ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে বাঁচাতে সামরিক ব্যয় কমানোর আহ্বান বাংলাদেশের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বৈশ্বিক অর্থনীতিকে দাঁড় করাতে সামরিক ব্যয় হ্রাস করে উদ্বৃত্ত অর্থ স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিনিয়োগের ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ।

গতকাল বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মো. শামীম আহসান এই আহ্বান জানান। সভায় সভাপতির দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ। শুক্রবার জেনেভা থেকে পাঠানো এক বার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়।

সভায় রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান বলেন, ‘কোভিড-১৯ এর কারণে আজ বৈশ্বিক অর্থনীতি তীব্র ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিরাজ করছে নাজুক পরিস্থিতি। এমন সময়েও কিছু দেশ কর্তৃক সামরিক ব্যয় হ্রাসের কোনও আভাস পাওয়া যাচ্ছে না।’

বৈশ্বিক এই জরুরি অবস্থায় যাতে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে পারে সেজন্য সামরিক ব্যয় হ্রাস করে উদ্বৃত্ত অর্থ স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিনিয়োগের ওপর জোর দেন রাষ্ট্রদূত।

চলতি বছরে জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলায় ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ওই হামলায় নিহত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে শামীম আহসান আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এ ঘটনাটি বৈশ্বিক নিরস্ত্রীকরণ কাঠামোকে সমর্থন ও শক্তিশালী করতে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করবে।

মহামারির প্রেক্ষাপটে হলেও নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক এই সম্মেলনটি সদস্য দেশগুলোর সরাসরি এবং ভার্চুয়াল অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়।

৬৫ সদস্যবিশিষ্ট এ সম্মেলনটির প্রত্যেক সদস্যই প্রতি ১১ বছরে একবার সভাপতিত্ব করার সুযোগ পায়। নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সকল আন্তর্জাতিক আপোষ-আলোচনার মধ্যে এই সম্মেলনটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। কারণ এটি একমাত্র ফোরাম যেখানে নয়টি পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্রেরই অংশগ্রহণ রয়েছে।

সম্মেলনে চলতি বছরে পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ চুক্তির ৫০ বছর পূর্তির বিষয়টি উল্লেখ করে জেনেভাস্থ জাতিসংঘ দপ্তরের মহাপরিচালক ও সম্মেলনের মহাসচিব তাতিয়ানা ভালোভায়া নিরস্ত্রীকরণ ও পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধে গৃহীত পদক্ষেপগুলো যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তার জন্য নতুন বৈশ্বিক আইনি চুক্তির জন্য আপোষ-আলোচনার শুরু করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে বাঁচাতে সামরিক ব্যয় কমানোর আহ্বান বাংলাদেশের

আপডেট সময় ০১:২১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বৈশ্বিক অর্থনীতিকে দাঁড় করাতে সামরিক ব্যয় হ্রাস করে উদ্বৃত্ত অর্থ স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিনিয়োগের ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ।

গতকাল বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মো. শামীম আহসান এই আহ্বান জানান। সভায় সভাপতির দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ। শুক্রবার জেনেভা থেকে পাঠানো এক বার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়।

সভায় রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান বলেন, ‘কোভিড-১৯ এর কারণে আজ বৈশ্বিক অর্থনীতি তীব্র ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিরাজ করছে নাজুক পরিস্থিতি। এমন সময়েও কিছু দেশ কর্তৃক সামরিক ব্যয় হ্রাসের কোনও আভাস পাওয়া যাচ্ছে না।’

বৈশ্বিক এই জরুরি অবস্থায় যাতে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে পারে সেজন্য সামরিক ব্যয় হ্রাস করে উদ্বৃত্ত অর্থ স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিনিয়োগের ওপর জোর দেন রাষ্ট্রদূত।

চলতি বছরে জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলায় ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ওই হামলায় নিহত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে শামীম আহসান আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এ ঘটনাটি বৈশ্বিক নিরস্ত্রীকরণ কাঠামোকে সমর্থন ও শক্তিশালী করতে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করবে।

মহামারির প্রেক্ষাপটে হলেও নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক এই সম্মেলনটি সদস্য দেশগুলোর সরাসরি এবং ভার্চুয়াল অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়।

৬৫ সদস্যবিশিষ্ট এ সম্মেলনটির প্রত্যেক সদস্যই প্রতি ১১ বছরে একবার সভাপতিত্ব করার সুযোগ পায়। নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সকল আন্তর্জাতিক আপোষ-আলোচনার মধ্যে এই সম্মেলনটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। কারণ এটি একমাত্র ফোরাম যেখানে নয়টি পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্রেরই অংশগ্রহণ রয়েছে।

সম্মেলনে চলতি বছরে পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ চুক্তির ৫০ বছর পূর্তির বিষয়টি উল্লেখ করে জেনেভাস্থ জাতিসংঘ দপ্তরের মহাপরিচালক ও সম্মেলনের মহাসচিব তাতিয়ানা ভালোভায়া নিরস্ত্রীকরণ ও পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধে গৃহীত পদক্ষেপগুলো যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তার জন্য নতুন বৈশ্বিক আইনি চুক্তির জন্য আপোষ-আলোচনার শুরু করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।