ঢাকা ০৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কর্মবিরতিতে সাড়ে ৩শ’ স্বাস্থ্যকর্মী, স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত ১৪ লাখ মানুষ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে পিরোজপুরে ৩৫০ জন স্বাস্থ্য সহকারী কর্মবিরতি পালন করছেন। এতে জেলার প্রায় ১৪ মানুষ স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

জেলার সাতটি উপজেলায় বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) সকাল থেকে চলছে স্বাস্থ্য কর্মীদের কর্মবিরতি। এতে জেলার ১৫ স্বাস্থ্য পরিদর্শক, ৫৯ জন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও ২৭৮ জন স্বাস্থ্য সহকারীরা অংশ নেন।

জেলা পরিসংখ্যান অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী জেলায় মোট লোক সংখ্যা ১১ লাখ ১৩ হাজার হলেও গত ৯ বছরে এ সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ হেলথ অ্যাসিসট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশনের পিরোজপুর জেলার সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জানান, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারীদের বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি হিসেবে জেলায় এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় নির্দেশ অনুযায়ী অনির্দিষ্টকালের জন্য এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৮ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারীদের এক মহাসমাবেশে আমাদের (স্বাস্থ্য সহকারী) বেতন বৈষম্য নিরসনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ২০১৮ সালে ২ জানুয়ারি তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমাদের দাবি মেনে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একটি কমিটি গঠন করে দেন। এছাড়া চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি আমরা হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন বর্জন করলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সচিব ও মহাপরিচালক আমাদের দাবি মেনে নিয়ে লিখিত সমঝোতা পত্রে স্বাক্ষর করেন। সে অনুযায়ী আমারা এখানো কোনো সুবিধা পাইনি। আমাদের এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন চাই।

জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার পত্তাশি গ্রামের জহিরুল ইসলাম জানান, স্বাস্থ্য কর্মীদের কর্মবিরতির কারণে আমরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।

জেলার নাজিরপুর উপজেলার হেলথ অ্যাসিসট্যান্ট অ্যাসাসিয়েশনের সভাপতি জয়শ্রী মিস্ত্রী জানান, দেশের সব মহামারিকালে আমরা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করি। এমনকি দেশে করোনা শুরু হলে নিজেদের করোনা আক্রান্তের ঝুঁকির কথা ভুলে গিয়ে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে গার্মেন্টস কর্মী, ঢাকা থেকে আসাসহ বিদেশ ফেরতদের তালিকা তৈরি করে হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করেছি। পাশাপাশি নিয়মিত ইপিআই কর্মসূচিসহ অন্য কার্যক্রম চালিয়ে গেছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

কর্মবিরতিতে সাড়ে ৩শ’ স্বাস্থ্যকর্মী, স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত ১৪ লাখ মানুষ

আপডেট সময় ০৪:৩৪:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে পিরোজপুরে ৩৫০ জন স্বাস্থ্য সহকারী কর্মবিরতি পালন করছেন। এতে জেলার প্রায় ১৪ মানুষ স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

জেলার সাতটি উপজেলায় বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) সকাল থেকে চলছে স্বাস্থ্য কর্মীদের কর্মবিরতি। এতে জেলার ১৫ স্বাস্থ্য পরিদর্শক, ৫৯ জন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও ২৭৮ জন স্বাস্থ্য সহকারীরা অংশ নেন।

জেলা পরিসংখ্যান অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী জেলায় মোট লোক সংখ্যা ১১ লাখ ১৩ হাজার হলেও গত ৯ বছরে এ সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ হেলথ অ্যাসিসট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশনের পিরোজপুর জেলার সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জানান, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারীদের বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি হিসেবে জেলায় এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় নির্দেশ অনুযায়ী অনির্দিষ্টকালের জন্য এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৮ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারীদের এক মহাসমাবেশে আমাদের (স্বাস্থ্য সহকারী) বেতন বৈষম্য নিরসনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ২০১৮ সালে ২ জানুয়ারি তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমাদের দাবি মেনে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একটি কমিটি গঠন করে দেন। এছাড়া চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি আমরা হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন বর্জন করলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সচিব ও মহাপরিচালক আমাদের দাবি মেনে নিয়ে লিখিত সমঝোতা পত্রে স্বাক্ষর করেন। সে অনুযায়ী আমারা এখানো কোনো সুবিধা পাইনি। আমাদের এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন চাই।

জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার পত্তাশি গ্রামের জহিরুল ইসলাম জানান, স্বাস্থ্য কর্মীদের কর্মবিরতির কারণে আমরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।

জেলার নাজিরপুর উপজেলার হেলথ অ্যাসিসট্যান্ট অ্যাসাসিয়েশনের সভাপতি জয়শ্রী মিস্ত্রী জানান, দেশের সব মহামারিকালে আমরা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করি। এমনকি দেশে করোনা শুরু হলে নিজেদের করোনা আক্রান্তের ঝুঁকির কথা ভুলে গিয়ে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে গার্মেন্টস কর্মী, ঢাকা থেকে আসাসহ বিদেশ ফেরতদের তালিকা তৈরি করে হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করেছি। পাশাপাশি নিয়মিত ইপিআই কর্মসূচিসহ অন্য কার্যক্রম চালিয়ে গেছি।