ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

একধাক্কায় ২০ গুণ বংশবৃদ্ধি করে পঙ্গপাল, চালায় ধ্বংসলীলা!

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

সেই পঙ্গপালের ঝাঁকই নাকি এমন বংশবৃদ্ধি করে যে আগের থেকে তা হয়ে যায় ২০ গু‌ণ ঘাতক। কারণ, সংখ্যায় বাড়ে একবারে ২০ গুণ। তাতেই ভয় বেশি। কারণ, আগের থেকে এত বেশি সংখ্যায় পঙ্গপাল এলে তার সঙ্গে লড়াই করার রাস্তা কী হবে, সেটাই এখন প্রশ্নের।

কেনিয়া এমন অবস্থা এর আগে দেখেনি। শেষ ৭০ বছরে এমন পঙ্গপালের হামলা তাদের নজরে পড়েনি। এতদিন ধরে যে পঙ্গপাল দল ধ্বংসলীলা চালিয়েছে, তারা তো ছিলই। এখন এসেছে, তাঁদের বংশধরেরা। পাখনা গজিয়েছে। এখন শুধু ওড়ার ওপেক্ষা।

আর এবারে গতবারের থেকে পঙ্গপালের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে ২০ গুণ। ফলে একটি পঙ্গপালের ঝাঁক হবে প্রায় ২০০ কিলোমিটার বিস্তৃত। করোনা, মহামারীর মধ্যে কী করে এই পঙ্গপালের বিরুদ্ধে লড়বে সরকার, সেটাই বোঝা মুশকিল।

আনা হয়েছে হেলিকপ্টার। যেখান থেকে কীটনাশক ছড়ানোর পরিকল্পনা করেছে সরকার। কিন্তু এই পঙ্গপালই যদি আগের রাস্তায় আসে, তাহলে কেনিয়াতে জন্মে তাঁরা আবার ফিরে যাবে সেই দেশে। সেখানে গিয়েই ডিম পাড়বে, বংশবৃদ্ধি করবে। বছরের পর বছর এমন ধাক্কা সামলাবে কী করে সে দেশ?‌

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

একধাক্কায় ২০ গুণ বংশবৃদ্ধি করে পঙ্গপাল, চালায় ধ্বংসলীলা!

আপডেট সময় ০৯:৪০:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

সেই পঙ্গপালের ঝাঁকই নাকি এমন বংশবৃদ্ধি করে যে আগের থেকে তা হয়ে যায় ২০ গু‌ণ ঘাতক। কারণ, সংখ্যায় বাড়ে একবারে ২০ গুণ। তাতেই ভয় বেশি। কারণ, আগের থেকে এত বেশি সংখ্যায় পঙ্গপাল এলে তার সঙ্গে লড়াই করার রাস্তা কী হবে, সেটাই এখন প্রশ্নের।

কেনিয়া এমন অবস্থা এর আগে দেখেনি। শেষ ৭০ বছরে এমন পঙ্গপালের হামলা তাদের নজরে পড়েনি। এতদিন ধরে যে পঙ্গপাল দল ধ্বংসলীলা চালিয়েছে, তারা তো ছিলই। এখন এসেছে, তাঁদের বংশধরেরা। পাখনা গজিয়েছে। এখন শুধু ওড়ার ওপেক্ষা।

আর এবারে গতবারের থেকে পঙ্গপালের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে ২০ গুণ। ফলে একটি পঙ্গপালের ঝাঁক হবে প্রায় ২০০ কিলোমিটার বিস্তৃত। করোনা, মহামারীর মধ্যে কী করে এই পঙ্গপালের বিরুদ্ধে লড়বে সরকার, সেটাই বোঝা মুশকিল।

আনা হয়েছে হেলিকপ্টার। যেখান থেকে কীটনাশক ছড়ানোর পরিকল্পনা করেছে সরকার। কিন্তু এই পঙ্গপালই যদি আগের রাস্তায় আসে, তাহলে কেনিয়াতে জন্মে তাঁরা আবার ফিরে যাবে সেই দেশে। সেখানে গিয়েই ডিম পাড়বে, বংশবৃদ্ধি করবে। বছরের পর বছর এমন ধাক্কা সামলাবে কী করে সে দেশ?‌