ঢাকা ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডিলার ছাড়া স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করা যাবে না

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

স্বর্ণ নীতিমালার আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত স্বর্ণ আমদানির ডিলারদের মাধ্যমে এখন থেকে স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করতে হবে। অনুমোদিত ডিলারদের বাইরে এককভাবে বা প্রতিষ্ঠানিকভাবে কেউ স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করতে পারবে না।

এ বিষয়ে বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। নতুন এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে সার্কুলারে জানানো হয়েছে।

সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক স্বর্ণ আমদানির নীতিমালা জারি করে। এর আওতায় স্বর্ণ আমদানির জন্য ১৯টি প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ আমদানির ডিলার হিসেবে লাইসেন্স প্রদান করে গত বছরের অক্টোবরে। গত এক বছরে মাত্র দুটি প্রতিষ্ঠান বৈধভাবে ব্যাংকে এলসি খুলে সামান্য পরিমাণ স্বর্ণ আমদানি করেছে। বাকি স্বর্ণ অবৈধভাবে বা চোরাইপথে আমদানি হচ্ছে।

নীতিমালাতে স্বর্ণের বিস্কুট বা গোল্ড বার আমদানির পাশাপাশি স্বর্ণালংকার আমদানিরও বিধান রাখা হয়েছে। কিন্তু এতদিন স্বর্ণালংকার আমদানি হতো বাণিজ্যিকভাবে। এতে দামের হেরফেরের কারণে দামও বেশি পড়ত। এখন ডিলারদের মাধ্যমে আমদানি করতে হবে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজার দরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করা যাবে।

উল্লে­খ্য, গত বছর বাংলাদেশ ব্যাংক একটি ব্যাংকসহ ১৯টি প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ আমদানির লাইন্সেস প্রদান করে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি ব্যাংক হচ্ছে, বেসরকারি খাতের নতৃন প্রজন্মের মধুমতি ব্যাংক। বাকি ১৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড, জুয়েলারি হাউস, রতনা গোল্ড, অরোসা গোল্ড কর্পোরেশন, আমিন জুয়েলার্স, শ্রীজা গোল্ড প্যালেস লিমিটেড, জরোয়া হাউস লিমিটেড, মিলন বাজার, এসকিউ ট্রেডিং, এমকে ইন্টারন্যাশনাল, আমিন জুয়েলার্স, বোরাক কমোডিটিস এক্সচেঞ্জ, গোল্ডেন ওয়ার্ল্ড জুয়েলার্স, রিয়া জুয়েলার্স, লক্ষ্মী জুয়েলার্স, বিডেক্স গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড এবং ডি ডামাস দ্য আর্ট অব গ্যালারি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিলার ছাড়া স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করা যাবে না

আপডেট সময় ১০:২৮:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

স্বর্ণ নীতিমালার আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত স্বর্ণ আমদানির ডিলারদের মাধ্যমে এখন থেকে স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করতে হবে। অনুমোদিত ডিলারদের বাইরে এককভাবে বা প্রতিষ্ঠানিকভাবে কেউ স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করতে পারবে না।

এ বিষয়ে বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। নতুন এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে সার্কুলারে জানানো হয়েছে।

সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক স্বর্ণ আমদানির নীতিমালা জারি করে। এর আওতায় স্বর্ণ আমদানির জন্য ১৯টি প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ আমদানির ডিলার হিসেবে লাইসেন্স প্রদান করে গত বছরের অক্টোবরে। গত এক বছরে মাত্র দুটি প্রতিষ্ঠান বৈধভাবে ব্যাংকে এলসি খুলে সামান্য পরিমাণ স্বর্ণ আমদানি করেছে। বাকি স্বর্ণ অবৈধভাবে বা চোরাইপথে আমদানি হচ্ছে।

নীতিমালাতে স্বর্ণের বিস্কুট বা গোল্ড বার আমদানির পাশাপাশি স্বর্ণালংকার আমদানিরও বিধান রাখা হয়েছে। কিন্তু এতদিন স্বর্ণালংকার আমদানি হতো বাণিজ্যিকভাবে। এতে দামের হেরফেরের কারণে দামও বেশি পড়ত। এখন ডিলারদের মাধ্যমে আমদানি করতে হবে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজার দরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করা যাবে।

উল্লে­খ্য, গত বছর বাংলাদেশ ব্যাংক একটি ব্যাংকসহ ১৯টি প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ আমদানির লাইন্সেস প্রদান করে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি ব্যাংক হচ্ছে, বেসরকারি খাতের নতৃন প্রজন্মের মধুমতি ব্যাংক। বাকি ১৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড, জুয়েলারি হাউস, রতনা গোল্ড, অরোসা গোল্ড কর্পোরেশন, আমিন জুয়েলার্স, শ্রীজা গোল্ড প্যালেস লিমিটেড, জরোয়া হাউস লিমিটেড, মিলন বাজার, এসকিউ ট্রেডিং, এমকে ইন্টারন্যাশনাল, আমিন জুয়েলার্স, বোরাক কমোডিটিস এক্সচেঞ্জ, গোল্ডেন ওয়ার্ল্ড জুয়েলার্স, রিয়া জুয়েলার্স, লক্ষ্মী জুয়েলার্স, বিডেক্স গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড এবং ডি ডামাস দ্য আর্ট অব গ্যালারি।