ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ অচেতন অবস্থায় রংপুরে উদ্ধার গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া সরকারের উচিত নয়: আমির খসরু আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনতে আন্তর্জাতিক মহলের কোনো চাপ নেই: শফিকুল আলম আমরা এখন আর আইসিইউতে নেই, কেবিনে উঠে এসেছি: অর্থ উপদেষ্টা ‘বন্দি থাকাকালে বেগম জিয়ার পক্ষে কথা বলার কেউই ছিলেন না’:আসিফ নজরুল নোয়াখালীকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ মিশনে নিয়োগ

‘রফিককে ৫০ হাজারের বেশি বেতন দিলে অন্যদের অপমান করা হবে’

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

জাতীয় দলের সাবেক তারকা স্পিনার মোহাম্মদ রফিক সম্প্রতি হতাশ হয়েই বলেছেন, ক্রিকেট বোর্ডে চাকরির জন্য অনেকের কাছে গিয়েছি কেউ পাত্তা দেয়নি।

রফিকের এমন মন্তব্য প্রসঙ্গে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজন বলেছেন, রফিক চাইলে বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্টের কোচ হতে পারে। গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে আমি তার জন্য চাকরির ব্যবস্থা করব। কিন্তু একটি সুষ্ঠু প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। রফিক কি সেই নিয়মকানুন মেনে কাজ করতে চাইবে?

সুজন আরও বলেন, মিজানুর রহমান বাবুল ভাই লেভেল থ্রি করা কোচ, ওয়াহিদুল গনি ভাই দীর্ঘদিন বোর্ডের কোচ হিসেবে কাজ করে আজ হয়তো লাখখানেক টাকার মতো বেতন পান। এখন রফিককে তো আর শুরুতেই দেড়-দুই লাখ টাকা বেতন দিতে পারব না, তা সম্ভবও না। তাহলে যারা দীর্ঘদিন কাজ করে এত পরিশ্রম করে এখন লাখখানেক বেতন পান, তারা কী ভাববেন? তাদের সঙ্গে অবিচার করা হবে, তাদেরকে অপমান করা হবে না? কাজেই রফিককে চাইলেও শুরুতে ৫০ হাজার টাকার বেশি বেতন দিতে পারব না।

জাতীয় দলের সাবেক এ তারকা ক্রিকেটার সুজন আরও বলেন, রফিক আমার প্রায় সমবয়সী। আমরা দীর্ঘদিন একসঙ্গে জাতীয় দলে খেলেছি। তার প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে। আমি জানি কত উঁচু মানের স্পিনার ছিল সে। কিন্তু সেটাই শেষ কথা নয়। যখন সে কোচিং করাতে আগ্রহী হবে, তখন তো তাকে কোচিংয়ের ওপর পড়াশোনা করতে হবে, ডিগ্রি-ডিপ্লোমা থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, গেম ডেভেলপমেন্টে যারা কাজ করছেন, তাদের অনেকেই লেভেল থ্রি করা। ঐ লেভেল থ্রি তো বহু দূরে, রফিক লেভেল ওয়ানও করেনি। প্রথাগত কোচিং আর মেধাবি ক্রিকেটারের টিপস পরামর্শ এক নয়। আমি জানি রফিক স্পিনারদের অনেক ভালো ও কার্যকর পরামর্শ দিতে পারবে। কিন্তু কোচিং করানো, ছেলেদের স্পিনার বানানোর প্রক্রিয়া শেখানো, সূক্ষ্ম কলাকৌশল শেখানো এক কাজ নয়। কোচিং করানোর ধারাই আসলে আলাদা।

সুজন আরও বলেন, আমরাও চাই রফিক কাজ করুক। কিন্তু ওকে আগে পরিষ্কার করে জানাতে হবে ও কীভাবে কাজ করতে চায়? স্পেশালিস্ট কোচিং করাতে চায়? মানে স্পিনারদের নিয়েই শুধু কাজ করতে আগ্রহী? নাকি ফুলটাইমার কোচ হতে চায়? কিংবা পার্টটাইমার কোচ হওয়ার ইচ্ছে? এ সব ভেঙে বলতে হবে। সব কিছুর তো নিয়ম-কানুন আছে। তা মেনেই কাজ করতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ

