকে অনুরোধ করেন। গত সোমবার মহেন্দ্র খোশগল্প করার সময় পাত্রভর্তি ধাতব মুদ্রা পাওয়ার ঘটনাটি বলে দেন। এর পর তা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে কেশবের বাড়ি থেকে পাত্রভর্তি মুদ্রাগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। মঙ্গলবার বিকালে ধাতব মুদ্রা উদ্ধারের ঘটনা এলাকায় জানাজানি হয়।

এ ব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। রুহিয়া থানার এসআই মনির হোসেন বিষয়টি তদন্ত করছেন।

তিনি বলেন, পাত্রে ১৪৩টি ধাতব মুদ্রা পাওয়া গেছে। কোনো কোনো মুদ্রার গায়ে ১৮৮২, ১৮৮৭, ১৮৯০, ১৯০৭ ইত্যাদি সাল উল্লেখ করা আছে। মুদ্রাগুলো প্রত্নতাত্ত্বিক ও সরকারি সম্পদ হওয়ায় সেগুলো রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।