ঢাকা ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইসলাম বিষয়ক অ্যাপের তথ্য নিচ্ছে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

ইসলাম ধর্ম বিষয়ক স্মার্টফোন ভিত্তিক বিভিন্ন বহুল ব্যবহৃত অ্যাপ থেকে ব্যবহারকারীদের তথ্য সংগ্রহ করছে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের রিয়েল টাইম লোকেশনসহ বিভিন্ন তথ্য চলে যাচ্ছে দেশটির স্পেশাল অপারেশনস কমান্ড কর্তৃপক্ষের কাছে।

সম্প্রতি অনলাইন ম্যাগাজিন মাদারবোর্ড-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিষয়টি গণমাধ্যমে এলে বেশ সোজাসাপ্টাভাবে মেনেও নেওয়া হয়েছে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে।

মাদারবোর্ড-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে এবং বাইরে ব্যবহৃত বিভিন্ন অ্যাপ থেকে ব্যবহারকারীদের অবস্থানের লাইভ তথ্য নিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী। এসব অ্যাপের মধ্যে ইসলাম ধর্ম বিষয়ক অ্যাপ রয়েছে যেগুলো মূলত ইসলাম ধর্মের অনুসারীরা ব্যবহার করেন।

টার্গেট করা অ্যাপগুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় একটি অ্যাপ হচ্ছে ‘মুসলিম প্রো’। নামাজ এবং কোরআন বিষয়ক এই অ্যাপটি বিশ্বজুড়ে ৯৮ মিলিয়নেরও বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে। মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর নজর থেকে বাদ যায়নি একটি মুসলিম ডেটিং অ্যাপও। অবস্থানের পাশাপাশি ব্যবহারকারীর ইন্টারনেট মাধ্যম যেমন- ওয়াইফাই এর নামসহ অন্যান্য তথ্যও হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

সশস্ত্র বাহিনীর কাছে গ্রাহকদের এসব তথ্য বিক্রি করে দিচ্ছে বিভিন্ন অ্যাপ প্ল্যাটফর্ম। এমন একটি প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স-মুড’ এর দেওয়া তথ্যমতে, শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই ২৮ মিলিয়ন ডিভাইস এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে পৃথিবীজুড়ে অন্তত ৪০ মিলিয়ন ডিভাইস নিয়মিত ট্র্যাক করে প্রতিষ্ঠানটি। আর সেখান থেকে প্রাপ্ত ডাটা বিক্রি করা হয় সশস্ত্র বাহিনী এবং গোয়েন্দা বিভাগের কাছে।

এমন তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়টি অকপটে স্বীকার করে নিয়েছে স্পেশাল অপারেশন কমান্ড কর্তৃপক্ষ। নিজেদের এমন কাজের সাফাই দিয়ে নেভি কমান্ডার টিম হকিন্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে এবং বাইরে স্পেশাল অপারেশনস বাহিনীগুলোর বিভিন্ন মিশনে সহায়তা করতে এসব অ্যাপে আমরা প্রবেশ নিয়ে থাকি। মার্কিন নাগরিকদের গোপনীয়তা, নাগরিক স্বাধীনতা, সাংবিধানিক এবং আইনি অধিকার রক্ষার জন্য আমরা প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি ও নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ইসলাম বিষয়ক অ্যাপের তথ্য নিচ্ছে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী

আপডেট সময় ০৯:১৩:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ নভেম্বর ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

ইসলাম ধর্ম বিষয়ক স্মার্টফোন ভিত্তিক বিভিন্ন বহুল ব্যবহৃত অ্যাপ থেকে ব্যবহারকারীদের তথ্য সংগ্রহ করছে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের রিয়েল টাইম লোকেশনসহ বিভিন্ন তথ্য চলে যাচ্ছে দেশটির স্পেশাল অপারেশনস কমান্ড কর্তৃপক্ষের কাছে।

সম্প্রতি অনলাইন ম্যাগাজিন মাদারবোর্ড-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিষয়টি গণমাধ্যমে এলে বেশ সোজাসাপ্টাভাবে মেনেও নেওয়া হয়েছে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে।

মাদারবোর্ড-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে এবং বাইরে ব্যবহৃত বিভিন্ন অ্যাপ থেকে ব্যবহারকারীদের অবস্থানের লাইভ তথ্য নিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী। এসব অ্যাপের মধ্যে ইসলাম ধর্ম বিষয়ক অ্যাপ রয়েছে যেগুলো মূলত ইসলাম ধর্মের অনুসারীরা ব্যবহার করেন।

টার্গেট করা অ্যাপগুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় একটি অ্যাপ হচ্ছে ‘মুসলিম প্রো’। নামাজ এবং কোরআন বিষয়ক এই অ্যাপটি বিশ্বজুড়ে ৯৮ মিলিয়নেরও বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে। মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর নজর থেকে বাদ যায়নি একটি মুসলিম ডেটিং অ্যাপও। অবস্থানের পাশাপাশি ব্যবহারকারীর ইন্টারনেট মাধ্যম যেমন- ওয়াইফাই এর নামসহ অন্যান্য তথ্যও হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

সশস্ত্র বাহিনীর কাছে গ্রাহকদের এসব তথ্য বিক্রি করে দিচ্ছে বিভিন্ন অ্যাপ প্ল্যাটফর্ম। এমন একটি প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স-মুড’ এর দেওয়া তথ্যমতে, শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই ২৮ মিলিয়ন ডিভাইস এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে পৃথিবীজুড়ে অন্তত ৪০ মিলিয়ন ডিভাইস নিয়মিত ট্র্যাক করে প্রতিষ্ঠানটি। আর সেখান থেকে প্রাপ্ত ডাটা বিক্রি করা হয় সশস্ত্র বাহিনী এবং গোয়েন্দা বিভাগের কাছে।

এমন তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়টি অকপটে স্বীকার করে নিয়েছে স্পেশাল অপারেশন কমান্ড কর্তৃপক্ষ। নিজেদের এমন কাজের সাফাই দিয়ে নেভি কমান্ডার টিম হকিন্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে এবং বাইরে স্পেশাল অপারেশনস বাহিনীগুলোর বিভিন্ন মিশনে সহায়তা করতে এসব অ্যাপে আমরা প্রবেশ নিয়ে থাকি। মার্কিন নাগরিকদের গোপনীয়তা, নাগরিক স্বাধীনতা, সাংবিধানিক এবং আইনি অধিকার রক্ষার জন্য আমরা প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি ও নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করি।