‘রফিককে ৫০ হাজারের বেশি বেতন দিলে অন্যদের অপমান করা হবে’

আপডেট সময় ০৯:৩২:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

জাতীয় দলের সাবেক তারকা স্পিনার মোহাম্মদ রফিক সম্প্রতি হতাশ হয়েই বলেছেন, ক্রিকেট বোর্ডে চাকরির জন্য অনেকের কাছে গিয়েছি কেউ পাত্তা দেয়নি।

রফিকের এমন মন্তব্য প্রসঙ্গে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজন বলেছেন, রফিক চাইলে বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্টের কোচ হতে পারে। গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে আমি তার জন্য চাকরির ব্যবস্থা করব। কিন্তু একটি সুষ্ঠু প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। রফিক কি সেই নিয়মকানুন মেনে কাজ করতে চাইবে?

সুজন আরও বলেন, মিজানুর রহমান বাবুল ভাই লেভেল থ্রি করা কোচ, ওয়াহিদুল গনি ভাই দীর্ঘদিন বোর্ডের কোচ হিসেবে কাজ করে আজ হয়তো লাখখানেক টাকার মতো বেতন পান। এখন রফিককে তো আর শুরুতেই দেড়-দুই লাখ টাকা বেতন দিতে পারব না, তা সম্ভবও না। তাহলে যারা দীর্ঘদিন কাজ করে এত পরিশ্রম করে এখন লাখখানেক বেতন পান, তারা কী ভাববেন? তাদের সঙ্গে অবিচার করা হবে, তাদেরকে অপমান করা হবে না? কাজেই রফিককে চাইলেও শুরুতে ৫০ হাজার টাকার বেশি বেতন দিতে পারব না।

জাতীয় দলের সাবেক এ তারকা ক্রিকেটার সুজন আরও বলেন, রফিক আমার প্রায় সমবয়সী। আমরা দীর্ঘদিন একসঙ্গে জাতীয় দলে খেলেছি। তার প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে। আমি জানি কত উঁচু মানের স্পিনার ছিল সে। কিন্তু সেটাই শেষ কথা নয়। যখন সে কোচিং করাতে আগ্রহী হবে, তখন তো তাকে কোচিংয়ের ওপর পড়াশোনা করতে হবে, ডিগ্রি-ডিপ্লোমা থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, গেম ডেভেলপমেন্টে যারা কাজ করছেন, তাদের অনেকেই লেভেল থ্রি করা। ঐ লেভেল থ্রি তো বহু দূরে, রফিক লেভেল ওয়ানও করেনি। প্রথাগত কোচিং আর মেধাবি ক্রিকেটারের টিপস পরামর্শ এক নয়। আমি জানি রফিক স্পিনারদের অনেক ভালো ও কার্যকর পরামর্শ দিতে পারবে। কিন্তু কোচিং করানো, ছেলেদের স্পিনার বানানোর প্রক্রিয়া শেখানো, সূক্ষ্ম কলাকৌশল শেখানো এক কাজ নয়। কোচিং করানোর ধারাই আসলে আলাদা।

সুজন আরও বলেন, আমরাও চাই রফিক কাজ করুক। কিন্তু ওকে আগে পরিষ্কার করে জানাতে হবে ও কীভাবে কাজ করতে চায়? স্পেশালিস্ট কোচিং করাতে চায়? মানে স্পিনারদের নিয়েই শুধু কাজ করতে আগ্রহী? নাকি ফুলটাইমার কোচ হতে চায়? কিংবা পার্টটাইমার কোচ হওয়ার ইচ্ছে? এ সব ভেঙে বলতে হবে। সব কিছুর তো নিয়ম-কানুন আছে। তা মেনেই কাজ করতে হবে।