ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ঈদে নতুন জামা না কিনে মাস্ক বিতরণ করল ৫ম শ্রেণির ছাত্র

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আবদুর রহিম, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। করোনাকালীন মুখে মাস্ক পরে না অনেকে। এমনটা দেখে কষ্ট পায়। ঈদের নতুন জামা লাগবে না। ওই টাকায় মাস্ক কিনে বিতরণ করার বায়না ধরে বাবার কাছে। যারা মাস্ক পড়ে না তাদের সে মাস্ক দিবে। তার মতো বয়সী ছেলেদের সচেতন করবে।

বাধ্য হয়ে রাজমিস্ত্রি বাবা মাকসুদুর রহমান এক হাজার মাস্ক কিনে দেন। মঙ্গলবার ওই মাস্ক নিয়ে আবদুর রহিম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমানের কাছে আসে। একই সঙ্গে তার ইচ্ছের কথা বলে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিক্ষার্থী আবদুর রহিমের কথা শুনে খুশি হয়ে ওকে নিয়ে বেড় হন মাস্ক বিতরণ করতে। শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বিতরণ করা হয় ওই মাস্ক।

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় এমন প্রশংসিত উদ্যোগকে স্বাগত জানান, স্থানীয়রা।

আবদুর রহিমের পিতা পেশায় রাজমিস্ত্রি। থাকেন চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়। পতেঙ্গা আইডিয়াল স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আবদুর রহিম। ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার তালতলী এলাকায় বাড়ি।

ঈদে বাড়ি এসে এলাকায় ছোট-বড় সবাইকে মাস্ক ছাড়া পথেঘাটে চলাচল করতে দেখে কষ্ট পায় আবদুর রহিম। এদের সচেতন করতে তার এই উদ্যোগ। বেশিরভাগ মানুষ স্বাস্থ্য সচেতন নয়। এরা মাস্ক ব্যবহার করে না। করোনা আতংককে অবহেলা করে। এদের সচেতন করতেই মাস্ক বিতরণ করে আবদুর রহিম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ঈদে নতুন জামা না কিনে মাস্ক বিতরণ করল ৫ম শ্রেণির ছাত্র

আপডেট সময় ০৭:২৮:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আবদুর রহিম, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। করোনাকালীন মুখে মাস্ক পরে না অনেকে। এমনটা দেখে কষ্ট পায়। ঈদের নতুন জামা লাগবে না। ওই টাকায় মাস্ক কিনে বিতরণ করার বায়না ধরে বাবার কাছে। যারা মাস্ক পড়ে না তাদের সে মাস্ক দিবে। তার মতো বয়সী ছেলেদের সচেতন করবে।

বাধ্য হয়ে রাজমিস্ত্রি বাবা মাকসুদুর রহমান এক হাজার মাস্ক কিনে দেন। মঙ্গলবার ওই মাস্ক নিয়ে আবদুর রহিম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমানের কাছে আসে। একই সঙ্গে তার ইচ্ছের কথা বলে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিক্ষার্থী আবদুর রহিমের কথা শুনে খুশি হয়ে ওকে নিয়ে বেড় হন মাস্ক বিতরণ করতে। শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বিতরণ করা হয় ওই মাস্ক।

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় এমন প্রশংসিত উদ্যোগকে স্বাগত জানান, স্থানীয়রা।

আবদুর রহিমের পিতা পেশায় রাজমিস্ত্রি। থাকেন চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়। পতেঙ্গা আইডিয়াল স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আবদুর রহিম। ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার তালতলী এলাকায় বাড়ি।

ঈদে বাড়ি এসে এলাকায় ছোট-বড় সবাইকে মাস্ক ছাড়া পথেঘাটে চলাচল করতে দেখে কষ্ট পায় আবদুর রহিম। এদের সচেতন করতে তার এই উদ্যোগ। বেশিরভাগ মানুষ স্বাস্থ্য সচেতন নয়। এরা মাস্ক ব্যবহার করে না। করোনা আতংককে অবহেলা করে। এদের সচেতন করতেই মাস্ক বিতরণ করে আবদুর রহিম।