ঢাকা ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি ও দুইজনের যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

জামালপুরে মোটরসাইকেল চালক জিয়াউল হক (৩২) হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি ও দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত। রবিবার দুপুরে বিচারক মো. জুলফিকার আলী খান এই রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন-ইসলামপুর উপজেলার করইতার গ্রামের নবাব আলী খানের ছেলে মাহবুবুর রহমান বুলবুল। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-মেলান্দহ উপজেলার মাঝবন্দ নাংলা গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে মনির ও গোবিন্দপুর নাংলা গ্রামের সুলতানের ছেলে বাবু।

জিয়াউল হক ইসলামপুর উপজেলার ধর্মকুড়া শান্তিপাড়া গ্রামের সামিউল হকের ছেলে। তিনি ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নির্মল কান্তি ভদ্র জানান, গত ২০১১ সালের ৫ অক্টোবর সকালে জিয়াউল হককে পাশের করইতার গ্রামের বুলবুল জামালপুরের নান্দিনায় শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার জন্য মোটরসাইকেল ভাড়া নেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়।

পরদিন ৬ অক্টোবর দুপুরে মেলান্দহ উপজেলার চারাইলদার পাথালিয়া গ্রামের মতিবর হাজির ধানক্ষেত থেকে জিয়াউল হকের হাত-পা বাঁধা অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়।

ওইদিনই নিহতের স্ত্রী মোছা. বিউটি বেগম মেলান্দহ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালত ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মাহবুবুর রহমান বুলবুলকে মৃত্যুদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

এছাড়া মনির ও বাবুকে যাবজ্জীবন, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাহবুবুর রহমান বুলবুল পলাতক রয়েছেন।

মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. বজলুল হক ও অ্যাডভোকেট এস এম জামাল আবদুন নাসের বাবুল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি ও দুইজনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৪:৩৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

জামালপুরে মোটরসাইকেল চালক জিয়াউল হক (৩২) হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি ও দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত। রবিবার দুপুরে বিচারক মো. জুলফিকার আলী খান এই রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন-ইসলামপুর উপজেলার করইতার গ্রামের নবাব আলী খানের ছেলে মাহবুবুর রহমান বুলবুল। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-মেলান্দহ উপজেলার মাঝবন্দ নাংলা গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে মনির ও গোবিন্দপুর নাংলা গ্রামের সুলতানের ছেলে বাবু।

জিয়াউল হক ইসলামপুর উপজেলার ধর্মকুড়া শান্তিপাড়া গ্রামের সামিউল হকের ছেলে। তিনি ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নির্মল কান্তি ভদ্র জানান, গত ২০১১ সালের ৫ অক্টোবর সকালে জিয়াউল হককে পাশের করইতার গ্রামের বুলবুল জামালপুরের নান্দিনায় শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার জন্য মোটরসাইকেল ভাড়া নেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়।

পরদিন ৬ অক্টোবর দুপুরে মেলান্দহ উপজেলার চারাইলদার পাথালিয়া গ্রামের মতিবর হাজির ধানক্ষেত থেকে জিয়াউল হকের হাত-পা বাঁধা অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়।

ওইদিনই নিহতের স্ত্রী মোছা. বিউটি বেগম মেলান্দহ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালত ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মাহবুবুর রহমান বুলবুলকে মৃত্যুদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

এছাড়া মনির ও বাবুকে যাবজ্জীবন, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাহবুবুর রহমান বুলবুল পলাতক রয়েছেন।

মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. বজলুল হক ও অ্যাডভোকেট এস এম জামাল আবদুন নাসের বাবুল।