ঢাকা ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাংলাদেশ ক্যাশলেস সোসাইটির দিকে দ্রুত ধাবমান

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :  

‘ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশে বাংলাদেশ অভাবনীয় সফলতা অর্জন করেছে। শতকরা প্রায় ৭০ শতাংশ করোনারোগী ঘরে বসে টেলিমেডিসিনের সেবা নিচ্ছেন।

ব্যবসা-বাণিজ্য ডিজিটালাইজেশনের ফলে যে পরিমাণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে , অনেক দেশই তা প্রত্যাশাও করতে পারেনি। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ এখন ক্যাশলেস সোসাইটির দিকে দ্রুত ধাবিত হচ্ছে’।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ঢাকায় এসএমই ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে ‘দেশি ভালোবাসি ই-কমার্স ওয়েবসাইটের পেমেন্ট গেটওয়ের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং নারী উদ্যোক্তা মানতাসা আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে এসএমই ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক শফিকুল ইসলাম, নারী উদ্যোক্তা সুনিয়া বশির কবির এবং ওরাকলের কান্ট্রি ম্যানেজার রুবাবা দৌলা বক্তৃতা করেন।

মন্ত্রী দেশে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের বিকাশকে বিস্ময়কর উল্লেখ করে বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল তৃণমূলের মাানুষও পাচ্ছে। ফলে প্রাত্যহিক লেনদেন ডিজিটাল হয়েছে এবং মোবাইল এক্ষেত্রে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে’।

‘অনলাইনের পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করার মাধ্যমে গ্রাহকের পরিপূর্ণ আস্থা অর্জন করতে পারলে ডিজিটাল কমার্সের ক্ষেত্রে ক্যাশ অন ডেলিভারি বা পণ্য হাতে পাওয়ার পর টাকা পরিশোধের পরিমান কমে আসবে’। এক্ষেত্রে পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর মন্ত্রী গুরুত্বারোপ করেন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘জাতীয় নেতৃত্বের দূরদর্শীতার অভাবে ১৯৮৯ সালে দেশে মোবাইলফোন চালু হলেও সাধারণের নাগালে পৌঁছাতে পারেনি। বিনামূল্যে সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগ প্রত্যাখ্যান করায় ইন্টারনেট দুনিয়া থেকে বাংলাদেশকে প্রায় বিচ্ছিন্ন থাকতে হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে ৪টি মোবাইল অপারেটরকে লাইসেন্স দেওয়ার মাধ্যমে মোবাইলফোন সাধারণের নাগালে পৌঁছে যায়। ভ্যাট ট্যাক্স প্রত্যাহার করে কম্পিউটার সহজলভ্য করা হয়। তার প্রবর্তিত ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি গত ১২ বছরে বাংলাদেশকে বিশ্বের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী দেশে পরিণত করেছে। আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ দুনিয়ায় বাংলাদেশের সংযোগ প্রতিষ্ঠায় গৃহীত কর্মসূচির মাধ্যমে জাতির পিতা ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যে বীজ বপন করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তা আজ মহীরূহ হয়ে উঠেছে’।

তিনি ২০২১ সালের মধ্যে উচ্চগতির ইন্টারনেট দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশ ক্যাশলেস সোসাইটির দিকে দ্রুত ধাবমান

আপডেট সময় ০৮:০১:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :  

‘ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশে বাংলাদেশ অভাবনীয় সফলতা অর্জন করেছে। শতকরা প্রায় ৭০ শতাংশ করোনারোগী ঘরে বসে টেলিমেডিসিনের সেবা নিচ্ছেন।

ব্যবসা-বাণিজ্য ডিজিটালাইজেশনের ফলে যে পরিমাণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে , অনেক দেশই তা প্রত্যাশাও করতে পারেনি। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ এখন ক্যাশলেস সোসাইটির দিকে দ্রুত ধাবিত হচ্ছে’।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ঢাকায় এসএমই ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে ‘দেশি ভালোবাসি ই-কমার্স ওয়েবসাইটের পেমেন্ট গেটওয়ের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং নারী উদ্যোক্তা মানতাসা আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে এসএমই ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক শফিকুল ইসলাম, নারী উদ্যোক্তা সুনিয়া বশির কবির এবং ওরাকলের কান্ট্রি ম্যানেজার রুবাবা দৌলা বক্তৃতা করেন।

মন্ত্রী দেশে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের বিকাশকে বিস্ময়কর উল্লেখ করে বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল তৃণমূলের মাানুষও পাচ্ছে। ফলে প্রাত্যহিক লেনদেন ডিজিটাল হয়েছে এবং মোবাইল এক্ষেত্রে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে’।

‘অনলাইনের পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করার মাধ্যমে গ্রাহকের পরিপূর্ণ আস্থা অর্জন করতে পারলে ডিজিটাল কমার্সের ক্ষেত্রে ক্যাশ অন ডেলিভারি বা পণ্য হাতে পাওয়ার পর টাকা পরিশোধের পরিমান কমে আসবে’। এক্ষেত্রে পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর মন্ত্রী গুরুত্বারোপ করেন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘জাতীয় নেতৃত্বের দূরদর্শীতার অভাবে ১৯৮৯ সালে দেশে মোবাইলফোন চালু হলেও সাধারণের নাগালে পৌঁছাতে পারেনি। বিনামূল্যে সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগ প্রত্যাখ্যান করায় ইন্টারনেট দুনিয়া থেকে বাংলাদেশকে প্রায় বিচ্ছিন্ন থাকতে হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে ৪টি মোবাইল অপারেটরকে লাইসেন্স দেওয়ার মাধ্যমে মোবাইলফোন সাধারণের নাগালে পৌঁছে যায়। ভ্যাট ট্যাক্স প্রত্যাহার করে কম্পিউটার সহজলভ্য করা হয়। তার প্রবর্তিত ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি গত ১২ বছরে বাংলাদেশকে বিশ্বের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী দেশে পরিণত করেছে। আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ দুনিয়ায় বাংলাদেশের সংযোগ প্রতিষ্ঠায় গৃহীত কর্মসূচির মাধ্যমে জাতির পিতা ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যে বীজ বপন করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তা আজ মহীরূহ হয়ে উঠেছে’।

তিনি ২০২১ সালের মধ্যে উচ্চগতির ইন্টারনেট দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরেন।