ঢাকা ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে করোনার প্রভাব, আর্থিক অনটন

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

মহামারি করোনাভাইরাস তাণ্ডব চালাচ্ছে বিশ্বজুড়েই। এর প্রভাব পড়েছে ক্রীড়াঙ্গনেও। করোনা পরিস্থিতিতে ক্ষতির মুখে পড়েছে কম-বেশি সব দেশের ক্রিকেট বোর্ডই। বিশ্বের অন্যতম ধনী ক্রিকেট বোর্ড ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিসিআই) এর বাইরে নয়।

একদিকে করোনাভাইরাসের থাবা, অন্যদিকে চীনের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ে সংকট-সব মিলিয়ে দিশেহারা বিসিসিআই। তাই ভেবে-চিন্তে এগুতে হচ্ছে তাদের। পৃষ্ঠপোষকদের সঙ্গে চুক্তির জন্য দরপত্রের প্রত্যাশিত অর্থ না কমালে কঠিন হয়ে যাবে ধারণা বিসিসিআই কর্তাদের।

এদিকে, আসছে সেপ্টেম্বরে ভারতীয় ক্রিকেট দলের জার্সি পৃষ্ঠপোষক নাইকির সঙ্গে চুক্তি শেষ হতে চলেছে বিসিসিআইয়ের। সংশয় দেখা দিয়েছে নতুন চুক্তি নিয়েও। এ চুক্তি অনুযায়ী ম্যাচ প্রতি বিসিসিআইকে ৮৫ লাখ রুপি দেওয়ার কথা নাইকির। মোট চুক্তি ৩৭০ কোটি রুপির। ম্যাচ প্রতি ৮৫ লাখ রুপির সঙ্গে রয়্যালটি আরও ৩০ কোটি রুপি।
তবে কোভিড-১৯ এর কারণে নাইকির ব্যবসায়িক অবস্থা নাজুক। তাই এই পুরো টাকা কোনোভাবেই বিসিসিআইকে দিতে পারবে না বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সে কারণে তারা চুক্তিটি শেষ করার জন্য সমঝোতায় যেতে চাচ্ছে।

নাইকি ছাড়াও বিসিসিআই বড় বিপদে আছে আইপিএলে চীনা প্রতিষ্ঠানের স্পন্সর চুক্তি নিয়ে। আইপিএলের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ভিভো ভারতীয় বোর্ডকে বছরে দেয় ৪৪০ কোটি রুপি। চলমান পরিস্থিতিতে আইপিএল আর না হলে ৪৪০ কোটি রুপি বিসিসিআই আর পাবে না। সব মিলিয়ে আর্থিক দিক দিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলি যে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে যাচ্ছেন, সেটা একরকম অবধারিত বলাই যায়।

করোনার কারণে সম্প্রচার চুক্তিও হুমকির মুখে আছে। এ বছর ভারতের মাটিতে ১২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। সেই সঙ্গে ভারতের শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে সফরের কথা ছিল। এই ১২টি ম্যাচ সম্প্রচার বাবদ বিশাল অঙ্কের অর্থ প্রাপ্তি ছিল বিসিসিআইয়ের, সেটিও তারা পাচ্ছে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে করোনার প্রভাব, আর্থিক অনটন

আপডেট সময় ০৯:০০:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

মহামারি করোনাভাইরাস তাণ্ডব চালাচ্ছে বিশ্বজুড়েই। এর প্রভাব পড়েছে ক্রীড়াঙ্গনেও। করোনা পরিস্থিতিতে ক্ষতির মুখে পড়েছে কম-বেশি সব দেশের ক্রিকেট বোর্ডই। বিশ্বের অন্যতম ধনী ক্রিকেট বোর্ড ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিসিআই) এর বাইরে নয়।

একদিকে করোনাভাইরাসের থাবা, অন্যদিকে চীনের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ে সংকট-সব মিলিয়ে দিশেহারা বিসিসিআই। তাই ভেবে-চিন্তে এগুতে হচ্ছে তাদের। পৃষ্ঠপোষকদের সঙ্গে চুক্তির জন্য দরপত্রের প্রত্যাশিত অর্থ না কমালে কঠিন হয়ে যাবে ধারণা বিসিসিআই কর্তাদের।

এদিকে, আসছে সেপ্টেম্বরে ভারতীয় ক্রিকেট দলের জার্সি পৃষ্ঠপোষক নাইকির সঙ্গে চুক্তি শেষ হতে চলেছে বিসিসিআইয়ের। সংশয় দেখা দিয়েছে নতুন চুক্তি নিয়েও। এ চুক্তি অনুযায়ী ম্যাচ প্রতি বিসিসিআইকে ৮৫ লাখ রুপি দেওয়ার কথা নাইকির। মোট চুক্তি ৩৭০ কোটি রুপির। ম্যাচ প্রতি ৮৫ লাখ রুপির সঙ্গে রয়্যালটি আরও ৩০ কোটি রুপি।
তবে কোভিড-১৯ এর কারণে নাইকির ব্যবসায়িক অবস্থা নাজুক। তাই এই পুরো টাকা কোনোভাবেই বিসিসিআইকে দিতে পারবে না বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সে কারণে তারা চুক্তিটি শেষ করার জন্য সমঝোতায় যেতে চাচ্ছে।

নাইকি ছাড়াও বিসিসিআই বড় বিপদে আছে আইপিএলে চীনা প্রতিষ্ঠানের স্পন্সর চুক্তি নিয়ে। আইপিএলের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ভিভো ভারতীয় বোর্ডকে বছরে দেয় ৪৪০ কোটি রুপি। চলমান পরিস্থিতিতে আইপিএল আর না হলে ৪৪০ কোটি রুপি বিসিসিআই আর পাবে না। সব মিলিয়ে আর্থিক দিক দিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলি যে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে যাচ্ছেন, সেটা একরকম অবধারিত বলাই যায়।

করোনার কারণে সম্প্রচার চুক্তিও হুমকির মুখে আছে। এ বছর ভারতের মাটিতে ১২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। সেই সঙ্গে ভারতের শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে সফরের কথা ছিল। এই ১২টি ম্যাচ সম্প্রচার বাবদ বিশাল অঙ্কের অর্থ প্রাপ্তি ছিল বিসিসিআইয়ের, সেটিও তারা পাচ্ছে না।