ঢাকা ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এলো পাত্রভর্তি পুরনো মুদ্রা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রাজাগাঁও ইউনিয়নের রাজারামপুর গ্রামে মাটি খোঁড়ার সময় পাওয়া গেছে একটি ধাতবপাত্র, যার মুখ খুলতেই ভেতরে মিলেছে অনেক পুরনো ধাতব মুদ্রা।

মুদ্রাভর্তি ধাতব পাত্র পেয়ে গোপন করার চেষ্টা করেন জমির মালিক। মঙ্গলবার বিকালে ধাতব মুদ্রা উদ্ধারের ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়।

মুদ্রাগুলোর গায়ে ১৮৮২, ১৮৮৭, ১৮৯০, ১৯০৭ ইত্যাদি সাল উল্লেখ করা আছে। রাজারামপুর গ্রামের কেশব চন্দ্র বর্মণের বাড়ির মাটি খোঁড়ার সময় গত শনিবার ধাতব মুদ্রাভর্তি পাত্রটির সন্ধান মেলে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কেশব চন্দ্র বর্মণ শৌচাগারের রিং স্থাপনের জন্য মাটি খোঁড়ার কাজ করছিলেন।

গত শনিবার মাটি খোঁড়ার কাজটির জন্য মহেন্দ্র চন্দ্র বর্মণ নামে এক শ্রমিককে নিয়োগ করেন। মাটি খোঁড়ার একপর্যায়ে মহেন্দ্র একটি পাত্রের অস্তিত্ব টের পান। আগ্রহ থেকে আরও বেশ কিছুটা খোঁড়ার পর পাওয়া যায় একটি ধাতব পাত্র। পাত্রটি খুলে তিনি ভেতরে মুদ্রা দেখতে পান।

পরে মুদ্রা ভরা পাত্রটি তিনি কেশবের হাতে তুলে দেন। কেশব বিষয়টি গোপন রাখতে মহেন্দ্রকে অনুরোধ করেন। গত সোমবার মহেন্দ্র খোশগল্প করার সময় পাত্রভর্তি ধাতব মুদ্রা পাওয়ার ঘটনাটি বলে দেন। এর পর তা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে কেশবের বাড়ি থেকে পাত্রভর্তি মুদ্রাগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। মঙ্গলবার বিকালে ধাতব মুদ্রা উদ্ধারের ঘটনা এলাকায় জানাজানি হয়।

এ ব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। রুহিয়া থানার এসআই মনির হোসেন বিষয়টি তদন্ত করছেন।

তিনি বলেন, পাত্রে ১৪৩টি ধাতব মুদ্রা পাওয়া গেছে। কোনো কোনো মুদ্রার গায়ে ১৮৮২, ১৮৮৭, ১৮৯০, ১৯০৭ ইত্যাদি সাল উল্লেখ করা আছে। মুদ্রাগুলো প্রত্নতাত্ত্বিক ও সরকারি সম্পদ হওয়ায় সেগুলো রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এলো পাত্রভর্তি পুরনো মুদ্রা

আপডেট সময় ১২:৫৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ মার্চ ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রাজাগাঁও ইউনিয়নের রাজারামপুর গ্রামে মাটি খোঁড়ার সময় পাওয়া গেছে একটি ধাতবপাত্র, যার মুখ খুলতেই ভেতরে মিলেছে অনেক পুরনো ধাতব মুদ্রা।

মুদ্রাভর্তি ধাতব পাত্র পেয়ে গোপন করার চেষ্টা করেন জমির মালিক। মঙ্গলবার বিকালে ধাতব মুদ্রা উদ্ধারের ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়।

মুদ্রাগুলোর গায়ে ১৮৮২, ১৮৮৭, ১৮৯০, ১৯০৭ ইত্যাদি সাল উল্লেখ করা আছে। রাজারামপুর গ্রামের কেশব চন্দ্র বর্মণের বাড়ির মাটি খোঁড়ার সময় গত শনিবার ধাতব মুদ্রাভর্তি পাত্রটির সন্ধান মেলে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কেশব চন্দ্র বর্মণ শৌচাগারের রিং স্থাপনের জন্য মাটি খোঁড়ার কাজ করছিলেন।

গত শনিবার মাটি খোঁড়ার কাজটির জন্য মহেন্দ্র চন্দ্র বর্মণ নামে এক শ্রমিককে নিয়োগ করেন। মাটি খোঁড়ার একপর্যায়ে মহেন্দ্র একটি পাত্রের অস্তিত্ব টের পান। আগ্রহ থেকে আরও বেশ কিছুটা খোঁড়ার পর পাওয়া যায় একটি ধাতব পাত্র। পাত্রটি খুলে তিনি ভেতরে মুদ্রা দেখতে পান।

পরে মুদ্রা ভরা পাত্রটি তিনি কেশবের হাতে তুলে দেন। কেশব বিষয়টি গোপন রাখতে মহেন্দ্রকে অনুরোধ করেন। গত সোমবার মহেন্দ্র খোশগল্প করার সময় পাত্রভর্তি ধাতব মুদ্রা পাওয়ার ঘটনাটি বলে দেন। এর পর তা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে কেশবের বাড়ি থেকে পাত্রভর্তি মুদ্রাগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। মঙ্গলবার বিকালে ধাতব মুদ্রা উদ্ধারের ঘটনা এলাকায় জানাজানি হয়।

এ ব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। রুহিয়া থানার এসআই মনির হোসেন বিষয়টি তদন্ত করছেন।

তিনি বলেন, পাত্রে ১৪৩টি ধাতব মুদ্রা পাওয়া গেছে। কোনো কোনো মুদ্রার গায়ে ১৮৮২, ১৮৮৭, ১৮৯০, ১৯০৭ ইত্যাদি সাল উল্লেখ করা আছে। মুদ্রাগুলো প্রত্নতাত্ত্বিক ও সরকারি সম্পদ হওয়ায় সেগুলো রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।