ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাইবার আইনকে সময়োপযোগী করতে প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার করা হবে : তথ্যমন্ত্রী বৈশ্বিক পরিস্থিতি সমন্বয় করে সরকার এলপিজির দাম তাৎক্ষণিক কমিয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী মারামারি নয়, খেলাটা উপভোগ করুন’; শান্তির বার্তা ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার দূতের মাদক ব্যবসা ছেড়ে দেন, গর্তে পড়লে উদ্ধারের লোক থাকবে না: পানিসম্পদমন্ত্রী দেশজুড়ে সরকারি উদ্যোগে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ‘সলেমানের সোলার সেচপাম্প’: মির্জা ফখরুল মাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে কলাবাগানে ফেলে যায় ছেলে উন্নয়নে বৈষম্য করলে প্রয়োজনে বাঘের গর্জন করা হবে: ডা. শফিকুর বৃদ্ধকে রাস্তায় ফেলে গেল স্বজনরা, উদ্ধার করে দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী এক মাসে চার হত্যা, অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা-আগুন শুধু আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না: তরুণদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল

ধর্ষণচেষ্টায় চিৎকার করায় শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা করে নানা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

যশোরের কেশবপুরে শিশুকে (৯) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ধর্ষণ চেষ্টায় চিৎকার করায় নাক-মুখ চেপে ধরে হত্যা করে নানা (শিশুটির বাবার মামা) ইসমাইল হোসেন। এরপর ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের আড়ায় ঝুলিয়ে দেয়। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়।

সোমবার যশোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন অভিযুক্ত ইসমাইল হোসেন (৩২)।

তিনি কেশবপুর উপজেলার আলতাপোল সরদারপাড়ার কালাচাঁদ সরদারের ছেলে। তাকে রোববার রাতে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

জবানবন্দিতে ইসমাইল জানিয়েছেন, শিশুটির পিতা জাহিদুল ইসলাম তার নানার বাড়িতেই বসবাস করেন। জাহিদুল ইসলাম সন্দিগ্ধ অভিযুক্ত ইসমাইল হোসেনের আপন ভাগ্নে এবং শিশুটি তার নাতনি। অর্থাৎ আসামি ও ভিকটিম সম্পর্কে নানা-নাতনি।

গত ২১ নভেম্বর বিকাল ৫টার দিকে অভিযুক্ত ইসমাইল হোসেন তার অসুস্থ পিতাকে দেখার জন্য জাহিদুলের বাড়িতে আসেন। ওই সময় বাদীর মেয়ে বসতঘরে একা বসে টিভি দেখছিল। অভিযুক্ত ইসমাইল ঘরে প্রবেশ করে শিশুকে ঘরের ভেতর একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। তখন শিশুটি (৯) চিৎকার দিতে গেলে অভিযুক্ত ইসমাইল ভিকটিমের নাক-মুখ চেপে ধরে। এতে সে অচেতন হয়ে পড়ে।

অভিযুক্ত ইসমাইল তখন ঘটনাকে ভিন্ন রূপ দেওয়ার জন্য ঘরে থাকা ওড়না গলায় পেঁচিয়ে শিশুকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে দেয়। পরবর্তীতে সে কৌশলে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়।

এ প্রসঙ্গে পিবিআই যশোরের পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন বলেন, গত ২১ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে শিশুর নিজ ঘরের বাঁশের আড়ার সঙ্গে তার ব্যবহৃত ওড়নায় ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ উদ্ধার হয়। এ ঘটনায় ওই দিন কেশবপুর থানার অপমৃত্যু মামলা হয়। পরবর্তীতে ময়নাতদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে ভিকটিমের পিতা জাহিদুল ইসলাম অজ্ঞাতনামা আসামি করে কেশবপুর থানার মামলা দায়ের করেন।

তিনি বলেন, মামলাটি পিবিআই তদন্ত শুরু করে। রোববার রাতে পটুয়াখালী জেলা পুলিশের সহায়তায় কলাপাড়া থানা এলাকা থেকে ইসমাইল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। সোমবার তাকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সাইবার আইনকে সময়োপযোগী করতে প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার করা হবে : তথ্যমন্ত্রী

ধর্ষণচেষ্টায় চিৎকার করায় শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা করে নানা

আপডেট সময় ১১:১৭:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

যশোরের কেশবপুরে শিশুকে (৯) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ধর্ষণ চেষ্টায় চিৎকার করায় নাক-মুখ চেপে ধরে হত্যা করে নানা (শিশুটির বাবার মামা) ইসমাইল হোসেন। এরপর ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের আড়ায় ঝুলিয়ে দেয়। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়।

সোমবার যশোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন অভিযুক্ত ইসমাইল হোসেন (৩২)।

তিনি কেশবপুর উপজেলার আলতাপোল সরদারপাড়ার কালাচাঁদ সরদারের ছেলে। তাকে রোববার রাতে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

জবানবন্দিতে ইসমাইল জানিয়েছেন, শিশুটির পিতা জাহিদুল ইসলাম তার নানার বাড়িতেই বসবাস করেন। জাহিদুল ইসলাম সন্দিগ্ধ অভিযুক্ত ইসমাইল হোসেনের আপন ভাগ্নে এবং শিশুটি তার নাতনি। অর্থাৎ আসামি ও ভিকটিম সম্পর্কে নানা-নাতনি।

গত ২১ নভেম্বর বিকাল ৫টার দিকে অভিযুক্ত ইসমাইল হোসেন তার অসুস্থ পিতাকে দেখার জন্য জাহিদুলের বাড়িতে আসেন। ওই সময় বাদীর মেয়ে বসতঘরে একা বসে টিভি দেখছিল। অভিযুক্ত ইসমাইল ঘরে প্রবেশ করে শিশুকে ঘরের ভেতর একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। তখন শিশুটি (৯) চিৎকার দিতে গেলে অভিযুক্ত ইসমাইল ভিকটিমের নাক-মুখ চেপে ধরে। এতে সে অচেতন হয়ে পড়ে।

অভিযুক্ত ইসমাইল তখন ঘটনাকে ভিন্ন রূপ দেওয়ার জন্য ঘরে থাকা ওড়না গলায় পেঁচিয়ে শিশুকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে দেয়। পরবর্তীতে সে কৌশলে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়।

এ প্রসঙ্গে পিবিআই যশোরের পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন বলেন, গত ২১ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে শিশুর নিজ ঘরের বাঁশের আড়ার সঙ্গে তার ব্যবহৃত ওড়নায় ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ উদ্ধার হয়। এ ঘটনায় ওই দিন কেশবপুর থানার অপমৃত্যু মামলা হয়। পরবর্তীতে ময়নাতদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে ভিকটিমের পিতা জাহিদুল ইসলাম অজ্ঞাতনামা আসামি করে কেশবপুর থানার মামলা দায়ের করেন।

তিনি বলেন, মামলাটি পিবিআই তদন্ত শুরু করে। রোববার রাতে পটুয়াখালী জেলা পুলিশের সহায়তায় কলাপাড়া থানা এলাকা থেকে ইসমাইল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। সোমবার তাকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।