ঢাকা ০৫:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

ছয় মাসের শিশুকে অ্যাসিড নিক্ষেপ!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কাপাসিয়ায় আফিয়া আক্তার মীমকে নামে ৬ মাস বয়সী শিশুকে এ অ্যাসিডে ঝলসে দেয়ার অভিযোগে উঠেছে। আফিয়া আক্তার মীম উপজেলার রায়েদ ইউনিয়নের বড়হর গ্রামের মুদি ব্যবসায়ী ইমরানের মেয়ে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শামসুন্নাহারকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

এ ব্যাপারে মঙ্গলবার থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে। খবর পেয়ে কালীগঞ্জ সার্কেল এএসপি ফারজানা ইয়াসমিন ও কাপাসিয়া থানার ওসি মো. আলম চাঁদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

মীমের চাচা আরমান জানান, শুক্রবার বিকালে আফিয়া আক্তার মীম তার দাদী ও স্বজনদের সঙ্গে বাড়ির আঙ্গিনায় রোদ পোহাচ্ছিল। এমন সময় প্রতিবেশী মঞ্জুরুলের স্ত্রী শামসুন্নাহার (৪০) সেখানে হাজির হয়। এক পর্যায়ে মীমকে আদর করে কোলে নিয়ে পাশের বাড়ি চলে যায় শামসুন্নাহার। কিছুক্ষণ পর মীমের তীব্র চিৎকারে সেখানে ছুটে যায় মীমের স্বজনরা।

তিনি জানান, মীমের কি হয়েছে জানতে চাইলে অসংলগ্ন জবাব দেয় শামসুন্নাহার। এরই মাঝে মীমের শরীর থেকে পোড়া গন্ধ বের হতে থাকে এবং কান ও লজ্জাস্থানসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ঝলসে যেতে দেখা যায়। এ সময় তার স্বজনরা তাকে দ্রুত পার্শ্ববর্তী আমরাইদ বাজারে একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপ করা হয়েছে জানিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

পরে সেখানে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরে তার স্বজনরা মীমকে ঢাকার বারডেমে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি নিয়ে আসলেও মীমের ক্ষতস্থান এখনো শুকায়নি।

শিশুটির বাবা ইমরান জানান, কী কারণে তার শিশু কন্যার ওপর এ রকম বর্বরোচিত ও জঘন্য ঘটনা ঘটানো হয়েছে তা তিনি জানেন না। তিনি ঘটনার বিচার দাবি করেন।

এএসপি ফারজানা ইয়াসমিন জানান, প্রাথমিকভাবে তারা ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে এবং জড়িত শামসুন্নাহার নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছয় মাসের শিশুকে অ্যাসিড নিক্ষেপ!

আপডেট সময় ১১:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কাপাসিয়ায় আফিয়া আক্তার মীমকে নামে ৬ মাস বয়সী শিশুকে এ অ্যাসিডে ঝলসে দেয়ার অভিযোগে উঠেছে। আফিয়া আক্তার মীম উপজেলার রায়েদ ইউনিয়নের বড়হর গ্রামের মুদি ব্যবসায়ী ইমরানের মেয়ে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শামসুন্নাহারকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

এ ব্যাপারে মঙ্গলবার থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে। খবর পেয়ে কালীগঞ্জ সার্কেল এএসপি ফারজানা ইয়াসমিন ও কাপাসিয়া থানার ওসি মো. আলম চাঁদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

মীমের চাচা আরমান জানান, শুক্রবার বিকালে আফিয়া আক্তার মীম তার দাদী ও স্বজনদের সঙ্গে বাড়ির আঙ্গিনায় রোদ পোহাচ্ছিল। এমন সময় প্রতিবেশী মঞ্জুরুলের স্ত্রী শামসুন্নাহার (৪০) সেখানে হাজির হয়। এক পর্যায়ে মীমকে আদর করে কোলে নিয়ে পাশের বাড়ি চলে যায় শামসুন্নাহার। কিছুক্ষণ পর মীমের তীব্র চিৎকারে সেখানে ছুটে যায় মীমের স্বজনরা।

তিনি জানান, মীমের কি হয়েছে জানতে চাইলে অসংলগ্ন জবাব দেয় শামসুন্নাহার। এরই মাঝে মীমের শরীর থেকে পোড়া গন্ধ বের হতে থাকে এবং কান ও লজ্জাস্থানসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ঝলসে যেতে দেখা যায়। এ সময় তার স্বজনরা তাকে দ্রুত পার্শ্ববর্তী আমরাইদ বাজারে একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপ করা হয়েছে জানিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

পরে সেখানে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরে তার স্বজনরা মীমকে ঢাকার বারডেমে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি নিয়ে আসলেও মীমের ক্ষতস্থান এখনো শুকায়নি।

শিশুটির বাবা ইমরান জানান, কী কারণে তার শিশু কন্যার ওপর এ রকম বর্বরোচিত ও জঘন্য ঘটনা ঘটানো হয়েছে তা তিনি জানেন না। তিনি ঘটনার বিচার দাবি করেন।

এএসপি ফারজানা ইয়াসমিন জানান, প্রাথমিকভাবে তারা ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে এবং জড়িত শামসুন্নাহার নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।