ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ অচেতন অবস্থায় রংপুরে উদ্ধার গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া সরকারের উচিত নয়: আমির খসরু আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনতে আন্তর্জাতিক মহলের কোনো চাপ নেই: শফিকুল আলম আমরা এখন আর আইসিইউতে নেই, কেবিনে উঠে এসেছি: অর্থ উপদেষ্টা ‘বন্দি থাকাকালে বেগম জিয়ার পক্ষে কথা বলার কেউই ছিলেন না’:আসিফ নজরুল নোয়াখালীকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ মিশনে নিয়োগ

নিজেরই পুরনো ছবি না চিনে স্বামী পরকীয়ায় লিপ্ত সন্দেহে কোপালেন স্ত্রী

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

সম্পর্কের সবচেয়ে বড় শত্রু সন্দেহ। ছোট ছোট অবিশ্বাসের পাথর জমা হতে হতে কখন যে সন্দেহের কঠিন পর্বতে পরিণত হয়, কেউ বলতে পারে না। এর ফলও হয় মারাত্মক। যেমন নিছক সন্দেহের বশে একটি ছবি দেখে স্বামীকে ছুরি দিয়ে কোপালেন মেক্সিকোর লিওনোরা নামের এক নারী। পরে জানা গেল, ছবিটি আদতে তারই যৌবন বয়সের ছিল। ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে হতবাক পুলিশও।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্দেহের বশেই স্বামীর মোবাইল নিয়মিত চেক করতেন মেক্সিকোর ওই নারী। আচমকা সেখানে অল্প বয়সের এক নারীর সঙ্গে স্বামীর ছবি দেখতে পান। এতেই ক্ষেপে ওঠেন। রান্নাঘরের ছুরি নিয়েই স্বামী জুয়ানের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। এলোপাথাড়িভাবে কোপ দিতে থাকেন। রক্তাক্ত অবস্থাতেও কোনোমতে স্ত্রীর হাত থেকে ছুরি ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হন জুয়ান। তারপরই প্রকাশ্যে আসে আসল সত্য। জুয়ানই লিওনোরাকে জানান, ছবির নারী আসলে তিনিই (লিওনোরা)। ছবিটি সেই সময়ের যখন তারা প্রথম প্রথম প্রেম করতে শুরু করেছিলেন।

জুয়ানের কথা প্রথমে কিছুতেই বিশ্বাস করতে চাননি লিওনোরা। কিন্তু ঠান্ডা মাথায় কথা বলে তাকে ক্ষান্ত করেন জুয়ান। ইতোমধ্যেই, তাদের চিৎকার শুনে পুলিশে খবর দিয়েছিলেন এক প্রতিবেশী। সেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় মেক্সিকো পুলিশের কর্মকর্তারা। জুয়ানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। আর লিওনোরাকে গ্রেফতার করা হয়।

নিজের ছবি নিজেই চিনতে পারলেন না লিওনোরা? এও কি সম্ভব? পুলিশের এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে জুয়ান জানান, পুরনো ছবিটি একটু এডিট করে ফোনে স্টোর করেছিলেন তিনি। সেই সময় এমনিতেই লিওনোরা অনেকটা রোগা ছিলেন। তাই নিজের ছবি নিজেই চিনতে পারেননি। স্ত্রীর বিরুদ্ধে জুয়ান এখনও পর্যন্ত কোনো অভিযোগ করেননি। তবে লিওনোরা মানসিক রোগে আক্রান্ত কি না, তা জানতে মনোবিদের সাহায্য নিচ্ছে পুলিশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ

নিজেরই পুরনো ছবি না চিনে স্বামী পরকীয়ায় লিপ্ত সন্দেহে কোপালেন স্ত্রী

আপডেট সময় ১১:১৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

সম্পর্কের সবচেয়ে বড় শত্রু সন্দেহ। ছোট ছোট অবিশ্বাসের পাথর জমা হতে হতে কখন যে সন্দেহের কঠিন পর্বতে পরিণত হয়, কেউ বলতে পারে না। এর ফলও হয় মারাত্মক। যেমন নিছক সন্দেহের বশে একটি ছবি দেখে স্বামীকে ছুরি দিয়ে কোপালেন মেক্সিকোর লিওনোরা নামের এক নারী। পরে জানা গেল, ছবিটি আদতে তারই যৌবন বয়সের ছিল। ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে হতবাক পুলিশও।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্দেহের বশেই স্বামীর মোবাইল নিয়মিত চেক করতেন মেক্সিকোর ওই নারী। আচমকা সেখানে অল্প বয়সের এক নারীর সঙ্গে স্বামীর ছবি দেখতে পান। এতেই ক্ষেপে ওঠেন। রান্নাঘরের ছুরি নিয়েই স্বামী জুয়ানের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। এলোপাথাড়িভাবে কোপ দিতে থাকেন। রক্তাক্ত অবস্থাতেও কোনোমতে স্ত্রীর হাত থেকে ছুরি ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হন জুয়ান। তারপরই প্রকাশ্যে আসে আসল সত্য। জুয়ানই লিওনোরাকে জানান, ছবির নারী আসলে তিনিই (লিওনোরা)। ছবিটি সেই সময়ের যখন তারা প্রথম প্রথম প্রেম করতে শুরু করেছিলেন।

জুয়ানের কথা প্রথমে কিছুতেই বিশ্বাস করতে চাননি লিওনোরা। কিন্তু ঠান্ডা মাথায় কথা বলে তাকে ক্ষান্ত করেন জুয়ান। ইতোমধ্যেই, তাদের চিৎকার শুনে পুলিশে খবর দিয়েছিলেন এক প্রতিবেশী। সেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় মেক্সিকো পুলিশের কর্মকর্তারা। জুয়ানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। আর লিওনোরাকে গ্রেফতার করা হয়।

নিজের ছবি নিজেই চিনতে পারলেন না লিওনোরা? এও কি সম্ভব? পুলিশের এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে জুয়ান জানান, পুরনো ছবিটি একটু এডিট করে ফোনে স্টোর করেছিলেন তিনি। সেই সময় এমনিতেই লিওনোরা অনেকটা রোগা ছিলেন। তাই নিজের ছবি নিজেই চিনতে পারেননি। স্ত্রীর বিরুদ্ধে জুয়ান এখনও পর্যন্ত কোনো অভিযোগ করেননি। তবে লিওনোরা মানসিক রোগে আক্রান্ত কি না, তা জানতে মনোবিদের সাহায্য নিচ্ছে পুলিশ।