ঢাকা ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছেলেকে বাঁচাতে মায়ের পানিতে ঝাঁপ, প্রাণ গেলো দুজনের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

রংপুরের জুম্মাপাড়া দোলাবাড়ি এলাকায় জলাবদ্ধতার পানিতে ডুবে ছয় বছরের শিশু রিপন মিয়া ও মা রোকেয়া বেগমের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় রোকেয়া বেগমের আরেক ছেলে রোহান প্রাণে বেঁচে গেছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর জুম্মাপাড়ার আলহেরা গলিতে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানান, রংপুরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জলাবদ্ধতায় নগরীর মিস্ত্রিপাড়া থেকে জুম্মাপাড়া যাওয়ার প্রায় চার কিলোমিটারের রাস্তা এখন হাটু পানিতে নিমজ্জিত। এর মধ্যে প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে নিচু এলাকা হওয়ায় পানি থৈ থৈ করছে। বিকল্প রাস্তা দিয়ে অনেকদূর ঘুরে যেতে হয় জন্য এলাকাবাসী মাত্র চার এ সরু রাস্তা দিয়েই চলাচল করছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মা রোকেয়া বেগম ছোট ছেলে রিপনকে সঙ্গে নিয়ে হাটু পানি মাড়িয়ে বড় ছেলে রোহান মিয়াকে তার মাদ্রাসায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য যাচ্ছিলেন। এসময় বড় ছেলে পা পিছলে গভীর পানিতে ডুবে যায়। তখন ছোট ছেলেকে হাঁটু পানিতে রেখে বড় ছেলেকে বাঁচাতে মা পানিতে ঝাঁপ দেন এবং তাকে উদ্ধার করেন। পরক্ষণেই ছোট ছেলে অপর পাশে অথৈ পানিতে পড়ে যায়। কিন্তু তাকে বাঁচাতে পানিতে ঝাঁপ দিয়ে আর উঠতে পারেননি। এর পর এলাকাবাসী অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মরদেহ রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসার জন্য বড় ছেলেকে মেডিক্যালে ভর্তি করানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছেলেকে বাঁচাতে মায়ের পানিতে ঝাঁপ, প্রাণ গেলো দুজনের

আপডেট সময় ০৬:০০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

রংপুরের জুম্মাপাড়া দোলাবাড়ি এলাকায় জলাবদ্ধতার পানিতে ডুবে ছয় বছরের শিশু রিপন মিয়া ও মা রোকেয়া বেগমের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় রোকেয়া বেগমের আরেক ছেলে রোহান প্রাণে বেঁচে গেছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর জুম্মাপাড়ার আলহেরা গলিতে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানান, রংপুরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জলাবদ্ধতায় নগরীর মিস্ত্রিপাড়া থেকে জুম্মাপাড়া যাওয়ার প্রায় চার কিলোমিটারের রাস্তা এখন হাটু পানিতে নিমজ্জিত। এর মধ্যে প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে নিচু এলাকা হওয়ায় পানি থৈ থৈ করছে। বিকল্প রাস্তা দিয়ে অনেকদূর ঘুরে যেতে হয় জন্য এলাকাবাসী মাত্র চার এ সরু রাস্তা দিয়েই চলাচল করছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মা রোকেয়া বেগম ছোট ছেলে রিপনকে সঙ্গে নিয়ে হাটু পানি মাড়িয়ে বড় ছেলে রোহান মিয়াকে তার মাদ্রাসায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য যাচ্ছিলেন। এসময় বড় ছেলে পা পিছলে গভীর পানিতে ডুবে যায়। তখন ছোট ছেলেকে হাঁটু পানিতে রেখে বড় ছেলেকে বাঁচাতে মা পানিতে ঝাঁপ দেন এবং তাকে উদ্ধার করেন। পরক্ষণেই ছোট ছেলে অপর পাশে অথৈ পানিতে পড়ে যায়। কিন্তু তাকে বাঁচাতে পানিতে ঝাঁপ দিয়ে আর উঠতে পারেননি। এর পর এলাকাবাসী অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মরদেহ রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসার জন্য বড় ছেলেকে মেডিক্যালে ভর্তি করানো হয়েছে।