আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
করোনা ভাইরাসের মধ্যে চালুর ২১ দিনের মাথায় রাজধানীতে বিশৃঙ্খলভাবে চলছে গণপরিবহন। বেশিরভাগই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালাচ্ছে না। অতিরিক্ত যাত্রী, সহকারী দরজায় দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলা, স্প্রে ও মাস্ক ব্যবহার না করাসহ নানা অভিযোগ গণপরিবহনের বিরুদ্ধে। ফলে করোনার ঝুঁকি বেড়েই চলছে।
যাত্রীরা বলছেন, প্রথম দিকে নিয়ম মেনে চললেও এখন স্বাস্থ্যবিধি মোটেও মানা হচ্ছে না গণপরিবহনে। দরজায় হেলপার গায়ে হাত দিয়ে যাত্রী তোলা করোনার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। এছাড়া স্প্রে তো করাই হয় না।
গণপরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তারা স্বাস্থ্যবিধি মানতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। কিন্তু নিয়মিত স্প্রে করা সম্ভব হচ্ছে না বলেও স্বীকার করেন তারা।
রোববার (২১ জুন) রাজধানীর মিরপুরে গিয়ে দেখা যায়, বিকল্প অটো সার্ভিস পরিবহনের সহকারী দরজায় যাত্রীর গায়ে হাত দিয়ে তুলছেন। ভেতরেও অতিরিক্ত যাত্রী। একই অবস্থা পল্লবী পরিবহনে দেখা যায়। যাত্রীদের কেউ কেউ মাস্কও পরে আসেননি। অনেক চালক-সহকারীও মাস্ক পরছেন না। ফলে গণপরিবহনে যাতায়াতে ঝুঁকি বাড়ছে।
শুধু এ গণপরিবহনই নয়, রাজধানীর বেশিরভাগ গণপরিবহনেরই একই অবস্থা। সড়কে প্রতিযোগিতা ও পাল্লা দিয়ে চালানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি না মানার পাল্লাও বেশ ভারী।
স্মার্ট উইনার পরিবহনের যাত্রী তানজিলা ইসলাম জিনাত বলেন, বাসে উঠার সময় হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেওয়া হচ্ছে না। বাসের হেলপার গায়ে হাত দিয়ে যাত্রী তুলে, এটা খুবই বিপজ্জনক। এছাড়া অতিরিক্ত যাত্রীও দেখা যায় অনেক সময়।
আকাশ পরিবহনের যাত্রী হিমালয় বড়ুয়া বলেন, আমাদের যাত্রীরাও অসচেতন। মাস্ক না পরেই অনেকে বাসে ওঠেন। আবার দেখা গেছে, চালকও মাস্ক ব্যবহার করছেন না। আসলে করোনা থেকে বাঁচতে আমাদের সবারই সচেতন হওয়া উচিত।
আবাবিল পরিবহনের সহকারী সিয়াম বলেন, সংকট থাকায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার সবসময় দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে আমরা অতিরিক্ত যাত্রী নিচ্ছি না। এ ব্যাপারে খুব শক্ত অবস্থানে আমরা।
তুরাগ পরিবহনের চালক নিয়ামুল নাসির বলেন, অতিরিক্ত যাত্রী তোলার যে অভিযোগ সেটা সঠিক নয়। অনেক সময় একই পরিবারের একাধিক যাত্রী ওঠেন, তারা পাশাপাশি বসেন। এজন্য অনেকে মনে করেন অতিরিক্ত যাত্রী তুলি, যেটা ঠিক নয়।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























