ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে করোনার প্রভাব, আর্থিক অনটন

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

মহামারি করোনাভাইরাস তাণ্ডব চালাচ্ছে বিশ্বজুড়েই। এর প্রভাব পড়েছে ক্রীড়াঙ্গনেও। করোনা পরিস্থিতিতে ক্ষতির মুখে পড়েছে কম-বেশি সব দেশের ক্রিকেট বোর্ডই। বিশ্বের অন্যতম ধনী ক্রিকেট বোর্ড ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিসিআই) এর বাইরে নয়।

একদিকে করোনাভাইরাসের থাবা, অন্যদিকে চীনের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ে সংকট-সব মিলিয়ে দিশেহারা বিসিসিআই। তাই ভেবে-চিন্তে এগুতে হচ্ছে তাদের। পৃষ্ঠপোষকদের সঙ্গে চুক্তির জন্য দরপত্রের প্রত্যাশিত অর্থ না কমালে কঠিন হয়ে যাবে ধারণা বিসিসিআই কর্তাদের।

এদিকে, আসছে সেপ্টেম্বরে ভারতীয় ক্রিকেট দলের জার্সি পৃষ্ঠপোষক নাইকির সঙ্গে চুক্তি শেষ হতে চলেছে বিসিসিআইয়ের। সংশয় দেখা দিয়েছে নতুন চুক্তি নিয়েও। এ চুক্তি অনুযায়ী ম্যাচ প্রতি বিসিসিআইকে ৮৫ লাখ রুপি দেওয়ার কথা নাইকির। মোট চুক্তি ৩৭০ কোটি রুপির। ম্যাচ প্রতি ৮৫ লাখ রুপির সঙ্গে রয়্যালটি আরও ৩০ কোটি রুপি।
তবে কোভিড-১৯ এর কারণে নাইকির ব্যবসায়িক অবস্থা নাজুক। তাই এই পুরো টাকা কোনোভাবেই বিসিসিআইকে দিতে পারবে না বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সে কারণে তারা চুক্তিটি শেষ করার জন্য সমঝোতায় যেতে চাচ্ছে।

নাইকি ছাড়াও বিসিসিআই বড় বিপদে আছে আইপিএলে চীনা প্রতিষ্ঠানের স্পন্সর চুক্তি নিয়ে। আইপিএলের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ভিভো ভারতীয় বোর্ডকে বছরে দেয় ৪৪০ কোটি রুপি। চলমান পরিস্থিতিতে আইপিএল আর না হলে ৪৪০ কোটি রুপি বিসিসিআই আর পাবে না। সব মিলিয়ে আর্থিক দিক দিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলি যে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে যাচ্ছেন, সেটা একরকম অবধারিত বলাই যায়।

করোনার কারণে সম্প্রচার চুক্তিও হুমকির মুখে আছে। এ বছর ভারতের মাটিতে ১২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। সেই সঙ্গে ভারতের শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে সফরের কথা ছিল। এই ১২টি ম্যাচ সম্প্রচার বাবদ বিশাল অঙ্কের অর্থ প্রাপ্তি ছিল বিসিসিআইয়ের, সেটিও তারা পাচ্ছে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে করোনার প্রভাব, আর্থিক অনটন

আপডেট সময় ০৯:০০:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

মহামারি করোনাভাইরাস তাণ্ডব চালাচ্ছে বিশ্বজুড়েই। এর প্রভাব পড়েছে ক্রীড়াঙ্গনেও। করোনা পরিস্থিতিতে ক্ষতির মুখে পড়েছে কম-বেশি সব দেশের ক্রিকেট বোর্ডই। বিশ্বের অন্যতম ধনী ক্রিকেট বোর্ড ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিসিআই) এর বাইরে নয়।

একদিকে করোনাভাইরাসের থাবা, অন্যদিকে চীনের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ে সংকট-সব মিলিয়ে দিশেহারা বিসিসিআই। তাই ভেবে-চিন্তে এগুতে হচ্ছে তাদের। পৃষ্ঠপোষকদের সঙ্গে চুক্তির জন্য দরপত্রের প্রত্যাশিত অর্থ না কমালে কঠিন হয়ে যাবে ধারণা বিসিসিআই কর্তাদের।

এদিকে, আসছে সেপ্টেম্বরে ভারতীয় ক্রিকেট দলের জার্সি পৃষ্ঠপোষক নাইকির সঙ্গে চুক্তি শেষ হতে চলেছে বিসিসিআইয়ের। সংশয় দেখা দিয়েছে নতুন চুক্তি নিয়েও। এ চুক্তি অনুযায়ী ম্যাচ প্রতি বিসিসিআইকে ৮৫ লাখ রুপি দেওয়ার কথা নাইকির। মোট চুক্তি ৩৭০ কোটি রুপির। ম্যাচ প্রতি ৮৫ লাখ রুপির সঙ্গে রয়্যালটি আরও ৩০ কোটি রুপি।
তবে কোভিড-১৯ এর কারণে নাইকির ব্যবসায়িক অবস্থা নাজুক। তাই এই পুরো টাকা কোনোভাবেই বিসিসিআইকে দিতে পারবে না বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সে কারণে তারা চুক্তিটি শেষ করার জন্য সমঝোতায় যেতে চাচ্ছে।

নাইকি ছাড়াও বিসিসিআই বড় বিপদে আছে আইপিএলে চীনা প্রতিষ্ঠানের স্পন্সর চুক্তি নিয়ে। আইপিএলের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ভিভো ভারতীয় বোর্ডকে বছরে দেয় ৪৪০ কোটি রুপি। চলমান পরিস্থিতিতে আইপিএল আর না হলে ৪৪০ কোটি রুপি বিসিসিআই আর পাবে না। সব মিলিয়ে আর্থিক দিক দিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলি যে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে যাচ্ছেন, সেটা একরকম অবধারিত বলাই যায়।

করোনার কারণে সম্প্রচার চুক্তিও হুমকির মুখে আছে। এ বছর ভারতের মাটিতে ১২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। সেই সঙ্গে ভারতের শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে সফরের কথা ছিল। এই ১২টি ম্যাচ সম্প্রচার বাবদ বিশাল অঙ্কের অর্থ প্রাপ্তি ছিল বিসিসিআইয়ের, সেটিও তারা পাচ্ছে না।