ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মার্কিন শেয়ার বাজারের দরজা বন্ধ হতে পারে চীনের জন্য

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

যুক্তরাষ্ট্রের তদারকিতে আর্থিক অডিট করানো না হলে কোনো বিদেশি কোম্পানিকে আর মার্কিন স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকায় রাখা হবে না। বুধবার এই বিল পাস করেছে মার্কিন কংগ্রেস। এর ফলে চীনের কোম্পানিগুলোর কাছে মার্কিন স্টক এক্সচেঞ্জের দরজা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কারণ, চীনা সংস্থাগুলো বাইরের কোনো দেশের তদারকিতে অডিট করায় না। তাই তারা সিদ্ধান্ত বদল না করলে মার্কিন শেয়ার বাজারের তালিকায় চীনা কোম্পানিগুলো থাকতে পারবে না। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, চীনের উপর চাপ দেয়ার জন্যই এই বিল পাস করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

সংসদের দুই কক্ষে পাস হওয়া বিলটির নাম দ্য হোল্ডিং ফরেন কোম্পানিস অ্যাকাউন্টেবেল অ্যাক্ট। এবার তা অনুমোদনের জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে যাবে। তিনি সই করলেই আইন চালু হয়ে যাবে। আর গত চার বছর ধরে চীনকে চাপে রাখার নীতি নিয়ে চলা ট্রাম্প যে বিলটিতে সই করবেন তা নিয়েও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে দ্বিমত নেই।

বিলে বলা হয়েছে, বিদেশি কোম্পানিগুলো যদি মার্কিন স্টক এক্সচেঞ্জে নথিভুক্ত হতে চায়, তা হলে ইউএস সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের(এসইসি) বেঁধে দেয়া নিয়ম মানতে হবে। বিল অনুযায়ী, এসইসি-র তদরকিতে কোম্পানির অডিট না হলে মার্কিন স্টক এক্সচেঞ্জে নাম নথিভুক্ত করা যাবে না।

যদিও এখানে সব বিদেশি কোম্পানির কথা বলা হয়েছে, তবে মার্কিন কংগ্রেস সদস্যরা বিতর্কের সময় যা বলেছেন, তা থেকে পরিষ্কার, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো চীনের কোম্পানিগুলো। তাদের চাপে রাখতেই এই আইন পাস করানো হয়েছে। চীনের কোম্পানিগুলিকে জানাতে হবে, সে দেশের কমিউনিস্ট পার্টির কোনো কর্মকর্তা বোর্ড সদস্য হিসাবে আছেন কিনা।

অধিকাংশ বিদেশি কোম্পানিই এসইসি-র তদারকিতে অডিট করায়। কিন্তু চীনা আইন অনুসারে কোনো চীনা কোম্পানি বিদেশে এই ধরনের অডিট করাতে পারে না। ফলে কোম্পানি সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের স্টক রেগুলেটারদের হাতে থাকে না। দীর্ঘদিন ধরে এ নিয়ে এসইসি ও চীনা কোম্পানিগুলোর মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। ২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে অডিট করা নিয়ে চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করে, চীনা সংস্থাগুলো প্রয়োজনীয় নথি জমা দেয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মার্কিন শেয়ার বাজারের দরজা বন্ধ হতে পারে চীনের জন্য

আপডেট সময় ০৬:৩১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

যুক্তরাষ্ট্রের তদারকিতে আর্থিক অডিট করানো না হলে কোনো বিদেশি কোম্পানিকে আর মার্কিন স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকায় রাখা হবে না। বুধবার এই বিল পাস করেছে মার্কিন কংগ্রেস। এর ফলে চীনের কোম্পানিগুলোর কাছে মার্কিন স্টক এক্সচেঞ্জের দরজা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কারণ, চীনা সংস্থাগুলো বাইরের কোনো দেশের তদারকিতে অডিট করায় না। তাই তারা সিদ্ধান্ত বদল না করলে মার্কিন শেয়ার বাজারের তালিকায় চীনা কোম্পানিগুলো থাকতে পারবে না। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, চীনের উপর চাপ দেয়ার জন্যই এই বিল পাস করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

সংসদের দুই কক্ষে পাস হওয়া বিলটির নাম দ্য হোল্ডিং ফরেন কোম্পানিস অ্যাকাউন্টেবেল অ্যাক্ট। এবার তা অনুমোদনের জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে যাবে। তিনি সই করলেই আইন চালু হয়ে যাবে। আর গত চার বছর ধরে চীনকে চাপে রাখার নীতি নিয়ে চলা ট্রাম্প যে বিলটিতে সই করবেন তা নিয়েও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে দ্বিমত নেই।

বিলে বলা হয়েছে, বিদেশি কোম্পানিগুলো যদি মার্কিন স্টক এক্সচেঞ্জে নথিভুক্ত হতে চায়, তা হলে ইউএস সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের(এসইসি) বেঁধে দেয়া নিয়ম মানতে হবে। বিল অনুযায়ী, এসইসি-র তদরকিতে কোম্পানির অডিট না হলে মার্কিন স্টক এক্সচেঞ্জে নাম নথিভুক্ত করা যাবে না।

যদিও এখানে সব বিদেশি কোম্পানির কথা বলা হয়েছে, তবে মার্কিন কংগ্রেস সদস্যরা বিতর্কের সময় যা বলেছেন, তা থেকে পরিষ্কার, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো চীনের কোম্পানিগুলো। তাদের চাপে রাখতেই এই আইন পাস করানো হয়েছে। চীনের কোম্পানিগুলিকে জানাতে হবে, সে দেশের কমিউনিস্ট পার্টির কোনো কর্মকর্তা বোর্ড সদস্য হিসাবে আছেন কিনা।

অধিকাংশ বিদেশি কোম্পানিই এসইসি-র তদারকিতে অডিট করায়। কিন্তু চীনা আইন অনুসারে কোনো চীনা কোম্পানি বিদেশে এই ধরনের অডিট করাতে পারে না। ফলে কোম্পানি সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের স্টক রেগুলেটারদের হাতে থাকে না। দীর্ঘদিন ধরে এ নিয়ে এসইসি ও চীনা কোম্পানিগুলোর মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। ২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে অডিট করা নিয়ে চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করে, চীনা সংস্থাগুলো প্রয়োজনীয় নথি জমা দেয়নি।