ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে ফেরা মাত্রই শেখ হাসিনা কারাগারে যাবেন: চিফ প্রসিকিউটর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানি গণমাধ্যমে ১৩ বিদেশি নেতার ছবি প্রকাশ হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু অতীতের ভুল থেকে বেরিয়ে মানসম্মত পাঠ্যবই তৈরির আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় সংসদ সদস্যদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: স্পিকার ‘বন্যা কবলিত মানুষের পুনর্বাসনে রাষ্ট্রকে দায়িত্ব নিতে হবে’:গাজী আতাউর রহমান ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত সরকারের মোট ঋণ ২২ লাখ ৬ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী শিক্ষাক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের চিন্তা ও কর্মযজ্ঞেরই প্রতিফলন চারটি নতুন বই: মাহদী আমিন বেড়িবাঁধের বরাদ্দে দুর্নীতি হতে দেওয়া হবে না: নাহিদ ইসলাম

একধাক্কায় ২০ গুণ বংশবৃদ্ধি করে পঙ্গপাল, চালায় ধ্বংসলীলা!

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

সেই পঙ্গপালের ঝাঁকই নাকি এমন বংশবৃদ্ধি করে যে আগের থেকে তা হয়ে যায় ২০ গু‌ণ ঘাতক। কারণ, সংখ্যায় বাড়ে একবারে ২০ গুণ। তাতেই ভয় বেশি। কারণ, আগের থেকে এত বেশি সংখ্যায় পঙ্গপাল এলে তার সঙ্গে লড়াই করার রাস্তা কী হবে, সেটাই এখন প্রশ্নের।

কেনিয়া এমন অবস্থা এর আগে দেখেনি। শেষ ৭০ বছরে এমন পঙ্গপালের হামলা তাদের নজরে পড়েনি। এতদিন ধরে যে পঙ্গপাল দল ধ্বংসলীলা চালিয়েছে, তারা তো ছিলই। এখন এসেছে, তাঁদের বংশধরেরা। পাখনা গজিয়েছে। এখন শুধু ওড়ার ওপেক্ষা।

আর এবারে গতবারের থেকে পঙ্গপালের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে ২০ গুণ। ফলে একটি পঙ্গপালের ঝাঁক হবে প্রায় ২০০ কিলোমিটার বিস্তৃত। করোনা, মহামারীর মধ্যে কী করে এই পঙ্গপালের বিরুদ্ধে লড়বে সরকার, সেটাই বোঝা মুশকিল।

আনা হয়েছে হেলিকপ্টার। যেখান থেকে কীটনাশক ছড়ানোর পরিকল্পনা করেছে সরকার। কিন্তু এই পঙ্গপালই যদি আগের রাস্তায় আসে, তাহলে কেনিয়াতে জন্মে তাঁরা আবার ফিরে যাবে সেই দেশে। সেখানে গিয়েই ডিম পাড়বে, বংশবৃদ্ধি করবে। বছরের পর বছর এমন ধাক্কা সামলাবে কী করে সে দেশ?‌

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে ফেরা মাত্রই শেখ হাসিনা কারাগারে যাবেন: চিফ প্রসিকিউটর

একধাক্কায় ২০ গুণ বংশবৃদ্ধি করে পঙ্গপাল, চালায় ধ্বংসলীলা!

আপডেট সময় ০৯:৪০:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

সেই পঙ্গপালের ঝাঁকই নাকি এমন বংশবৃদ্ধি করে যে আগের থেকে তা হয়ে যায় ২০ গু‌ণ ঘাতক। কারণ, সংখ্যায় বাড়ে একবারে ২০ গুণ। তাতেই ভয় বেশি। কারণ, আগের থেকে এত বেশি সংখ্যায় পঙ্গপাল এলে তার সঙ্গে লড়াই করার রাস্তা কী হবে, সেটাই এখন প্রশ্নের।

কেনিয়া এমন অবস্থা এর আগে দেখেনি। শেষ ৭০ বছরে এমন পঙ্গপালের হামলা তাদের নজরে পড়েনি। এতদিন ধরে যে পঙ্গপাল দল ধ্বংসলীলা চালিয়েছে, তারা তো ছিলই। এখন এসেছে, তাঁদের বংশধরেরা। পাখনা গজিয়েছে। এখন শুধু ওড়ার ওপেক্ষা।

আর এবারে গতবারের থেকে পঙ্গপালের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে ২০ গুণ। ফলে একটি পঙ্গপালের ঝাঁক হবে প্রায় ২০০ কিলোমিটার বিস্তৃত। করোনা, মহামারীর মধ্যে কী করে এই পঙ্গপালের বিরুদ্ধে লড়বে সরকার, সেটাই বোঝা মুশকিল।

আনা হয়েছে হেলিকপ্টার। যেখান থেকে কীটনাশক ছড়ানোর পরিকল্পনা করেছে সরকার। কিন্তু এই পঙ্গপালই যদি আগের রাস্তায় আসে, তাহলে কেনিয়াতে জন্মে তাঁরা আবার ফিরে যাবে সেই দেশে। সেখানে গিয়েই ডিম পাড়বে, বংশবৃদ্ধি করবে। বছরের পর বছর এমন ধাক্কা সামলাবে কী করে সে দেশ?‌