ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

স্ত্রীর অশান্তি থেকে মুক্তি পেতে নিজের মৃত্যুর গল্প ফেঁদে বাড়ি থেকে উধাও স্বামী

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

দীর্ঘদিন ধরে কাজ ছিল না। সংসারে আর্থিক অনটন। সে কারণে উঠতে বসতে কথা শোনাতেন স্ত্রী। নিত্যদিনের এই অশান্তি থেকে মুক্তি পেতেই নিজের মৃত্যুর নাটক করে এক ব্যক্তি। কীভাবে করলেন, তা শুনলে বিস্মিত হতেই হবে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বিহারে।

জানা গেছে, মৃত্যুর প্রমাণ দিতে ছাগলের রক্ত ব্যবহার করেন ওই ব্যক্তি। যদিও পালিয়ে গিয়েও শেষরক্ষা হয়নি। শেষপর্যন্ত তদন্তে নেমে সত্যিটা সামনে আনে পুলিশ। ওই ব্যক্তিকে আটক করার পরই তিনি সত্য কথা জানান।

জানা গেছে, ওই ব্যক্তির নাম প্রদীপ কুমার রাম। দীর্ঘদিন ধরেই বেকার তিনি। অন্যদিকে, ৩৩ বছর বয়সি স্ত্রী প্রতিভা কুমারী সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী। একটি সরকারি স্কুলের শিক্ষিকা তিনি। স্বামী কোনও কাজ না করায় সংসারে অশান্তি লেগেই ছিল। আচমকাই ২৯ ডিসেম্বর রাত থেকে নিখোঁজ হন প্রদীপ। সকালে উঠে স্বামী যেখানে ঘুমিয়ে ছিলেন, সেখানে রক্ত পড়ে থাকতে দেখেন প্রতিভা। পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগে জানান, অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীরা তার স্বামীকে খুন করে লাশ গায়েব করে দিয়েছে।

ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। বিভিন্ন জায়গায় তন্নতন্ন করে খুঁজেও প্রদীপের মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া যায়নি। এর মধ্যেই বাড়ির অদূরে একটি বোতল পাওয়া যায়। তাতে তখনও রক্ত লেগে ছিল। সন্দেহ হয় পুলিশের। যে জায়গাটিতে রক্ত লেগেছিল, সেটি দেখে সন্দেহ আরও জোরালো হয়। জোরদার তল্লাশি শুরু করে পুলিশ।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে উত্তরপ্রদেশের জামানিয়া থেকে শেষপর্যন্ত ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জেরায় শেষপর্যন্ত সত্যিটা জানান প্রদীপ। বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সংসারে অশান্তি করতেন স্ত্রী। তাই বাজারে মাংসের দোকান থেকে ৪০ টাকা দিয়ে এক বোতল ছাগলের রক্ত কিনে আনেন। আর তা দিয়েই নিজের মৃত্যুর গল্প ফেঁদে বাড়ি থেকে পালান। শেষপর্যন্ত মুচলেকা দিয়ে রেহাই পান প্রদীপ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

স্ত্রীর অশান্তি থেকে মুক্তি পেতে নিজের মৃত্যুর গল্প ফেঁদে বাড়ি থেকে উধাও স্বামী

আপডেট সময় ০৯:৫৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

দীর্ঘদিন ধরে কাজ ছিল না। সংসারে আর্থিক অনটন। সে কারণে উঠতে বসতে কথা শোনাতেন স্ত্রী। নিত্যদিনের এই অশান্তি থেকে মুক্তি পেতেই নিজের মৃত্যুর নাটক করে এক ব্যক্তি। কীভাবে করলেন, তা শুনলে বিস্মিত হতেই হবে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বিহারে।

জানা গেছে, মৃত্যুর প্রমাণ দিতে ছাগলের রক্ত ব্যবহার করেন ওই ব্যক্তি। যদিও পালিয়ে গিয়েও শেষরক্ষা হয়নি। শেষপর্যন্ত তদন্তে নেমে সত্যিটা সামনে আনে পুলিশ। ওই ব্যক্তিকে আটক করার পরই তিনি সত্য কথা জানান।

জানা গেছে, ওই ব্যক্তির নাম প্রদীপ কুমার রাম। দীর্ঘদিন ধরেই বেকার তিনি। অন্যদিকে, ৩৩ বছর বয়সি স্ত্রী প্রতিভা কুমারী সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী। একটি সরকারি স্কুলের শিক্ষিকা তিনি। স্বামী কোনও কাজ না করায় সংসারে অশান্তি লেগেই ছিল। আচমকাই ২৯ ডিসেম্বর রাত থেকে নিখোঁজ হন প্রদীপ। সকালে উঠে স্বামী যেখানে ঘুমিয়ে ছিলেন, সেখানে রক্ত পড়ে থাকতে দেখেন প্রতিভা। পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগে জানান, অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীরা তার স্বামীকে খুন করে লাশ গায়েব করে দিয়েছে।

ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। বিভিন্ন জায়গায় তন্নতন্ন করে খুঁজেও প্রদীপের মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া যায়নি। এর মধ্যেই বাড়ির অদূরে একটি বোতল পাওয়া যায়। তাতে তখনও রক্ত লেগে ছিল। সন্দেহ হয় পুলিশের। যে জায়গাটিতে রক্ত লেগেছিল, সেটি দেখে সন্দেহ আরও জোরালো হয়। জোরদার তল্লাশি শুরু করে পুলিশ।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে উত্তরপ্রদেশের জামানিয়া থেকে শেষপর্যন্ত ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জেরায় শেষপর্যন্ত সত্যিটা জানান প্রদীপ। বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সংসারে অশান্তি করতেন স্ত্রী। তাই বাজারে মাংসের দোকান থেকে ৪০ টাকা দিয়ে এক বোতল ছাগলের রক্ত কিনে আনেন। আর তা দিয়েই নিজের মৃত্যুর গল্প ফেঁদে বাড়ি থেকে পালান। শেষপর্যন্ত মুচলেকা দিয়ে রেহাই পান প্রদীপ।